করোনা নিয়ে আতঙ্কের কিছু নেই। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি ৩১ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শনিবার ১৪ মার্চ এ কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, বড় জমায়েত এড়িয়ে চলতে হবে। একটা স্কুলে অনেক ছোটো পড়ুয়া যায়। তাদের টিস্যু পেপার হাত পরিষ্কারের জন্য দেওয়া হলে অনেক সময় তারা মুখ মুছে ফেলে। ছোটোদের মধ্যে তাই ভাইরাস ছড়ানোর সম্ভাবনা থাকে। তাই ৩১ মার্চ অবধি সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ৩০ মার্চ পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক হবে। সকলে সতর্ক থাকুন। নির্দেশিকা মেনে চলুন। আমাদের রাজ্যের পাশে অনেক দেশ আছে। সে সব দেশ থেকে মানুষ আসেন। সীমান্ত লাগোয়া এলাকাতেও তাই সকলকে সতর্ক ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে বলা হয়েছে। বাজার কমিটিগুলোকে বলা হয়েছে বাজারে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে। ডাস্টবিন ব্যবহার করতে হবে। যেখানে সেখানে থুথু ফেলবেন না।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কেউ রোগ লুকোবেন না। চিকিৎসকরাও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে রোগী দেখেন। সর্দি-কাশি মানেই করোনা নয়। তবে জ্বর ও শ্বাসকষ্ট থাকলে চিকিৎসকের কাছে যাবেন। বাংলার কেউ করোনা-আক্রান্ত নন। তবু ফিরহাদ হাকিমকে রাজারহাটে নতুন ক্যান্সার হাসপাতালে ৩০০ বেড-সহ কোয়ারেন্টাইনের ব্যবস্থা থাকছে। রাজারহাটের শেষ প্রান্তে আরও একটি বাড়িও এই কাজে প্রস্তুত রাখা হচ্ছে। লোকালয়ের কাছে নয়, আবার বিমানবন্দরের কাছে, এমন জায়গা বলেই ওখানে এই ব্যবস্থা থাকছে।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বিধানসভার অধিবেশন নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন অধ্যক্ষ। কিন্তু অধিবেশন কাটছাঁট করা যেতে পারে। এদিকে, এআইএফএফ সভাপতি প্রফুল্ল প্যাটেলকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অনুরোধ করেছিলেন সমস্ত ম্যাচ পিছিয়ে দিতে। সেই অনুরোধের পর এআইএফএফ জানিয়েছে, ১৫ মার্চ থেকে ৩১ মার্চ অবধি আই লিগ-সহ সব টুর্নামেন্ট স্থগিত থাকবে।