| | |
এই মুহূর্তে ::
ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৩১নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস — ন্যায়বিচার, সমঅধিকার ও জাতিসত্ত্বার স্বীকৃতি চাই : নিকোলাস বিশ্বাস নিকোলাসের ছবি বাস্তবকে তুলে ধরে কবিতার মতো : বোধিসত্ত্ব সঞ্জয় ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (৩০নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বঙ্গবাণী-র রমাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ও শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ই জীবনানন্দের আবিষ্কর্তা : অসিত দাস দিকে দিকে ওঠে অবাধ্যতার ঢেউ : দিলীপ মজুমদার প্রতিদিনের রবীন্দ্রনাথ : যশোবন্ত রায় ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (২৯নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ অথ তসলিমা কথা…. : অশোক মজুমদার ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (২৮নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বিস্মৃত মানুষের বিস্ময়কর কাহিনি : দিলীপ মজুমদার ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (২৭নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বেগম রোকেয়ার সমাধি আবিষ্কার যেন প্রেমেন্দ্র মিত্র-র তেলেনাপোতা আবিষ্কার : অসিত দাস মিয়ানমারের গণতান্ত্রিক সরকার রোহিঙ্গা সংকটে কোন নির্দেশনা নেই : হাসান মোঃ শামসুদ্দীন ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (২৬নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ দ্বিখণ্ডিত নির্বাসন : অশোক মজুমদার শ্যামাপ্রসাদের সঙ্গে আর্থার কোনান ডয়্যালের সাক্ষাৎকার ও প্ল্যানচেট-আলোচনা : অসিত দাস শ্রাবণের ঝিরঝিরে হাওয়ায় কাঁচের চুড়ির রিমিঝিম : রিঙ্কি সামন্ত ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (২৫নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ রাখি বন্ধন ও রবীন্দ্রনাথ : যশোবন্ত রায় ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (২৪নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ কলকাতা ফিরিয়ে দিক তসলিমার দ্বিখন্ডিত বাসার একখণ্ড : অশোক মজুমদার তরুণের বিদ্রোহ : তখন এবং এখন : দিলীপ মজুমদার বিশ্বজিৎ মণ্ডল-এর ছোটগল্প ‘বনলতা সেন ও অভিমানের অন্ধকার’ শিক্ষা ও সমাজ-সংস্কারে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অবদান : যশোবন্ত রায় ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (২৩নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ তসলিমা নাসরিন — সবিনয় নিবেদন : দিলীপ মজুমদার গুরুপূর্ণিমার ‘শতকোটি প্রণাম’-এর ব্যাখ্যা ও ব্যুৎপত্তি (দ্বিতীয় পর্ব) : অসিত দাস ওয়াল্টার কেলি ফার্মিঙ্গার সম্পাদিত দ্য ফিফথ রিপোর্ট (দ্বিতীয় খন্ড) (২২নং) অনুবাদ বিশ্বেন্দু নন্দ বিস্মৃত মানুষের বিস্ময়কর কাহিনি : দিলীপ মজুমদার
Notice :
❅ পেজফোরনিউজ অর্ন্তজাল পত্রিকার (Pagefournews web magazine) পক্ষ থেকে বিজ্ঞাপনদাতা, পাঠক ও শুভানুধ্যায়ী সকলকে জানাই শুভ দোল পূর্ণিমা-র আন্তরিক প্রীতি শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা। ভালো থাকবেন সবাই। ❅ আপনারা লেখা পাঠাতে পারেন, মনোনীত লেখা আমরা আমাদের পোর্টালে অবশ্যই রাখবো ❅ লেখা পাঠাবেন pagefour2020@gmail.com এই ই-মেল আইডি-তে ❅ বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন, ই-মেল : pagefour2020@gmail.com

বিএনপি’র লবিস্ট অপতৎপরতা : ড. মিল্টন বিশ্বাস

Reporter
ড. মিল্টন বিশ্বাস / ৬০৭ জন পড়েছেন
আপডেট সোমবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৩

সম্প্রতি (আগস্ট ২০২৩) মার্কিন আইন ভঙ্গ করা দুই বিএনপি লবিস্টকে আইনের সম্মুখীন হতে হয়েছে। আমেরিকায় ফরেন এজেন্ট রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট (FARA) এ বর্ণিত প্রবিধান লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। ইউএস ডিপার্টমেন্ট অফ জাস্টিস থেকে বলা হয়েছে, কেউ যদি ইচ্ছাকৃতভাবে FARA লঙ্ঘন করে, তবে তাদের সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড, US$250,000 পর্যন্ত জরিমানা বা উভয়ই হতে পারে। কিছু লঙ্ঘনকে অপকর্ম হিসেবে গণ্য করা হয়, যার সম্ভাব্য শাস্তি ছয় মাসের বেশি নয়, এবং US$5,000 পর্যন্ত জরিমানা, বা উভয়ই। FARA-এর অধীনে, বিদেশী রাজনৈতিক দলের পক্ষে কাজ করা নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের এবং রাজনৈতিক বা অন্যান্য নির্ধারিত ক্রিয়াকলাপে অংশগ্রহণকারীদের অবশ্যই বিদেশী দলের হয়ে তাদের পক্ষে কাজের স্বচ্ছ ডকুমেন্টেশন প্রদান করতে হবে। অধিকন্তু, তারা যে কার্যকলাপগুলি পরিচালনা করেছে, তারা যে তহবিল অর্জন করেছে এবং উল্লিখিত ক্রিয়াকলাপগুলিকে সমর্থন করার জন্য তারা যে ব্যয় করেছে তার বিশদ বিবরণ দিতে হবে। কিন্তু বিএনপি লবিস্ট উইলিয়াম বি মাইলাম, জন ড্যানিলোভিজ, মুশফিকুল আনসারী এবং অন্যান্যরা FARA এর অধীনে বিদেশী এজেন্ট বা লবিস্ট হিসেবে নিবন্ধনের আইনি প্রয়োজনীয়তা মেনে চলছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে উইলিয়াম, জন, এবং মুশফিকুল ফজল আনসারীর (একজন ব্রিটিশ নাগরিক) দিকে তাকালে দেখা যায়, তাদের ক্রিয়াকলাপ FARA লঙ্ঘন করেছে বলাবাহুল্য। কারণ তারা সংবাদের উৎস এবং সংস্থা হওয়ার অজুহাতে লবিস্ট হিসেবে তাদের ভূমিকা লুকিয়েছেন। অথচ বাস্তবে তারা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) হয়ে লবিস্ট হিসেবে কাজ করছেন। আশ্চর্য হলো এই দলটি ধর্মীয় উগ্রবাদী দল হিসেবে ইতোমধ্যে বিশ্বে পরিচিতি লাভ করেছে। ২০২২ সালের ১৮ জানুয়ারি বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বিবৃতি দিয়েছিলেন যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) বিভিন্ন লবিং ফার্মে ৩.৭ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে। এই অঙ্ক ২০২৩ সালে আরো বেড়েছে।

লেখাবাহুল্য, দুই প্রাক্তন মার্কিন কূটনীতিক- উইলিয়াম বি মাইলাম এবং জন ড্যানিলোভিজ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মুষ্টিমেয় অন্যান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে মিলে জঙ্গিবাদের মদদপুষ্ট বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) পক্ষে লবিস্ট হিসেবে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। জন ড্যানিলোভিজ-এর টুইটার অনুসারে, দেখা যাচ্ছে যে তিনি সক্রিয়ভাবে বাংলাদেশ এবং ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের বিরোধিতায় নিয়োজিত আছেন। স্পষ্টত তিনি বাংলাদেশ সম্পর্কে ক্ষতিকারক ভুল তথ্য ছড়ানোকে তার প্রাথমিক পেশা বানিয়েছেন। বিএনপি-জামায়াতের পক্ষে কাজ করছেন অন্যান্য আরো লবিস্টরা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সর্বজনীনভাবে অ্যাক্সেসযোগ্য লবিং ডেটাবেস থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে, এটি স্পষ্ট হয়ে গেছে যে বিএনপি ২০০৭ থেকে শুরু করে তাদের স্বার্থের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য আটটি লবিং সংস্থার সঙ্গে চুক্তি করেছিল। সেসময় তাদের দলের প্রধান লবিস্ট ফার্ম ছিল ব্লু স্টার এবং সাব-কন্ট্রাক্টর রাস্কি পার্টনার্স। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২০২১ সালের ১০ ডিসেম্বরে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) এর উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল, যার মধ্যে এই বাহিনীর সাতজন বর্তমান এবং প্রাক্তন কর্মকর্তা রয়েছেন। যারা মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে অভিযুক্ত ছিলেন। এই ঘটনার পরে, সরকার এবং ক্ষমতাসীন দলের নেতারা সরকার বিরোধী প্রচার চালানোর জন্য মার্কিন লবিস্টদের জড়িত থাকার দিকে অভিযোগের অঙ্গুলি তোলেন। তারা বলেন যে এই লবিস্টরা নিষেধাজ্ঞার পিছনে চালিকা শক্তি হিসেবে কাজ করেছে।

জন ড্যানিলোভিজ, বাংলাদেশে মার্কিন দূতাবাসের ভূতপূর্ব ডেপুটি চিফ অফ মিশন হিসেবে তার বিতর্কিত ভূমিকার জন্য পরিচিত। তিনি এদেশে ইসলামপন্থী এবং জিহাদিদের পক্ষে প্রচারকারী হিসেবেও কাজ করেছেন। তিনি এখন সক্রিয়ভাবে শেখ হাসিনা সরকারের বিরোধী গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং জামায়াত-ই-ইসলামী (জেআই) উভয়ের কাছ থেকেই নিয়মিতভাবে টাকা পান তিনি। এই ব্যক্তি বাংলাদেশের কূটনৈতিক এবং মিডিয়ায় বেশ পরিচিত। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনকে দুর্বল করার জন্য সক্রিয় প্রচেষ্টা নিয়েছিলেন এবং তার জন্য তিনি হীনচেতনার কূটনীতিক হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন। নেতিবাচক তথ্য প্রচারের চলমান প্রচারণার পাশাপাশি, এই ব্যক্তি সম্প্রতি তার ব্যক্তিগত ওয়েবসাইটে ‘সাউথ এশিয়া পারসপেক্টিভস’ নামে বাংলাদেশ সম্পর্কে অবমাননাকর বিষয়বস্তু প্রকাশ করেছেন। ‘সাউথ এশিয়া পারসপেক্টিভস’ ওয়েবসাইটের ‘আমাদের সম্পর্কে’ পৃষ্ঠাটি স্বচ্ছ ধারণা দেয় যে বিএনপি-জামায়াত জোটের সঙ্গে যুক্ত একই গ্রুপভুক্ত এরা। উইলিয়াম বি মাইলাম, জন ড্যানিলোভিজ এবং মুশফিকুল ফজল আনসারী — এই প্ল্যাটফর্ম পরিচালনার জন্য দায়ী।

এদের দ্বারা শেখ হাসিনা সরকার সম্পর্কে ভুল তথ্য ও মিথ্যাচার প্রচারের দৃষ্টান্ত রয়েছে অসংখ্য। যেমন, আমেরিকার South Asia Perspectives ওয়েবসাইটে গত ২৮ মে (২০২৩) প্রকাশিত মিথ্যাচারে পূর্ণ জন ড্যানিলোভিজ-এর U.S. Visa Policy: What Next? শিরোনামে লেখাটি মনোযোগ সহকারে পড়লে দেখা যাবে এক সময়ে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের এই সাবেক কর্মকর্তা কী কৌশলে আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে মনগড়া তথ্য দিয়ে বিরোধী শিবিরের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন।তিনি যেভাবে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিগুলো তুলে ধরেছেন এবং বিএনপি-জামায়াতের অপতৎপরতাকে এড়িয়ে গেছেন- তা সৎ লেখকের কাজ নয়। তিনি তো লবিস্ট কর্তৃক নিযুক্ত লেখক। যার নুন খান তার গুণগান করেন। এ ধারার জন ড্যানিলোভিজ মার্কা লেখক ও বক্তারা পৃথিবীর অনেক জায়গায় বসে শেখ হাসিনা সরকারের উন্নয়ন ও অগ্রগতির চিত্রের কথা ব্যক্ত করার পরিবর্তে মিথ্যাভাষণে সরকার বিরোধী অপপ্রচারে লিপ্ত। এদের বিষয়ে বাংলাদেশের মানুষকে সচেতন থাকতে হবে।

অন্যদিকে মুশফিকুল আনসারী উইলিয়াম বি মাইলামের সঙ্গে ‘জাস্ট নিউজ’ নামে একটি অননুমোদিত ওয়েবসাইটের ‘স্থায়ী সংবাদদাতা’ হিসেবে জড়িত । উপরন্তু তিনি ডেমোক্রেটিক পার্টির একজন উচ্ছিষ্ঠভোগী এবং উইলিয়ামের সঙ্গে অংশীদারিত্বে ‘রাইট টু ফ্রিডম’ পরিচালনা করেন। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য বানোয়াট তথ্য ছড়িয়ে বাংলাদেশ সম্পর্কে বিশ্বনেতাদের সিদ্ধান্ত হেরফের করার অক্লান্ত চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন এই দুজন।উল্লেখ্য, তারেক রহমানের কুখ্যাত হাওয়া ভবনের প্রেক্ষাপটে আনসারী একজন বিশিষ্ট ব্যক্তি হিসেবে আবির্ভূত হন। খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন সহকারী প্রেস সচিবের দায়িত্বও তিনি গ্রহণ করেন। জাতিসংঘের আঙিনায় বসে শেখ হাসিনার বিরোধিতা করা এখন তার একমাত্র কাজ।

অথচ বাংলাদেশের সরকার ধারাবাহিকভাবে একটি ‘অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ’ নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে। পরবর্তী জাতীয় নির্বাচন ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।এজন্য বিএনপিকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। বাংলাদেশ দীর্ঘায়িত চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করছে, বিশেষ করে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষেত্রে।তবে শেখ হাসিনা বর্তমানে রাজনৈতিক সমস্যা, ভূ-রাজনীতি এবং অর্থনৈতিক বিষয়গুলিকে অন্তর্ভুক্ত করে তাৎক্ষণিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে চলেছেন। ক্ষমতাসীন দলের কাছে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করার গুরুত্বের উপর জোর দেওয়া হচ্ছে ঠিকই কিন্তু মূল প্রশ্নটি বিরোধীরা নির্বাচন বয়কট করার সিদ্ধান্ত নেবে কিনা তা ঘিরে।নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে আন্দোলন করছে বিএনপি। কিন্তু আন্দোলন শুরুতে মুখ থুবড়ে পড়েছে। আন্দোলনের কর্মসূচি জমিয়ে তুলতে পারেনি দীর্ঘ ১৬ বছর ক্ষমতার বাইরে থাকা দলটি। এজন্যই তারা লবিস্ট নির্ভর দলে পরিণত হয়েছে।

একথা সর্বজনবিদিত যে, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়ে একদিনে ৪৯৫ টি বোমাবাজি হয় দেশের ৬৪ জেলার ৬৩ টিতে এবং একই সময়ে। বোমাবাজির ফলে এজলাশে বিচারকের মৃত্যু ঘটে। ‘বাংলা ভাই’, ‘জাগ্রত মুসলিম জনতা বাংলাদেশ’ (জেএমজেবি), ‘জামাতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ’ (জেএমবি) এগুলোর কথা কেউ ভোলেনি। ব্রিটিশ হাইকমিশনার একটি মাজার সফরে গেলে সেখানেও বোমাবাজি হয়; হিন্দুদের অনেক বাড়িঘর ও নারীরা উগ্রবাদীদের আক্রমণের শিকার হয়। ২০০৪ সালের ২১ শে আগস্টের গ্রেনেড হামলার ঘটনা এখনো জীবন্ত। সন্ত্রাস আর দুর্নীতির বিরুদ্ধে শেখ হাসিনার সমাবেশে গ্রেনেড হামলার ফলে ২৪ জন মারা যান এবং প্রায় ৩৭০ জন আহত হন। কিন্তু প্রাণে বেঁচে যাওয়া শেখ হাসিনা এখনো আছেন বলে দেশে শান্তি ফিরে এসেছে, বোমাবাজি, সন্ত্রাস বন্ধ হয়েছে, ‘বাংলা ভাই’-দের অত্যাচার এখন নেই। এখন সন্ত্রাসীরা বা ধর্মীয় উগ্রবাদীরা বাংলাদেশের কোনো ক্ষতি করতে পারবে না শেখ হাসিনার দৃঢ় অবস্থানের কারণে। কিছু কিছু ছোট ঘটনা রয়েছে, যেমন সীমান্তে হত্যা, গরু ব্যবসায়ীকে হত্যা এগুলো যদি বন্ধ করা যায়, তাহলে স্থিতিশীলতা জোরদার হবে। সকলেই স্থিতিশীলতা চায়, বাংলাদেশও স্থিতিশীলতা কামনা করে।

সুতরাং মুখ্য উদ্দেশ্য হলো এ অঞ্চলের স্থিতিশীলতা যেন বজায় থাকে, তা নিশ্চিত করা। আর স্থিতিশীলতার প্রতীক হচ্ছেন শেখ হাসিনা। তিনি সকলের আদর্শ, তিনি স্থিতিশীলতার শক্তি। বাংলাদেশের মানুষ তাঁকে টিকিয়ে রেখেছে মানুষ ভালোবেসে তাঁকে টিকিয়ে রাখবে ভবিষ্যতেও। কারণ বাংলাদেশের জন্য, এ অঞ্চলের স্থিতিশীলতার জন্য, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় শেখ হাসিনার বিকল্প নেই। অন্যদিকে জঙ্গিবাদী দল হিসেবে বিএনপি আজ প্রত্যাখ্যাত। তাদের লবিস্ট অপতৎপরতা রাজনৈতিক দেউলিয়াত্বের প্রতীক।

লেখক : ড. মিল্টন বিশ্বাস, বঙ্গবন্ধু গবেষক এবং বিশিষ্ট লেখক, কবি, কলামিস্ট, সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রগতিশীল কলামিস্ট ফোরাম, নির্বাহী কমিটির সদস্য, সম্প্রীতি বাংলাদেশ এবং অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান, বাংলা বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, email-drmiltonbiswas1971@gmail.com

আপনার মতামত লিখুন :

2 responses to “বিএনপি’র লবিস্ট অপতৎপরতা : ড. মিল্টন বিশ্বাস”

  1. রেজাউল করিম মুকুল says:

    ধর্মের কল বাতাসেই নড়ে। অনির্বাচিত কয়েকজনের হাতে রাষ্ট্রের ক্ষমতা দিয়ে তত্তাবধায়ক সরকার আইন পাস না করলে নির্বাচণ করবো না, করতেও দিবো না। বিএনপির মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন তারেক রহমান সাহেব, আদালত বলে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক কয়েদি। জিয়াউর রহমান চেয়েছিলো তিনি প্রেসিডেন্ট হবেন, হয়েও যান, জিয়াউর রহমানের ছেলে লন্ডন থেকে বলছে আমি বাংলাদেশের রাষ্ট্রনায়ক হবো, ভোট ছাড়াই।

  2. রেজাউল করিম মুকুল says:

    বিএনপি বলছে তত্তাবধায়ক সরকার আইন পাস না করলে নির্বাচণ করবো না, করতেও দিবো না। বিএনপির মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রনায়ক তারেক রহমান সাহেব, জিয়াউর রহমান সাহেবের ছেলে জনগণ তাঁকে খুবই চায়। আদালত বলে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক কয়েদি, তাঁর কোন দেশ নাই, সে বৃটেনে বাংলাদেশের পাসপোর্ট সারেন্ডার করে আশ্রিত মাত্র, রিফুজিও নয়। সেনা অভূত্থান করে জিয়াউর রহমান চেয়েছিলো তিনি প্রেসিডেন্ট হবেন, হয়েও যান, জিয়াউর রহমানের ছেলে তারেক রহমান তাঁরতো কোন বাহিনী নাই, লন্ডন থেকে লবিস্ট নিযোগ করে সরকারের পতন ঘটাতে চাইছে সে। সম্প্রতি বিএনপির নিয়োগকরা লবিস্ট উইলিয়াম বি মাইলাম এবং জন ড্যানিলোভিজ, মার্কিন আইনে ধরা পড়েছে, বিচারে জেলও হোতে পারে এই লবিস্টদের। শেষ পর্যন্ত তারেক রহমান পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া বিএনপি দলটিরও লেজে গোবরে অবস্থা করে ফেলেছে। তবুও বিএনপির নিরিহ নেতা কর্মিরা ক্ষমতার স্বাদ পেতে চায়, তাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে, কর্মিরা বলছে আওয়ামী লীগতো ১৫ বছর থাকলো, অনেকতো হলো, আর কত, এবার আমাদের পালা।

এ জাতীয় আরো সংবাদ

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বিশেষ সংখ্যা ২০২৬ সংগ্রহ করতে ক্লিক করুন


Currently Maintained by the2.dev