নালন্দা (৪২৫ খ্রিঃপূঃ – ১২০৫ খ্রি)
নালন্দার তিন দিকপাল পণ্ডিত ধর্মপাল, চন্দ্রগোমিন, শান্ত রক্ষিত
ধর্মপাল
দীর্ঘকাল ধরে আচার্য ধর্মপাল নালন্দার প্রধান মঠাধ্যক্ষ ছিলেন। তাঁর নাম আমরা হিউ-এন-সাং এবং ইত-সিং-এর লেখাতে পাই। হিউ-এন-সাং তাঁর সম্বন্ধে বলেছেন তিনি সেসময়ের নালন্দার শ্রেষ্ঠতম পুষা (বোধিসত্ত্ব) ছিলেন, যিনি বহু টিকাটিপ্পনি মার্ফত বৌদ্ধ ধর্ম ব্যাখ্যা এবং প্রসারে ব্রতী হয়েছিলেন।
ধর্মপাল দক্ষিণাপথের মানুষ ছিলেন। তাঁর জন্ম কাঞ্চিপুরায়। সেই রাজ্যের মন্ত্রী ছিলেন তাঁর পিতা। তিনি যখন বালক তখন রাজা আর রাণীর নির্দেশ বলে তাঁকে একটি রাজকীয় অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার নির্দেশ আসে এবং বলা হয় তাঁকে সেখানে সম্মান জানানো হবে। আগের দিন রাতে তিনি গভীর মনঃপীড়ায় আত্মমগ্ন হন এবং এক রাতের মধ্যেই সন্ন্যাস গ্রহণ করে বাড়ি ছেড়ে প্রব্রজ্যা গ্রহণ করেন। দীর্ঘ সময় তিনি বিভিন্ন জনপদ ঘুরে বেড়িয়ে শেষে নালন্দা বৌদ্ধ বিহারে উপস্থিত হন। সেখানে তিনি বৌদ্ধ দর্শন এবং শাস্ত্রে পারদর্শী হয়ে ওঠেন এবং বিহারের মঠাধ্যক্ষ্য পদে বৃত হন। তাঁর কাছে আচার্য শীলভদ্র পাঠ গ্রহণ করেন। আমরা আচার্য শীলভদ্রের তারিখ মোটামুটি ঠিক করেছি ৫৮৫-৬৪০ খ্রি। যখন হিউ-এন-সাং নালন্দায় আসেন ততদিনে ধর্মপাল মঠাধ্যক্ষের পদ ত্যাগ করে শীলভদ্র (৬৩৫খ্রিঃ) কে অর্পণ করেছিলেন। এই তথ্যসূত্র অবলম্বন করে আমরা আন্দাজ করতে পারি, ধর্মপাল অবশ্যই ষষ্ঠ শতাব্দে মাঝামাঝি সময় থেকে সপ্তম শতাব্দের প্রথম পাদ অবদি জীবিত ছিলেন। চিনা মুসাফিরেরা কৌশাম্বির মহাবিহারের ধ্বংসাবশেষের যে তথ্য উল্লেখ করেছেন, সেই তথ্য থেকে জানতে পারি ধর্মপাল বিধর্মী তাত্ত্বিকদের তর্কে পরাজিত করেছিলেন।
ধর্মপাল মহাচার্য চন্দ্রগোমিনের রচনা চন্দ্র-ব্যকরণ সংস্কৃত ভাষায় রচনা করেন, যার বৃত্তি ছিল বর্ণ-সূত্র-বৃত্তিউ-নাম।
ধর্মপাল সংস্কৃত ভাষায় চারটি বৌদ্ধ গ্রন্থ রচনা করেন। এই বইগুলির তিব্বতি অনুবাদ সংস্করণ তিব্বতে পাওয়া গিয়েছে। এইগুলি হল, — আলম্বন-প্রত্যয়-ধ্যান-শাস্ত্র-ব্যাখ্য; বিদ্যামাত্র-সিদ্ধি-শাস্ত্র-ব্যাখ্যা; শত-শাস্ত্র-বৈপুল্য-ব্যাখ্যা; বলি-তত্ত্ব-সমগ্র।
চন্দ্রগোমিন
প্রখ্যাত জ্ঞানী চন্দ্রগোমিন নানাভাবে নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় এবং মহাবিহারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি বৌদ্ধপন্থ নিয়ে যে সব বই লিখেছেন সে সব বই তিব্বতে আবিষ্কৃত হয়েছে।
তাঁর জীবন কাহিনী লামা তারনাথের হিস্ট্রি অব ইন্ডিয়ান বুদ্ধিজম নামক বইতে পাওয়া যায়। এছাড়া তিব্বতি বই ‘অয়াগ-সাম-জন-জাং’ থেকেও তার জীবন কাহিনীর বহু অংশ উদ্ধার করা গিয়েছে। তিব্বতীদের কাছে তিনি আচার্য জ্লা-ওয়া-ড্জে-ব্স্নেন নামে পরিচিত।
বরেন্দ্র (উত্তরবঙ্গ) অঞ্চলের ক্ষত্রিয় পরিবারে চন্দ্রগোমিনের জন্ম। তিনি বৈদ্ধপন্থ, অভিধর্ম এবং সূত্র পাঠ গ্রহণ করেন আর্য স্থিরমতির থেকে। পরে তিনি আচার্য আশোকের থেকে বৌদ্ধ ধর্ম বিষয়ে গভীর পাঠ গ্রহণ করেন। আচার্য অশোক সামান্য-দূষণ-দিকপ্রকাশিকা নামে গ্রন্থের রচয়িতা। চন্দ্রগোমিনের সম্বন্ধে একটি উপকথা শোনা যায় তিনি নলেন্দ্র রাজার কন্যাকে বিবাহ করতে অস্বীকৃত হলে, তাঁকে বেঁধে একটি কাঠের সিন্দুকে ভরে গঙ্গা নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। সেই সিন্দুক নদী জল বাহিত হয়ে সমুদ্রের দিকে যাওয়ার সময় দেবী তারা তাঁকে উদ্ধার করেন।
তিনি মহান পরিব্রাজক ছিলেন। বাংলা থেকে শ্রীলঙ্কা হয়ে দক্ষিণাঞ্চল হয়ে তিনি আবার পূর্ব ভারতের নালন্দা বিহারে উপস্থিত হন। একজন সাধারণ উপাসক হিসেবে গণ্য করে নালন্দার ভিক্ষুরা তাঁকে নালন্দা বিহারে অন্তর্ভূক্ত করতে অস্বীকার করেন। কিন্তু চন্দ্রগোমিনের জ্ঞানচাতুর্য এবং একইসঙ্গে বিদ্যালয়য়ের আচার্য চন্দ্রকৃতি তার কৃতিকে অবিশ্বাস করা ভিক্ষুদের সঙ্গে বিতর্ক করে তাদের মত বদলাতে বাধ্য করেন এবং চন্দ্রগোমিন রাজকীয় সম্মানে মঠে অন্তর্ভূক্ত হন। তাঁকে মঠে প্রবেশ করাতে তিনটি ঘোড়ায় টানা রথ আসে — প্রথমটিতে বসানো হয় চন্দ্রগোমিনকে, দ্বিতীয়টিতে বসেন চন্দ্রকীর্তি এবং তৃতীয়টিতে বসানো হয় মঞ্জুশ্রী (মহাযানপন্থে জ্ঞানচর্চার দেবী) দেবীর মূর্তি, সবার পিছনে সারিবদ্ধভাবে ভিক্ষুরা তাদের অনুগামী হন। এই মিছিলটি সারা শহর পরিক্রমা করে।
দক্ষিণে থাকার সময় চন্দ্রগোমিন পাণিনীর কৃতি সম্পর্কে টিকা রচনা করেন। কাজ শেষ হওয়ার পর তিনি শোনেন নালন্দায় চন্দ্রকীর্তি একই বিষয়ের ওপর কাজ করেছেন। নিজের কাজ মূল্যহীন সিদ্ধান্ত করে তিনি সেটি কুয়োয় ফেলে দেন। পরে যখন এটিকে উদ্ধার করা হয় (এবং চন্দ্রকীর্তির টিকার সঙ্গে মেলানো হয়) তখন বোঝা যায় এটি চন্দ্রকীর্তির কাজের থেকে উত্তম কাজ ছিল।
তিব্বতি সূত্র থেকে আমরা জানতে পারি চন্দ্রগোমিন অষ্টম শতাব্দের প্রথম দিকের মানুষ কারণ তার সময় রাজত্ব করতেন রাজা শীল (হর্ষের পুত্র)। তার রাজত্বকাল ছিল ৭০০ খ্রিঃ।
তিনি সংস্কৃত ভাষায় বৌদ্ধপন্থের ওপর ষাটখানি বই রচনা করেন। দীপঙ্কর শ্রী জ্ঞান বা অভয়ঙ্কর গুপ্তর মতই তিনি তিব্বতী বৌদ্ধপন্থের ওপর তিনি বিপুল প্রভাব বিস্তার করেছেন। তিনি তারা দেবীর উপাসক ছিলেন। দেবী তারার ধ্যান বিষয়ে তিনি বেশ কিছু বইও রচনা করেন। তিনি অসামান্য বৈয়াকরণিক ছিলেন, তাঁর ব্যকরণ বই আজও তিব্বতে পড়ানো হয়। তাঁর সব কথা এবং কাজ তিব্বতিতে অনুদিত হয় এবং সেই বইগুলি মার্ফত তিনি বৌদ্ধপন্থ প্রচার করেন। তার রচিত পুস্তকগুলির হল
তারা-ভট্টরিকান্তর-বলি-বিধি; দেশনস্তত্ত্ব (Desnastava); ভগভদার্য-মনুশ্রী-সাধিষ্ঠান-স্তুতি; আর্য-মোঘপাশ-পঞ্চ-দেব-স্তোত্র; মনোহরকল্পনা-নাম-লোকনাথ-স্তোত্র; মহা-কারুণিক-স্তোত্র; আর্য-মহা-কারুণিক-পরিদেবনা-স্তোত্র; আর্যবলোকিতেশ্বর-স্তোত্র; সিংহ-নাদ-সাধনা; আর্য-বজ্র-বিদারণী-পিণ্ডি-কৃত-সাধনা; আর্য-সিতাতপাত্রপরাজিতনামোপায়িকা; আর্য-সিতাতপাত্রপরাজিতনামোপায়িকা-ব্লায়ি-বিধি; আর্য-তথাগতষ্ণিশ — সিতাতপাত্র-পরাজিপ্রত্যাঙ্গির-নামোধারণী-সাধনা; রসচক্র; যন্ত্র-বন্দনা; অকলা-মারণ-নিবারণোপায়; বিঘ্ন-নিবারক-প্রমোথানোপায়; চামুধবংশোনোপায় (Camudhvamsanopaya); সিধি-সাধনা; ভয়-ত্রানোপায়; করকরক্ষোপায়; কুষ্ঠচিকতসোপায়; বলি (বালি?)-বিধি; আর্য-তথাগতষ্ণিশ—সিতাতপাত্র-পরাজিপ্রত্যাঙ্গির-নাম-ধারণী-সাধনা; আর্য-তথাগতষ্ণিশ—সিতাতপাত্র-পরাজিপ্রত্যাঙ্গির-নাম-ধারণী—বিধি-নাম; জাভর (Javra)-রক্ষা-বিধি; পশু-মারী-রক্ষা-বিধি; শান্তি-হোম; অভিচার কর্মন; পুষ্টি বাসি হোম; সিধি-সাধনানুসারেন-মৃতবৎসা-চিকিৎসা; নিবারণলাভক-বিধি; চৈত্য-সাধনা-বিধি-কর্ম-নাম; ভগবত্যু-শীর্ষ-বিজয়-স্তোত্র; সমজ্ঞানীপ্ত-শ্রী-জম্ভাল-সাধনা; হয়-গ্রীব-সসাধনা; অষ্ট-শত-সাধনা; আয়ু-বর্ধনী-তারা-কল্প; শ্রো-মহা-তারা-স্তোত্র-নাম; আর্য-তারা-স্তোত্র ধ্বংস-গাথা; আর্য-তারা-স্তোত্র বিশ্বকর্মা-সাধনা-নাম; আর্য-তারা-দেবী-স্তোত্র-পুষ্প-মালা-নাম; আর্য-আরা-দেবী-স্তব-নাম; অষ্ট-ভয়-তারা-স্তোত্র; আর্যস্ত-ভয়-ত্রাতা-নাম-তারা-সাধনা; আর্য-জম্ভাল-স্তোস্ত্র; জাল-গ্রন্থ-ব্রৃত্তি; আর্য-তারা-দিবি-স্তোত্র-মুক্তিকামালা-নাম; আর্য-তারা-দিবি-স্তোত্র; আর্য-তারা-স্তোত্র-প্রণিধান-[সিদ্ধি]-নাম; আর্যস্ত-মহা-ভয়োত্তারা-তারা-স্তব; শিষ্য-লেখ; লোকানন্দ-নাটকম-নাম; চন্দ্রগোমি-প্রণিধান-নাম;
তিনি যে সব ব্যকরণ বই রচনা করেন — চন্দ্র-ব্যকরণ-সূত্র-নাম; বিংশত্যুপসাগর-বৃত্তি-নাম; উদানী; চন্দ্রস্যনাদে-বৃত্তি-নাম; চন্দ্র-ব্যকরণ-বর্ণ-সূত্র-বৃত্তি।
কাছাকাছি ষাটটি পুস্তকের মধ্যে একটা বড় অংশ আজ চিনা ত্রিপিটকের ধারণী পর্ব হিসেবে প্রখ্যাত। চিনা ত্রিপিটকে অধিকাংশ কাজ চিনা ভাষায় ভারতীয় জ্ঞানীরা অনুবাদ করেন। তিব্বতী ত্রিপিটকে এই ধারণী বইগুলির উল্লেখ রয়েছে। রক্ষা-চক্র, অকল-মরণ-নির্বাণোপ্যায় নামক বই দুটি ধারণী বইএর উজ্জ্বল উদাহরণ। এগুলিকে আমরা তান্ত্রিক বর্গে ফেলতে পারি। এগুলি চন্দ্রগোমিনের রচনা এবং পরের দিকে অনুদিত হয়ে তিব্বতে চলে যায়। তাঁর তন্ত্রবিদ্যা তিব্বতিদের বিপুলভাবে প্রভাবিত করে। সেখানে দেশিয় বন ধর্মের সঙ্গে বৌদ্ধতন্ত্র মিলেমশে একটা সমঝোতা করে নতুন ধরণের বৌদ্ধতন্ত্র মতের উদ্ভব ঘটে। এই নতুন পর্বের নাম হল লামাবাদ (Lamaism)। এই তিব্বতি বৌদ্ধপন্থে সব ধরণের জাদুবিদ্যা, জাদু কবচ, মন্ত্র এবং ‘ওম মণি পদ্মে ওম’ জাতীয় রহস্য বচন স্থান করে নেয়।
শান্ত রক্ষিত
সপ্তম শতে তিব্বতের রাজা কিন-স্রোন-ৎসন-গাম্পোর সময় বৌদ্ধপন্থ তিব্বতে প্রবেশ ঘটে। তিনি অসামান্য উদ্যমে ভারতীয় বৌদ্ধ জ্ঞানীদের তিব্বতে তাঁর রাজ্যে নিয়ে এসে বৌদ্ধপন্থের অবিকৃত সংস্করণ তিব্বতিদের কাছে উপস্থিত করার কাজ শুরু করেন। এই কাজের সম্মানে স্বয়ং রাজা এবং তাঁর দুই স্ত্রী আজও তিব্বতীদের চোখে বোধিসত্ত্বরূপে পূজিত হন।
অষ্টম শতকে তিব্বতের সিংহাসনে আরেক রাজা আসীন হন। তাঁর নাম খ্রি-স্রোন-দেউ-ৎসান। তার জন্ম বছর ৭২৮ এবং পরিনির্বান লাভ ৮৬৪ তে। তিনি বৌদ্ধপন্থের অন্যতম প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিলেন এবং তার রাজত্বে বৌদ্ধপন্থের মূল নীতিগুলি প্রচারের জন্যে ভারত থেকে বেশ কয়েকজন পণ্ডিতকে আহ্বান করে নিয়ে আসেন। তিনিই আচার্য শান্ত রক্ষিতকে তাঁর রাজ্যে আহ্বান করেন।
শান্ত রক্ষিতের জন্ম গোপালের রাজত্বে। গোপাল রাজত্ব করেন ৭০৫ খ্রিঃ অবদি। যতদূর সম্ভব তিনি জাহোরের (বাংলায়?) রাজপরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিব্বতে পরিব্রাজনের পূর্বে তিনি নালন্দা বিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন অধ্যাপক হিসেবে। তাঁর সময়ে শান্ত রক্ষিত অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্ঞানী হিসেবে নিজের কৃতি প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি স্বতন্ত্র মাধ্যমিক আঙ্গিকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রবক্তা। তিব্বতি রাজা খ্রি-স্রোন-দেউ-ৎসান, শান্ত রক্ষিতের কৃতি এবং কর্মের পরিচয় পেয়ে তাঁকে সাদরে তিব্বতের রাজদরবারে আহ্বান জানান। শান্ত রক্ষিত তিব্বতের কাছাকাছি পৌঁছলে রাজা তার মন্ত্রীদের সেনাবাহিনী সহকারে তাঁকে অভ্যর্থনা জানাতে পাঠান এবং স্বয়ং রাজা প্রত্যুদগমন করে তাঁকে রাজ প্রাসাদে নিয়ে আসেন।
তিব্বতে তাঁর প্রধান কাজ হয় বৌদ্ধপন্থের প্রচার ও প্রসার। তাঁর নির্দেশে ৭৪৯ খ্রিঃ তে রাজা তিব্বতের সান-ইয়ে নামক প্রথম বৌদ্ধ মঠটি তৈরি হয়। মঠটি ওদন্তপুর বিহার কাঠামো অনুকরণে তৈরি হয়। আচার্য শান্ত রক্ষিত নতুন বিহারের মঠাধ্যক্ষ রূপে মনোনীত হন। একাদিক্রমে তের বছর তিব্বতে বৌদ্ধপন্থ প্রচারের কাজ করে ৭৬২ খ্রিঃ তে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার কাজের শ্রদ্ধা হেতু তিনি তিব্বতে আচার্য বোধিসত্ত্ব নামে পরিচিত হন। তিব্বতিতে তাঁর নাম হল শি-ওয়া-হৎশো।
বাদ-ন্যায়-বৃত্তি-বিপঞ্চিতার্থ, যেটি ধর্ম কীর্তি রচিত বাদ-ন্যায়ের ওপর টিকা এবং তত্ত্ব-সংগ্রহ-কারিকা, এই দুটি বই তাঁর নামে উদ্ধার করা গিয়েছে। (চলবে)