তবু কিছুটা রক্ষা, কিছুটা স্বস্তি। ছেলে করোনা আক্রান্ত হলেও সংক্রামিত হননি তাঁর পরিবারের বাকিরা। ওই যুবকের মা, স্বরাষ্ট্র দফতরের আমলা অরুণিমা দে, তাঁর চিকিৎসক-স্বামী ও দুই গাড়িচালকের নমুনা পাঠানো হয়েছিল নাইসেডে। একটু আগেই সেই রিপোর্ট এসেছে বেলেঘাটা আইডি-তে। সবই নেগেটিভ অর্থাৎ কেউ করোনা-আক্রান্ত নন। যদিও তাঁদের ১৪ দিন পর্যবেক্ষণে রাখা হবে।
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানানো হয়েছে যে, কলকাতায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত তরুণের বাবা, মা ও তাঁদের দুজন ড্রাইভারের করোনা ভাইরাস সংক্রমণ সংক্রান্ত পরীক্ষা আজ কলকাতার NICED ( National Institute of Cholera and Enteric Diseases)-এ করা হয়েছে এবং এই পরীক্ষায় এই চারজনেরই নেগেটিভ রিপোর্ট পাওয়া গেছে। এমতাবস্থায়, নবান্ন এবং রাইটার্সে করোনা ভাইরাস জনিত সংক্রমণের যে আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল তা দূরীভূত হলো।
এদিকে ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫১। সবচেয়ে বেশি মহারাষ্ট্রে, ৪২ জন। তারপরেই কেরল (২৭)। ইতিমধ্যেই সুস্থ হয়েছেন ১৪ জন।
