দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান (Dīpaṅkara śrījñāna)
এক সময়ের পূর্ব ভারতের শ্রেষ্ঠ জ্ঞানী, শিক্ষক, পণ্ডিত দীপঙ্কর শ্রী জ্ঞান। যে ক’জন বুদ্ধ ভিক্ষু তিব্বত গিয়েছেন, তার মধ্যে দীপঙ্কর শ্রী জ্ঞান প্রখ্যাততম এবং বৌদ্ধপন্থ সংস্কারে কার্যকার ভূমিকা পালন করেছেন। তাঁর আরেক নাম উপাধ্যায় অতীশ। তিব্বতের রাজা চান ছোবের আমন্ত্রণে তিনি বিক্রমশীলা বিহার ছেড়ে তিব্বতে যান। তিব্বতি বৌদ্ধ ধর্ম প্রভূতরূপে সংস্কার করেন। উপাধ্যায় দীপঙ্কর শ্রী জ্ঞান ঢাকার সাভারের রাজ পরিবারের জন্মগ্রহণ করেন। ৯৮০ তে তাঁর জন্ম। আমরা পূর্বেই বলেছি তিনি পাঠ শুরু করেন পণ্ডিত জেতারির তত্ত্বাবধানে। তাঁর পিতার নাম কল্যাণ শ্রী। মা প্রভাবতী। ছোটবেলায় তাঁর নাম ছিল চন্দ্রগর্ভ। তিনি বাল্য বয়সে শুধু মহাযান বা হীনযানই নয় বৈশেষিক এবং তন্ত্র শাস্ত্রতেও বিশেষ পারঙ্গম ছিলেন।
দীপঙ্কর, গৌতম বুদ্ধের দেখানো পথ ধরে মানুষের পার্থিব দুঃখ কষ্ট লাঘব করার পথ খুঁজতে তিনি বুদ্ধের দেখানো পথেই সন্ন্যাস গ্রহণ করেন এবং কৃষ্ণগিরি মঠে যোগ দেন। সেখানে তাঁর রাহুল গুপ্তর অধীনে পাঠ নেওয়া শুরু। তাঁর নাম রাখা হয় গুহ্য জ্ঞান বজ্র। ১৯ বছর বয়সে তিনি ওদন্তপুরী বিহারের মহাসাঙ্ঘিক আচার্য শীল রক্ষিতের থেকে বৌদ্ধ শাস্ত্র অনুসরণ করে ভিক্ষু হন। শীল রক্ষিত তাঁকে ভবিষ্যতে প্রখ্যাত হওয়া নামটি দেন — অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান। এই নামে তাঁর খ্যাতি সারা দেশ, তিব্বতে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। ত্রিশ বছর বয়সে তাঁকে আচার্য ধর্ম রক্ষিত ভিক্ষুত্বের সর্বোচ্চ পদটি অর্পণ করেন।

পাঠ সাঙ্গ করে তিনি সুবর্ণদ্বীপে যাত্রা করেন। এটি সে সময় দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার বৌদ্ধ ধর্ম প্রচার কেন্দ্র ছিল। শরৎচন্দ্র দাস বলছেন এটা পেগুর সুধর্মনগর। আজকের থাটন। সুবর্ণদ্বীপের প্রধানাচার্য আচার্য চন্দ্রকীর্তির থেকে বৌদ্ধ ধর্মের নানান গুহ্য তত্ত্ব শিক্ষা গ্রহণ করেন। সেখানে ১২ বছর থেকে তিনি সিংহল ঘুরে পূর্বাঞ্চলে আসেন। তাঁর সময়ের বৌদ্ধ পণ্ডিত শান্তি, নারোপন্ত, কুশল এবং অন্যন্যদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন। বৌদ্ধ ধর্মে গভীর জ্ঞানের জন্য তাঁর খ্যাতি ছড়িয়ে পড়তে থাকে এশিয়া জুড়ে। বৌদ্ধ গয়া অর্থাৎ বজ্রাসনে বহু তান্ত্রিককে তর্কে পরাস্ত করেন। গাণ্ডা এবং মগধের মঠগুলির পরিচালক প্রধান হিসেবে তাঁকে নিযুক্ত করা হয়। তখন বড় বাংলায় ন্যায় পাল (১০৩০ থেকে) রাজত্ব করছিলেন। রাজা বৌদ্ধ ভিক্ষুর ব্যক্তিত্ব এবং স্বভাবে মুগ্ধ হয়ে তাঁকে বিক্রমশীলার প্রধান পুরোহিত পদে বৃত করেন।
এই সময়ে তিব্বতি রাজা চান চুব দীপঙ্করের মত মহান পণ্ডিতকে তিব্বতি বৌদ্ধ ধর্মকে সংস্কার করার জন্য আহ্বান করেন। রাজার মনে হয়েছিল তখন তিব্বতে বৌদ্ধ ধর্মে খুব ডামাডোলের অবস্থা চলছিল। তিনি মন্ত্রীদের বলেন, লাসা এবং সাময়িতে মহান ধর্মীয় সঙ্গীতি আয়োজনের ব্যবস্থা করুণ আর ভারত থেকে শ্রুতকীর্তি পণ্ডিতদের নিয়ে আসার ব্যবস্থা করুণ। অভিজাত Nag-tcho পরিবারের Tshul Khrim-gyala কে দূত রূপে বেছে নেওয়া হয়। তিনি নিজে লোচাভা অর্থাৎ দোভাষী এবং বহু সংস্কৃত ভাষায় লেখা বৌদ্ধ পুস্তক তিব্বতি ভাষাতে অনুবাদ করেছেন। তিব্বতি সূত্র থেকে তাঁর দৌত্যের বর্ণনা বিশদে দিয়েছেন শরৎচন্দ্র দাস — কী করে বিপুল বাধার পথ ঠেলে ভারত অভিযাত্রী ভারতে এলেন, সেটা যেন একটা ধ্রুপদী অভিযান কাহিনী। বিক্রমশীলায় বিশালকায় মহান বৌদ্ধ ধার্মিক প্রথা দেখে তিনি মুগ্ধ হলেন। দূত দীপঙ্করকে তিব্বতে যাওয়ার আহ্বান জানালে প্রৌঢ় পণ্ডিত বললেন, আমি বৃদ্ধ হচ্ছি, বহু মঠ আমার পরিচালনাধীনে রয়েছে, বহু কাজ ধরা হয়েছে শেষ হয় নি, যতক্ষণনা আমার হাতের কাজ শেষ হচ্ছে, ততক্ষণ আমি তিব্বতের উদ্দেশ্যে রওনা হতে পারি না।
পরে দেবী তারা তাঁকে দৈববাণী দেন যে তিনি তিব্বতে গেলে মহৎ কাজ সম্পন্ন হবে কিন্তু তাতে তাঁর জীবন ২০ বছর কমে যাবে। ২০ বছর নষ্ট করে তিনি তিব্বতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী বিক্রমশীলা বিহারের রত্নকীর্তি, বিরোচন রক্ষিত, নেপালের কণক-শ্রী তাকে এই সিদ্ধান্ত নিতে নিরুৎসাহ করলেও তিনি দেবী তারার নির্দেশ মান্য করে তিব্বতে অভিবাসনের সিদ্ধান্তে অনড় থাকলেন। তাঁর সঙ্গে বহু দূর অন্যন্যদের মধ্যে যাওয়া পণ্ডিতদের মধ্যে ছিলেন পণ্ডিত ভূমি গর্ভ, নাগছো, Gya-tson, ভূমি সংঘ, বীর্য চন্দ্র মিত্র প্রভৃতি। বিহার পর্যন্ত তাঁরা তার সঙ্গে যান। শ্রুতকীর্তি দীপঙ্কর শ্রী জ্ঞান যখন তিব্বতে পৌঁছলে রাজার মন্ত্রীসভার সদস্যরা সক্কলে মিলে রাস্তার দুপাশে দাঁড়িয়ে গান করতে করতে তাঁকে আহ্বান জানালেন — ঠিক যেভাবে তিনশ বছর আগে মহাপণ্ডিত শান্ত রক্ষিতকে তিব্বতি অভিজাতরা বৌদ্ধ ধর্ম প্রচারে আহ্বান জানিয়ে অভ্যর্থনা জানিয়ে ছিলেন। তিনশ ঘোড়ার সেনা বাহিনী তাকে রাজার সামনে নিয়ে গেল এবং তাঁকে উষ্ণ অভিবাদন জানিয়ে তাঁর উপাধি দেওয়া হল জোভো জে। রাজা প্রজাদের নির্দেশ দিলেন মহান এই পণ্ডিতের থেকে বৌদ্ধ ধর্মের মৌলতত্ত্বগুলো শিখে তিব্বতজুড়ে ছড়িয়ে দিতে। দীপঙ্কর শ্রী জ্ঞান তাঁর কাজ আরম্ভ করলেন। দীপঙ্করের বুদ্ধিমত্তায় অধঃপাতে যাওয়া তিব্বতি বৌদ্ধ ধর্মের বিধিবদ্ধ সংস্কার শুরু হল। যদিও প্রকারান্তরে তাঁকে লামা(গুরু)বাদএর জনক বলা যেতে পারে এবং তিনি তিব্বতি বৌদ্ধ ভিক্ষুদের প্রধানও ছিলেন বটে, কিন্তু তিনি এই উপাধি গ্রহণ করেন নি। ১০৪০-১০৫৩ তের বছর ধরে বুদ্ধ ধর্মের মৌলতত্ত্বগুলি তিব্বতে প্রোথিত করার পরে, লাসার কাছে নেথানে ৭৩ বছর বয়সে দীপঙ্কর শ্রী জ্ঞান শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। প্রয়াণের পর তাঁর প্রধান শিষ্য Brom-ton তিব্বতি নব বৌদ্ধ ধর্মের প্রবর্তক রূপে গণ্য হন আজও।
তিব্বতি সংস্কৃতির ওপর দীপঙ্কর শ্রী জ্ঞানের প্রভাব অসাধারণ ছিল। তিনি বৌদ্ধ ধর্মকে সে দেশে নতুন জীবনদান করেছেন। তাঁর নিজের হাতে অনুবাদ করা হাজারো পুস্তকের মধ্যে দিয়ে তিব্বতে বৌদ্ধ ধর্ম তাঁর নবতম শেকড় চারিয়ে দিল।

তিনি নিজে অসাধারণ তিব্বতি জ্ঞানীও ছিলেন — নিজে শুধু বইই লেখেন নি, প্রচুর অনুবাদও করিয়েছেন। তারমধ্যে ৮৩টা বইএর নাম আমরা পাচ্ছি – শ্রী-চক্র-সম্ভার-সাধনা, শ্রী-ভগবদবিষ্ময়-নাম, এক-বীর-সাধনা-নাম, বজ্রাসন-বজ্র-গীতি, বজ্রাসন-বজ্র-গীতি-বৃত্তি, চর্যা-গীত, চর্যা-গীতি-বৃত্তি, বজ্র-যোগিনী-স্তোস্ত্র, রত্নালঙ্কার-সিদ্ধি, বজ্র-যোগিনী-স্তোস্ত্র (আবারও দেওয়া আছে), শ্রী-বজ্র-যোগিনী-সাধন-নাম, বজ্র-বরাহী-সাধনা, বালি-বিধি, শ্রী-হেবজ্র-সাধনা-রত্নলোক-নাম, ত্রি-রত্ন-তারা-স্ত্রোত্র, শ্রী-মহাকালী-বালী-নাম, বোধ-চিত্ত-মহা-সুখম্ন্যা, শ্রী-গুহ্য-সমাজ-লোকেশ্বর-সাধনা-নাম, আর্যভলোকিতা-লোকেশ্বর-সাধনা, শ্রীগুহ্য-সমাজ-স্তোত্র, বিরোচন-যমপ্যুরপায়িকা-নাম, কৃষ্ণ-যমারি-সাধনা-নাম, বজ্র-ডাক-যোগিনী-সাধনা-নাম, রত্ন-সম্ভব-যমারি-সাধনা-নাম, বজ্র-তিক্ষণ-যমারি-সাধনা-নাম, বজ্র-চর্চিকা-সাধন-নাম, বজ্র-গীতি-সুখদ-সাধন-নাম, কর্ম-বজ্র-গিরি-সাঘন-নাম, মুদগর-ক্রোধ-যমরি-নাম-সাধনা, চণ্ড-খাদ্গ-যমরি-সাধন-নাম, প্রজ্ঞা-সুখ-পদ্ম-যমরি-সাধন-নাম, সংসার-মানো-নির্ণয়িকার-নাম-সঙ্গীতি, ধর্ম-ধাতু-চর্শন-গীতি, কায়া-বাক-চিত্ত-সুপ্রতিষ্ঠ-নাম, ভগবৎ-ক্ষোভ্য-সাধন, অক্ষোভয়-সাধন-নাম, সর্ব-কর্মভরণ-বিশোধন-নাম-মণ্ডল-বিধি, হোম-বিধি, সিদ্ধে-কবীর-মঞ্জু-ঘোষ-সাধনা, শ্রী-বজ্র-পাণি-স্তোত্র, মিত্র-সত্ত্ব-পাপ-নির্ম্মোচকশ্বর-সংস্কার-বিধি-বিষ-স্ফুটি-প্রকাশ-দর্পন-নাম, নাগ-প্রণগ্নি-শ্রী-চক্র-নাম নাগ-বিধ-rakahrcchula-ব্যুহ, আর্য-হয়-গ্রীব-সাধনা-নাম, শ্রী-হয়গ্রীব-সাধনা, আর্য-cala-ক্রোধ-রাজা-স্তোত্র, সর্ব-তথাগত-সময়-রক্ষ-সাধনা, বিমলোষনীশ (vimalosnesa)-ধরণী-বিধি, ভাইসাজ্য-গুরুপায়িকা-সর্ব-কর্মবর্ণন-বিশোধন, অসতো-ভয়-তন্ত্র, আর্য-তারা-স্তোত্র, আর্য-তারা-সাধনা, সর্ব-সময়-সংরহ-নাম, আর্য-গণপতি-রাগ-বজ্র-সময়-স্তোত্র-নাম, জল-বালি-বিমলা-গ্রন্থ, নাগ-বালি-বিধি, আর্য-সন্ধ্যাক্ষরী-সাধনা, ক্ষসপর্ণভলোকিত-সাধনা, মহা-যক্ষ-সেনাপতি-নীলাম্বরিধর-বজ্র-পাণি-সাধন-নাম, মন্ত্রার্থবত্র, সময়-গুপ্তি, সাধনা-দান, হোম-বিধি, দেব-পুজা-কর্ম, মৃত্যু-বঞ্চনা, আয়ু-সাধনা, মুমূর্ষু-শাস্ত্র, সপ্ত-পর্ব-বিধি, চিত্ত-বিধি, সত্য-দয়াবতার, এক-স্মার্তপুদেশ, মধ্যমাকোপদেশ-নাম, রত্ন-করণদোদ্ঘত-নাম-মধ্যমকোপদেশ, মধ্যমকোপদেশ-নাম, গর্ভ-সংগ্রহ-নাম, বোধি-সত্ত্ব-মান্যবলী, বোধি-সত্ত্ব-চর্যা-সূত্র-কর্তবাদ।
এছারাও তিনি ২২টি পুস্তক অনুবাদ করেছিলেন — সত্যারাধনা-স্তব, অভি-সময়-বিভঙ্গ-নাম, শ্রী-চক্র-শঙ্কর-নাম, শ্রী-ভগবদাভী-সময়-নাম, বজ্রাসন-বজ্র-গীতি-বৃত্তি, কুলিকমাতা-তত্ত্ব-নির্নয়-নাম, বজ্র-যোগিনী-স্তোত্র, ত্রি-রত্ন-তারা-স্তোত্র, শ্রী-গুহ্য-সমাজ-লোকেশ্বর-সাধন-নাম, ক্রিষ্ণ-যমরি-সাধন, মৃত্যু-বঞ্চনপোদেশ, শ্রী-গুহ্য-সমাজ-ত্রোত্র, কায়া-বাক-চিত্তস্ফূরতিস্থ-নাম, আর্যস্ত-ভয়-ত্রাতা-নাম-তারা-সাধন, তারা-ভট্টরিক-সাধনা, সর্ব-সময়-সঙ্ঘশ-নাম, চতুর্মহারাজ-বলি-নাম, আম্রত্মদয়-নাম-বালিবিধি, জল-বালি-বিমলা-চক্রদয়োত্ব, চক্র-নাম।
তিনি তিব্বতে দ্বিতীয় বুদ্ধরূপে আজও পরিচিত।
বীর্যসিংহ (Bīryasinha)
পণ্ডিত বীর্যসিংহ দীপঙ্কর বা শ্রী অতীশের সমসাময়িক বৌদ্ধ সংস্কারক। তিনি এই বিখ্যাত পণ্ডিতকে সংসার-মনোনিরায়নিকর-নাম-সঙ্গীতি অনুবাদ করতে সাহায্য করেন। এই তিব্বতি অনুবাদটি করা হয় বিক্রমশীলা বিহারেই। বিক্রমশীলাতেই প্রখ্যাত আচার্য দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান, বীর্যসিংহের তিব্বতি ভাষা জ্ঞান অনুসরণ করে কায়া-বাকচিত্তসুপ্রতিষ্ঠ-নাম নামক গ্রন্থ অনুবাদ করতে সাহায্য করেন। এই কাজটাও বিক্রমশীলাতেই সম্পূর্ন করা হয়।
আমাদের মনে হয় বীর্যসিংহ বিক্রমশীলা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। তার সম্বন্ধে খুব বেশি কিছু জানা যায় না। তিনি যেহেতু অতীশের সহকর্মী ছিলেন, তাই ধরে নিতে পারি তিনি একাদশ শতাব্দীর মানুষ ছিলেন, কারণ অতীশের জন্ম বছর ৯৮০ খ্রিঃ এবং তিরোধান ১০৫৩ খ্রিঃ।
মনেহয় তিনি ‘জাতক-মালা-পঞ্জিকার তিব্বিতি সংস্করণটির অনুবাদক ছিলেন। তবে এম পি কর্ডিয়ে বলছেন এই বইতে বিদ্যাসিংহ বা বিদ্যাকর সিংহএর নাম ভুলক্রমে বীর্যসিংহ উল্লিখিত হয়েছে।
দেবীতারেকবিংশতি-স্ত্রোত্র-বিশুদ্ধ-চূড়ামণি-নাম (Devitarekavimsati-stotra Visuddha-cudamapi-nama)-এর তিব্বতি সংস্করণটির শ্রেয় শুধুই তাঁর নামেই দেওয়া হয়েছে। এই বইটির লেখক মহাচার্য সূর্যগুপ্ত।
যদিও তিনি অতীশের মত অতটা বৌদ্ধ ধর্ম প্রচারে বিখ্যাত হন নি, কিন্তু তাঁর অনুবাদ সূত্রে তিব্বতে বৌদ্ধ ধর্ম প্রচা্র ঘটে। তাঁর প্রভাব খুব সীমিত হলেও কার্যকর হয়েছিল। (চলবে)