১৮৭৪ সালে দুটো বইয়ের দোকান দিয়ে শুরু হয়েছিল কলেজস্ট্রীটের বই পাড়া, ১৮৯৯-এ দোকানের সংখ্যা দাঁড়ায় ৩৬, আর এখন দেড় কিলোমিটার লম্বা, দু’সারিতে কয়েক হাজার বইয়ের দোকান। কলেজ স্ট্রিটে প্রথম বইয়ের দোকানের মালিক গুরুদাস চট্টোপাধ্যায়। তিনি প্রথমে হিন্দু হস্টেলের সিঁড়ির কোনে দুর্গাদাস করের ‘মেটেরিয়া মেডিকা’ বিক্রি করতেন। এরপর তিনি কলেজ স্ট্রিটে ‘বেঙ্গল মেডিক্যাল লাইব্রেরি’ নামে দোকান খুলে ডাক্তারি বই বেচাকেনা শুরু করেন। ১৮৮৫ সালে এই দোকান তিনি নিয়ে আসেন কর্নওয়ালিস স্ট্রিটে। এখান থেকেই শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অধিকাংশ উপন্যাস এবং গল্পের বই ছাপা হয়েছিল। ১৮৮৩ সালে রামতনু লাহিড়ির পুত্র শরৎকুমার লাহিড়ী ‘এস কে লাহিড়ী অ্যান্ড কোম্পানি’ নামে কলেজ স্ট্রিটে একটি বইয়ের দোকান করেন। ১৮৮৬ সালে এই কলেজ স্ট্রিটে আরও একটি বইয়ের দোকানের সন্ধান পাই সেটি হলো ‘দাশগুপ্ত অ্যান্ড কোম্পানি’। ১৮৪৭ সালে সংস্কৃত ছাপাখানা স্থাপনের পর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর একটি বইয়ের দোকান খুলেছিলেন, দোকানের নাম ‘সংস্কৃত প্রেস ডিপজিটরি’ তার ছাপাখানা ছিল আমহার্স্ট স্ট্রিটে আর বইয়ের দোকানটি ছিল আরপুলি লেনে। ১৮৮১ সালে কলুটোলায় প্রতিষ্ঠিত হয় ‘বঙ্গবাসী কার্যালয়’। ১৮৯১ সালে কলুটোলা থেকে হিতবাদী প্রকাশিত হলে তারাও বত্রিশ সিংহাসন, ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়ের ‘কঙ্কাবতী’ প্রকাশ করেন, হিতবাদীই প্রথম রবীন্দ্র গ্রন্থাবলী ছাপিয়ে বিনা পয়সায় গ্রাহকদের মধ্যে বিতরণ করেছিল। পরবর্তীকালে বসুমতী এবং প্রবাসীও এক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে।
১৮১৭ তে হিন্দু কলেজ হয়েছিল শোভাবাজারে। গল্পে আছে এই শোভাবাজারের প্রকাণ্ড এক বটগাছের তলায় প্রথম ছাপাখানা হয়েছিল পরের বছর। কিন্তু এই হিন্দু কলেজ একসময় শোভাবাজার থেকে সরে আসে পটলডাঙায়। সংস্কৃত, মেডিকেল কলেজ, হেয়ার স্কুল, কলকাতা বিশ্ববিদ্যলয়, প্রেসিডেন্সি কলেজ স্থাপিত হলে কলেজ স্ট্রিট—বইপাড়ার রূপ নেয়। বইপাড়ার কথা আলোচনা করতে হলে ‘বটতলা’র কথা বলতেই হবে। বইপাড়ার উৎস পর্বের প্রকাশনা ও তার বাজার ছিল বটতলায়। কলেজ স্ট্রিটে নয়, বটতলা কোথায় ছিল, কোথায় ছিল বটগাছ? — এই প্রসঙ্গে ড. সুকুমার সেন জানিয়েছেন — ‘‘সেকালে অর্থাৎ আজ থেকে দেড়শো বছর বেশিকাল আগে শোভাবাজার বালাখানা অঞ্চলে একটা বড় বনষ্পতি ছিল, সেই বটগাছের শানবাঁধানো তলায় তখনকার পুরবাসীদের অনেক কাজ চলত। বসে বিশ্রাম নেওয়া হতো, আড্ডা দেওয়া হতো। গান বাজনা হতো, বইয়ের পসরাও বসত। অনুমান হয় এই বই ছিল বিশ্বনাথ দেবের ছাপা। ইনিই বটতলা অঞ্চলে এবং সেকালের উত্তর কলকাতায় প্রথম ছাপাখানা খুলেছিলেন (বটতলার বই : দুই শতকের বাংলা মুদ্রণ ও প্রকাশন পৃ-২৬৯), ড. সুকুমার সেনের এই অভিমত খুব একটা সর্বজনগ্রাহ্য নয়।

পঞ্চানন কর্মকার ও ছাপা মেশিন
একদলের মতে বিডন স্ট্রিট চিৎপুর সংযোগস্থল থেকে শোভাবাজর মোড় পর্যন্ত ছিল বটতলা, মূল বটগাছটি ছিল হাটখোলার মোড়ে। অন্যপক্ষের ধারণা, মসজিদবাড়ি স্ট্রিট থেকে হাটখোলা পর্যন্ত ছিল বটতলা, মূল বটগাছটি ছিল মসজিদবাড়ি স্ট্রিটের মুখে। আবার তৃতীয় একদল মনে করেন বিডন স্ট্রিট শোভাবাজারের মাঝামাঝি চিৎপুর অঞ্চলে এখন যেখানে মুন প্রেস, ঠিক তার উলটোদিকে কর্পোরেশনের একটি বটগাছ ঘেরা বাগান আছে, এটিই নাকি আদি বটতলা। এরই চারপাশে ছিল বইয়ের দোকান, তবে আদি বটগাছটি আর নেই। বটতলা অঞ্চলে যে সব পুরানো পুস্তক বিপণির সন্ধান পাওয়া যায় সেগুলি হলো — ‘ডায়মন্ড লাইব্রেরি’, ‘পাল ব্রাদার্স’, ‘হাতিউদ্দিন আহম্মদ’, ‘ওসমানিয়া লাইব্রেরি’, ‘তারা লাইব্রেরি’, ‘ভিক্টোরিয়া লাইব্রেরি’, ‘ওরিয়েন্ট লাইব্রেরি’, ‘সুলভ লাইব্রেরি’, ‘পূর্ণচন্দ্র শীল’ ইত্যাদি। ১৮১৮ সাল থেকে ১৮২০ সালের মধ্যে বটতলায় স্থাপিত হয়েছে মুদ্রণ যন্ত্র। উনিশ শতকের বটতলায় দেখা যায় যেমন মুদ্রণ যন্ত্রের প্রাচুর্য, তেমনি পুস্তক প্রকাশনের আধিক্য, বাঙালি প্রবর্তিত সংবাদপত্র ‘বাঙ্গাল গেজেটি’ও প্রকাশিত হয়েছিল বটতলা থেকেই।
ইংরেজরা তাদের শাসনের কাজের জন্য কলকাতায় ছাপাখানা এনেছিল। এই প্রসঙ্গে দুটি নাম নিশ্চিত ভাবেই সমান শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণীয় তাঁরা হলেন ত্রিবেণীর পঞ্চানন কর্মকার এবং শ্রীরামপুরের বহরা গ্রামের এক বাঙালি ব্রাহ্মণ গঙ্গাকিশোর ভট্টাচার্য। পঞ্চানন কর্মকার প্রথম বাংলা হরফ তৈরি করেন ১৭৮৪ সনে। আর গঙ্গাকিশোর ভট্টাচার্য প্রথম বাংলা বই ছাপা শুরু করেন। গঙ্গাকিশোর শ্রীরামপুরের ব্যাপ্টিস্ট মিশনের ছাপাখানায় কম্পোজিটর ছিলেন, তারপর কলকাতায়। গঙ্গাকিশোরই কলকাতায় প্রথম বাংলা বই ছাপা শুরু করেন। ১৮১৬ তে প্রকাশিত ভরতচন্দ্রের ‘অন্নদামঙ্গল’ ছিল কলকাতায় ছাপা প্রথম সচিত্র বাংলা বই। বইটির কাটতি বাড়ানোর জন্য গঙ্গা কিশোর একটি দোকান খোলেন। সুতরাং গঙ্গাকিশোর ভট্টাচার্যই নগর কলকাতায় প্রথম বইয়ের দোকান খোলার পথ দেখিয়েছিলেন।
কলকাতায় আনুমানিক ১৮০৬/৭ সালে ছাপাখানা স্থাপিত হলেও প্রধানত দেবনাগরী অক্ষরে হিন্দি ও সংস্কৃত বই সেখান থেকে ছাপা হত। কলকাতায় সুপ্রিম কোর্ট স্থাপনের পর ১৮৭৬ সালে বড়লাট হেস্টিংস হ্যালহেডকে দিয়ে প্রথমেই ‘জেণ্টু কোডস’ নামে হিন্দু আইনের একটি বই লিখিয়েছিলেন। প্রশাসন চালাতে হলে স্থানীয় ভাষা ভালো করে জানা দরকার। এই প্রয়োজনের কথা মনে রেখেই হেস্টিংস হ্যালহেডকে বাংলা ভাষার ব্যাকরণ লেখার অনুরোধ করেছিলেন। বাংলা ব্যাকরণ রচিত হওয়ার পর যখন দেখা গেল সে ব্যাকরণ ছাপানোর মত কোনও প্রেস তো দূরের কথা, বাংলা ছাপার কোনও হরফই নেই, তখন হেস্টিংস অন্য একজন কর্মচারী চার্লস উইলকিন্সকে দিয়ে বাংলা হরফ তৈরি করান। বাংলা হরফ তৈরি করার ব্যাপারে চার্লস অবশ্য অসাধারণ সাহায্য পেয়েছিলেন পঞ্চানন কর্মকারের। সেই হরফ দিয়ে ১৮৭৮ সালে হুগলির একটি ছোট ছাপাখানায় মুদ্রিত হয় বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণ। কলকাতা থেকে প্রথম ছাপা বাংলা বই ভারতচন্দ্রের ‘অন্নদামঙ্গল’—১৮১৬ সালে প্রকাশিত হয়। গঙ্গাকিশোরের ছাপা এই অন্নদামঙ্গলই প্রথম সচিত্র ছাপা বাংলা বই। কয়েকখানি ধাতুখোদাই ও কাঠখোদাই চিত্র ছিল বইটির মধ্যে। বইয়ের সংখ্যা ও কাটতি বাড়াতে গঙ্গাকিশোর একটি বইয়ের দোকান খোলেন এবং প্রতিনিধি পাঠিয়ে বই বিক্রির ব্যবস্থা করেন।
তারপর ১৮১৮ সালে গঙ্গাকিশোর নিজেই একটি ছাপাখানা করেন বাঙ্গাল গেজেটি প্রেস নামে এবং সেখান থেকে ‘বাঙাল গেজেটি’ নামে বাংলা সাময়িকপত্র প্রকাশ করেন। এই বাঙ্গাল গেজেটিকেই বাঙালি প্রবর্তিত প্রথম বাংলা সংবাদপত্র বলে ধারণা করা হয়। গঙ্গাকিশোর যেমন প্রথম বাংলা গ্রন্থ ও পত্রিকার প্রকাশক, ঠিক তেমনি পঞ্চনন কর্মকার বাংলা ছাপার হরফের অন্যতম স্রষ্টা বা ছাপাখানার বাংলা হরফ নির্মাতা। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত এঁদের দুজনের কেউই মুশী থেকে মহারাজা হননি, বেনিয়ান বা মচ্ছুদ্দিগিরি করে লক্ষপতি বাবু হননি আবার ইংরেজ সাহেবদের মোসাহেবি করে রাতারাতি হঠাৎ জমিদার বা তালুকদার হননি। সেজন্য দুই ব্যক্তির স্মৃতি উৎসব পালন করা তো দূরের কথা তাঁদের নামও লোকে এখন প্রায় ভুলে গেছে। ঊনিশ শতকের মাঝামাঝিতে কলকাতা শহরে যতগুলো ছাপাখানা স্থাপিত হয় এবং যতগুলি বই ও পত্রপত্রিকা প্রকাশিত হয় তা প্রধানত বাঙালিদের উদ্যোগে।

পঞ্চানন কর্মকার এই যন্ত্রপাতির সাহায্যেই তৈরি করেছিলেন বাংলা অক্ষর
প্রথম দিকে বইয়ের ছাপার খরচ অনেক বেশি থাকার কারণে বইগুলোর দামও অনেক বেশি ছিল। মুকুন্দরামের ‘চণ্ডীমঙ্গল’ কাব্য ১৮২৩ সালে বিশ্বনাথ দেবের প্রেসে যখন ছাপা হয়—তখন তার দাম ছিল ছয় টাকা, পরে ১৮৫৬ সালে যখন কমলালয় প্রেসে ছাপা হয় তখন দাম রাখা হয় মাত্র এক টাকা। কৃত্তিবাসের ‘আদিপর্ব’ ১৮৩১ সালে যখন রামকৃষ্ণ মল্লিকের প্রেসে ছাপা হয় দাম ছিল তিন টাকা, পরে ১৮৫৬ সালে যখন সুধাসিন্ধু প্রেসে ছাপা হয় দাম রাখা হল মাত্র চার আনা। ঊনিশ শতকের বিশের দশকে যে বইয়ের দাম ছয় টাকা ছিল, চল্লিশের দশকে এসে তার মূল্য এক টাকায় পরিণত হয়।
রবীন্দ্রনাথের জন্ম এবং বেড়ে ওঠার সময় থেকে কলকাতার মুদ্রণ শিল্পও ক্রমশ বড় হতে থাকে। শোভাবাজারের বটতলা ‘অচ্ছুত’দের কাছে থেকে যায়, একসময় বইপাড়া হিসেবে কলেজ স্ট্রিট বিকশিত হতে থাকে। এর মূলে ছিল মূলত হিন্দু কলেজ।
দুই
গল্পটা একদিন বিমলদা (বিমল ধর) বলেছিলেন। সে বহু বছর আগের কথা। বিমলদা তখন বই এক্সপোর্ট করেন। আমি গেছিলাম। একটা বই বাংলাদেশে পাঠানোর ব্যাপারে। সালটা মনে হয় ১৯৯১/৯২ হবে। কথা প্রসঙ্গে বইমেলা এসেছিল।
জানিস বইমেলাটা এমনি এমনি গাছ থেকে পরে পপুলার হয় নি। তার জন্য অনেক পরিশ্রম করতে হয়েছে। কখনো যদি কলকাতার বইমেলা নিয়ে লেখা হয় আমার কথা অবশ্যই আসবে। তখন আমরা তরুন সবে মাত্র পেকেছি। কফি হাউসে আমাদের আড্ডা প্রায়ই বসতো। ১৯৭৪ সালের ৫ ই ডিসেম্বর, বৃহস্পতি বার, বিকেল পাঁচটা। আমাদের বন্ধুদের কাছে বেশ স্মরণীয়। আড্ডার মাঝেই বললাম, কলেজস্ট্রীটটা বই পাড়া প্রতিদিনের বই মেলা। আচ্ছা বছরে একবার ঘটা করে যদি বই মেলা করা যায় তাহলে কেমন হয়। মূল উদ্দেশ্য ছিল ঘটা করে যদি বই মেলাটা করা যায়, তাহলে বহু মানুষ আসবেন, আমাদের বইও বিক্রি হবে আর ব্যাবসাটাও বেশ ভাল হবে। টাকা পয়সা হাতে একটু বেশি এলে কাগজের দাম বাইন্ডারদের পয়সা এককালীন একটু বেশি করে মেটান যাবে।
মাস দুয়েক পরে সমস্ত প্রকাশকদের নিয়ে একটা সভা ডাকা হোল ৩ নং সূর্য সেন ষ্ট্রীটের ত্রিপুরা হিতসাধিনী সভা গৃহে। সেখানে বিমল ধর মহাশয় বই-মেলার কথা তুলতেই ছ্যা ছ্যা করে উঠলেন প্রবীণ প্রকাশকেরা ! তাঁদের বক্তব্য, বই কি একটা পণ্য ? মেলায় বই বিক্রি করায় তাঁদের ঘোরতর আপত্তি আছে। এদিকে তরুণ প্রকাশকরাও নাছোড়বান্দা ! তাদের বক্তব্য বই তো প্রকাশ ই হয় বিক্রির জন্যে। আর যে কোন জিনিষের মত বিক্রির জন্যে বই এরও একটা বাজার দরকার। ঠিক আছে, পরীক্ষামূলক ভাবে বছর তিনেক চালিয়েই দেখা যাক না ! না, সেই সভায় কোন সিদ্ধান্তই নেওয়া গেলনা। কিন্তু, প্রবীণ দের রাজী করানোর জন্যে বিমল ধর, অশোক বারিক, সুপ্রকাশ বসু, অরুণ বাগচিরা কথাবার্তা চালাতে লাগলেন এবং আস্তে আস্তে এক এক করে রূপার এন ডি মেহতা, অক্সফোর্ড এর নিল ও-ব্রায়েন, সাহিত্য সংসদের মহেন্দ্রনাথ দত্ত, এম সি সরকারের সুপ্রিয় সরকার, আলায়েড পাবলিশার্স এর জয়ন্ত মাকনতলা, মিনার্ভা অ্যাসোসিয়েটস এর সুশীল মুখার্জী যাঁরা সেইসময়ে প্রকাশক মহলে বেশ নামকরা ছিলেন তাঁরাও দলে এলেন। এইসবেরই পরিণতিতে ১৯৭৫ সালের ১৮ ই সেপ্টেবর পাবলিশার্স এন্ড বুকসেলার্স গিল্ড জন্ম নিল। ১৯৭৬ সালের ৫ ই মার্চ সেন্ট পলস ক্যাথিড্রাল-বিড়লা তারা মণ্ডলের উল্টোদিকের ছোট মাঠে যেটা এখন মোহরকুঞ্জ নামে পরিচিত সেখানেই প্রথম কলকাতা বইমেলার আয়োজন হয়েছিল। মাত্র ৩৪ জন প্রকাশক এবং ৫৬ টা স্টল নিয়ে এই মেলা শুরু হয়। তারপর কলকাতা বইমেলা শুধু বেড়েছে। আজ সেই মেলা মোহরকুঞ্জ, ময়দান, সাইন্স সিটির ধারে মিলনমেলা, এক বছর যুব ভারতী ক্রীড়াঙ্গন হয়ে করুণাময়ীর প্রাঙ্গনে স্থানান্তরিত হয়েছে।
বই প্রসঙ্গে মনে পড়ে যায় ‘হোহৈ লুই বোর্হেস’ এর কথা যিনি স্বর্গকে এক সুবিশাল গ্রন্থরাজ্য হিসাবে কল্পনা করেছিলেন। একটি প্রবন্ধে তিনি লিখেছিলেন — ‘‘এ বুক ইজ নট অ্যান আইসোলেটেড বিয়িং, ইট ইজ এ রিলেশনশিপ অ্যান আক্সিস অব ইনিউমারেবল রিলেশনশিপ্স’ — এই সম্পর্কের তাগিদেই আবালবৃদ্ধবণিতা ছুটে আসেন বইমেলায়। নতুন বই হাতে নিয়ে দেখেন, গন্ধ শোকেন পুলকিত হন। বই কিনতে না পারলেও ক্যাটলগ জোগাড় করে পছন্দ করে রাখেন। বইপাড়া এবং বইমেলার মধ্যে এ এক আশ্চর্য মধুর অনুপম সম্পর্ক।
Osadharon … Jyoti da ..ar kormojoggyo vagyokrom e amar sathe porichito jokhon E-Library khulechhilo, tao noy noy kore 25 bochhor to hoya utchit… Ami apluto..onek kichhu jana ba sekha jay dadar lekha gulo porle… Etao seirokom i r o ekta palok bola jete paare
চমৎকার তথ্য সমৃদ্ধ লেখা। অনেক অজানা বিষয় জানতে পারলাম । অনেক ধন্যবাদ লেখককে ।
খুব সুন্দর লেখা! কিন্তু, তথ্যগুলোর উৎস/সূত্র দিলে, রচনাটা প্রামাণিক হয়!
অনেক অজানা তথ্য জানলাম।
ধন্যবাদ জ্যোতি’দা।