আজ ১৫ মে। নকশাল নেতা চারু মজুমদারের জন্মদিন। বাঙালিকে রেডবুক পড়া শিখিয়েছিলেন চারু মজুমদার। এখনও কলেজ স্ট্রিটে ৫০ টাকায় রেডবুক বিক্রি হয়। টিম টিম করে হলেও, ৫০-৫২ বছর ধরে রেডবুকের এই টিকে থাকা কম কথা নয়। চারু মজুমদার যে খুব বড় নেতা ছিলেন, এমন নয়। তিনি একবার ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন। সেটা ১৯৬৩ সাল। শিলিগুড়ির বিধায়ক জগদীশ ভট্টাচার্য মারা গেলে ওই কেন্দ্রে উপনির্বাচনে সিপিআই চারু মজুমদারকে প্রার্থী করে। ভোট প্রচারেও চারুবাবু সশস্ত্র কৃষক বিপ্লবের কথাই বলেতেন। ৩০০০ মতো ভোট পেয়েছিলেন তিনি। মানে জমানত জব্দ হয়েছিল। কিন্তু হেরে গিয়েও চারুবাবুর সমর্থনে শিলিগুড়িতে তাঁর কিছু অনুগামী মিছিল করেন। চারুবাবু হেরে যাওয়ার ‘আনন্দে’ বলেছিলেন, যাক, এটা তো বোঝা গেল, তিন হাজার লোক সশস্ত্র বিপ্লবের পক্ষে।
সেই সময়ে শিলিগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের প্রায় ৭১ হাজার ভোটারের মধ্যে মাত্র ৩০০০ মানুষের ভোট পেয়ে, জমানত জব্দ হওয়া চারু মজুমদারের কেন মনে হয়েছিল দেশ সশস্ত্র সংগ্রামের জন্য তৈরি,বলা কঠিন। কারণ ওই তিন হাজার ভোটদাতা মূলত ছিলেন সিপিআই দলের বিশ্বস্ত সমর্থক, চারুবাবুর সমর্থক নয়, সশস্ত্র বিপ্লবের সমর্থক তো নয়ই। যাঁর একটা বিধানসভা ভোটে জেতার ক্ষমতা নেই, জমানত জব্দ হয়ে যায়, চার বছরের মধ্যেই কিন্তু সেই চারু মজুমদার হয়ে উঠেছিলেন সারা দেশে নকশালপন্থীদের নেতা। খুন, বন্দুক ছিনতাই ইত্যাদির মাধ্যমে শহরাঞ্চলে দু’তিনটি রাজ্যের কিছু জেলায় যথেষ্ট বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে সফল হলেও, ভারতের বিস্তীর্ণ গ্রামাঞ্চলে তার তেমন কোনও প্রভাব ছিল না। তা সত্ত্বেও তিনি হয়ে উঠলেন ভারতীয় বিপ্লবের কর্ণধার। পরে চিন সরে গেলেও সেই সময় চিন চারু মজুমদারের আন্দোলনকে সমর্থ জানিয়েছিল। ভারতে চারু মজুমদারের নেতৃত্বে বিপ্লব এগিয়ে চলেছে, গণফৌজ মার্চ করছে এই সব অবাস্তব, ভুলে ভরা রিপোর্ট তখন চিনের বাংলা বিভাগ থেকে প্রচার করা হয়েছিল। যা কিছু সময়ের জন্য অনেককে ভুল পথে চালিত করেছিল। খুব দ্রুত দলের মধ্যে ভাঙনও দেখা দিল, চারু মজুমদারের বিপ্লবের তত্ত্ব নিয়ে প্রশ্নও উঠেছিল। তখন দেওয়ালে লেখা হচ্ছে, ‘সেদিন আর বেশি দূরে নয়, যেদিন বড়লোকের পিঠের চামড়ায় গরিবের জুতো তৈরি হবে’। বা, ‘বিপ্লব কোনও ভোজসভা বা সূচিশিল্প নয়। বিপ্লব হল বিদ্রোহ, উগ্র বলপ্রয়োগের কাজ। যার দ্বারা এক শ্রেণি অন্য এক শ্রেণিকে উৎখাত করে- মাও সে তুং।
এ এক অদ্ভুত মিল। একদা পরাধীন ভারতে মহাত্মা গান্ধীর ডাকে দলে দলে ছাত্র-ছাত্রীরা লেখা-পড়া ছেড়ে রাজনীতিতে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। অত বেশি সংখ্যায় না হলেও, আবার দেখা গেল, স্বাধীনতার ২০ বছর পরে, একেবারে ভিন্ন মেরুর রাজনীতিবিদ চারু মজুমদারের ডাকে ক’য়েকশো ছেলেমেয়ে লেখা পড়া ছেড়ে সক্রিয় রাজনীতিতে যোগ দিচ্ছেন ‘শহিদ’ হচ্ছেন।
প্রশ্ন জাগতেই পারে স্কুল কলেজের লেখাপড়া সম্পর্কে চারু মজুমদারে ধারণাটা ঠিক কী রকম ছিল। ১৯৬৫ সালে জেল থেকে চারু বাবুর স্ত্রী লীলা মজুমদারকে লেখা চিঠি থেকে জানা যায়, তিনি এক জন সাধারণ বাবার মতোই সন্তানদের লেখা পড়া নিয়ে উদ্বিগ্ন হতেন, এবং সন্তানেরা পরীক্ষায় ভালো ফল করলে খুশি হতেন। যে যত পড়ে সে তত মূর্খ হয়, ৬৫ সালেও তিনি বলছেন না। অথচ কিছু দিনের মধ্যেই মূর্তি ভাঙা, স্কুল কলেজ পোড়ানো, লাইব্রেরি জ্বালানো, পরীক্ষা ভন্ডুল তিনি সমর্থন করছেন। কেন এই পরিবর্তন, তার স্পষ্ট উত্তর মেলে না। বড় নামী স্কুলে খুব একটা ক্ষতি করতে পারেননি নকশালপন্থীরা, কিন্তু বাঙালি মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে-মেয়েরা পড়ত, এমন বহু স্কুলে তারা হামলা চালায়। সেই সময়ে ভেঙে পড়া বাঙালি মধ্যবিত্তের বহু স্কুলই আর ওই ধাক্কা সামলে উঠতে পারেনি। এই সময় থেকেই বড় অংশ বাংলা স্কুলের পরিচয় হয়ে ওঠে, ওখানে লেখা-পড়া হয় না। আগ্রহ এবং চাহিদা বাড়ে ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে পড়ার। বাঙালির এই একটা বড় ক্ষতি নকশালপন্থীরা করেছেন। যদিও তাঁরা একথা কখনও স্বীকার করেন না।
ভারতের রাজনীতিতে একটা সশস্ত্র-ধারা বরাবরই ছিল। সেটা কখনও তিতুমির, কখনও সিপাই বিদ্রোহ, কখনও ক্ষুদিরাম-সূর্য্য সেন, কখনও, কখনও বি টি রণদিভে, কখনও তেলেঙ্গানা, কখনও চারু মজুমদার এবং এখন যেমন মাওবাদীরা। নকশালবাড়ি যখন ঘটছে তখনও গঙ্গার উপর ফরাক্কা ব্রিজ তৈরি হয়নি। পশ্চিমবঙ্গে চলছে যুক্তফ্রন্ট শাসন। তখন লোকসভা আসন ছিল ৫২৩। তার মধ্যে ১৯৬২ সলে কংগ্রেস পেয়েছিল ৩৫৮ আসন। আর ১৯৬৭ তে কংগ্রেসের আসন কমে হল ২৮৩। কংগ্রেসের একচেটিয়া রাজত্ব ভেঙে পড়ল ১৯৬৭ সালে। আটটি রাজ্যে কংগ্রেস পরাজিত হল। ১৯৬২ সালের শেষ থেকে ৬৪ সালের গোড়া পর্যন্ত দমদম সেন্ট্রাল জেলের কথা একটু বলে নেওয়া যাক। তখন চারু মজুমদার দমদম জেলে। ওই জেলে সে সময়ে আর যাঁরা ছিলেন তাঁরা হলেন, মুজফফর আহমেদ, জ্যোতি বসু, হরেকৃষ্ণ কোঙার, মনোরঞ্জন রায়, গণেশ ঘোষের মতো নেতারা। নেতারা তখন জেলে রাজনীতির ক্লাস নিতেন। এক দিন এরকম এক ক্লাসে হরেকৃষ্ণ কোঙারকে চারু মজুমদার প্রশ্ন করলেন, জমির অধিকার রক্ষার জন্য কৃষকদের সশস্ত্র করার ব্যাপারে পার্টি কী ভাবছে? কোঙার এই প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে এড়িয়ে গেলেন। সৌরেন বসুর লেখা বই থেকে এই তথ্য জানা যায়। তারপর জেল থেকে বেরিয়ে এক দিন শিলিগুড়ির পার্টি অফিসে ঢুকে চারু মজুমদার ডাঙ্গের ছবিটা দেওয়াল থেকে নামিয়ে লাথি মেরে ভেঙে ফেললেন। বললেন, শত্রুর প্রতি তীব্র ঘৃণা না থাকলে বিপ্লবী হওয়া যায় না।
তথ্য বলে, নকশালবাড়িতে আন্দোলন যে ভাবে জন্ম নিয়েছিল, সেটা ছিল ভাগচাষি বা বর্গাদার উচ্ছেদের বিরুদ্ধে কৃষকদের আন্দোলন । ভারতে বিপ্লব করতে হবে, এই চিন্তা থেকে নকশালবাড়িতে ওই ঘটনা সেদিন ঘটেনি। চারু মজুমদার ওই লড়াইকে বিপ্লবী যুদ্ধে পরিণত করার চেষ্টা করেছিলেন। তাঁর মাথায় ছিল গণফৌজ, লং মার্চ, গ্রাম দিয়ে শহর ঘেরার চিনের মডেল। তাঁর বিপ্লবী তত্ত্বের সমর্থনে শত শত মধ্যবিত্ত যুবক এগিয়ে এসেছিল। তাঁরা গ্রামে গিয়ে গেরিলা যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতও ছিল। কোথাও কোথাও যুদ্ধ হয়েও ছিল। তবে তাতে ফল দেয়নি। পুলিশের অত্যাধুনিক বন্দুকের সামনে পিঁপড়ের মতো প্রাণ গেছে সৎ, নিষ্ঠাবান রাজনৈতিক নেতা কর্মীদের। একের পর এক গণহত্যা ঘটিয়ে শেষ করা হয়েছিল ওই বিদ্রোহকে।
চারু মজুমদারে সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ তিনটি স্লোগান ছিল, চিনের চেয়ারম্যান আমাদের চেয়ারম্যান (যে স্লোগানে পরে চিন আপত্তি করেছিল), বন্দুকের নলই রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস এবং ৭০ এর দশককে মুক্তির দশকে পরিণত করুন। প্রথম স্লোগানটা ভুল। দ্বিতীয়টা ভয়ঙ্কর। তৃতীয়টি ব্যর্থ হয়েছে। ব্যর্থ হয়েছে, কিন্তু নকশালবাড়ি থেকে গেছে। থেকে গেছে বলেই বিজেপি নেতা অমিত শাহ নকশালবাড়িতে গিয়ে গরিব চাষির ঘরে কলা পাতায় ডাল ভাত খান শুধু প্রচার পাওয়ার লোভে। অমিত শাহ হয়তো জানেন না, ১৯৬৭ সালের ১৭ জুলাই অটলবিহারী বাজপেয়ী সংসদীয় দলের সদস্য হিসেবে নকশালবাড়ি এসেছিলেন পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে। অটলবিহারী সেদিন সংবাদ মাধ্যমকে বলেছিলেন, কৃষকদের সমস্যাকে ভুলে গেলে চলবে না। সেদিনের সেই কৃষকদের বিক্ষোভ আন্দোলনকে উড়িয়ে দিতে পারেননি তিনিও।
বলা হয়, এবং ঠিকই বলা হয়, চারু মজুমদার ভুল করেছিলেন। এখানেই তিনি অন্যদের থেকে আলাদা। কেউ কী খুঁজতে যায় নেহেরু বা বাজপেয়ী বা বিধান রায় কী কী ভুল করেছিলেন? চারু মজুমদারকে নিয়ে এখনও বিচার বিশ্লেষণ চলে। এবং চলবে। ভুল যে করেছিলেন তা আরও বোঝা যায় যখন দেখা যায়, একশো ভাগ সৎ নেতা জঙ্গল সাঁওতালের স্মরণ সভায় ১৫-২০ জনের বেশি লোক হয় না। বা, কানু সান্যালকে আত্মহত্যা করতে হয় হতাশায়।
সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে পড়েছে। তবু কিন্তু সমাজ গবেষকদের, নিষ্ঠাবান রাজনৈতিক কর্মীদের হেগেল, মার্কস, লেনিন, গ্রামশ্চি এখনও পড়তে হয়। চারু মজুমদার নামটা মনে রাখলেও, তাঁর লেখা ‘৮টি দলিল’ বাঙালি আর পড়ার প্রয়োজন বোধ করে না, দেশ বা দেশের বাইরের কথা তো ছেড়েই দেওয়া যাক। চারু মজুমদারের সততা, নিষ্ঠা নিয়ে কোনও প্রশ্ন নেই, কিন্তু তাঁর রাজনৈতিক চিন্তা ছিল ইতিহাস বোধহীন. যুক্তিশূন্য, একপেশে, রোমান্টিক। তার একটা দৃষ্টান্ত হল, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে তিনি ছিলেন মুজিবের নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী এবং কার্যত পাকিস্তান সেনার সমর্থক। তিনি বিশ্বাস করতেন, এসব চিনের বিরুদ্ধে আমেরিকার ষড়যন্ত্র। তাঁর ধারণা ছিল পৃথিবীটা দু’ভাগে বিভক্ত। এক ভাগ চিনের পক্ষে আর বাকিটা চিনের বিরুদ্ধে। এমন সহজ, সরল, একরৈখিক ভাবনা নিয়ে আজকের দিনে রাজনীতিতে বেশিদূর এগোনো যায় না।
তাঁর মৃত্যু হয়েছিল জেলে। সেই মৃত্যু নিয়ে তাঁর পরিবারের লোকজনের, তাঁর সমর্থকদের অনেক প্রশ্ন আছে। যার জবাব আজও মেলেনি। নকশালপন্থীদের উপর ভয়ঙ্কর পুলিশের অত্যাচারের অসংখ্য ঘটনা বিভিন্ন নথি-পত্রে, বইয়ে লিখিত আছে। ঘটানো হয়েছিল কাশীপুর-বরানগরের গণহত্যা। বহু এনকাউন্টার কিলিং। কিছু মামলা, কয়েকটি তদন্ত কমিশন ইত্যাদি হয়েছিল। কিন্তু একজনও বিচার পাননি। একটি ক্ষত্রেও কারও সাজা হয়নি। আবার, একথাও মনে রাখতে হবে, দলের প্রধান চারু মজুমদারের নির্দেশে, নকশালপন্থীদের হাতে খুন হয়েছিলেন বহু সাধারণ পুলিশ কর্মী সহ শহরে গ্রামে বহু মানুষ, নির্বাচন-প্রার্থী, উপাচার্য, অন্য রাজনৈতিক দলের কর্মীরা। এই সব খুনের জন্যও কোনও নকশালপন্থীকে শাস্তি পেতে হয়নি। সবাইকেই মুক্তি দিয়েছিল ১৯৭৭-এর জ্যোতি বসুর সরকার। রাজনৈতিক খুনও খুন। আইনের শাসন যদি সেই অভিযুক্তকে কখনই ছুঁতে না পারে, তাহলে রাজনৈতিক হিংসা কোনও দিনই থামবে না। পুলিশকেও আইনের শাসনের অধীনে আনা সম্ভব হবে না। যার ফল আমরা আজও ভোগ করছি।
৭০-এর দশকের তিতুমির বাংলার চারু মজুমদারে নেতৃত্বে এই যে এত বড় একটা আন্দোলন, এত মৃত্যু, এত হতাশা, আমাদের কী কিছু দিয়ে গেল? হ্যাঁ দিয়ে গেল। আনেক বেশি মূল্যের বিনিময়ে আমাদের ভাবনাকে কিছুটা গণমুখী করে গেল। সমাজবিজ্ঞানের গবেষণায় আনল পরিবর্তন। স্বাস্থ্য আন্দোলনের উপরেও ছায়া ফেলল বিরাটভাবে। রোগীদের স্বার্থে, ২৪ ঘণ্টা এক্সরে ইসিজি চালুর রাখার জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলন হয়েছিল তারই প্রভাবে। জনস্বার্থ, মানবাধিকার, এই সব বিষয় বাংলা সাংবাদিকতায় কিছুটা বড় করে এল তার পর থেকেই।
শোষণহীন সমাজের স্বপ্ন উপ্ত হয়েছিল। নেতৃত্বের দিশা ভুল — কিন্তু আত্মত্যাগ গুলো তো সততায় মোড়া – সেটা সম্মান পেল।
সাহসী লেখা। আরো অনেক আগে লেখা উচিৎ ছিল। চারুবাবুর হঠকারিতা রাষ্ট্রকে নৃশংস হবার সুযোগ দিয়েছে। আমি একটা লেখায় (কয়েক বছর আগে) ইঙ্গিত দিয়েছিলাম। My good friend and a rare-breed polymath, Pradip Baksi, a top-class Marx scholar, in an
e-mail, made certain highly important and worrisome observations. Here is a quote from the message.
“(a) As with the terrorist movements against the British Raj in India before 1947, the Naxalite movement since 1967 was successfully infiltrated by the spies of the government machinery.
(b) With the passage of time the elements of spontaneous peasant revolt were successfully overpowered by the combined efforts of the careerist cadres and the agents of the police, often symbiotically fused in one and the same group of persons.
(c) Gradually the mafia elements within both the movement and the law enforcement agencies of the State and Central governments took over the reins of the movement, culminating in a politics of fake encounters, fake heroism, real ransom-taking and real gun-running.
(d) The governments of the day utilised the Naxalite movement[s] and their mercenary media-created images to further the twin aims of:
(i) state-sponsored loot of the mineral and other resources under the cover of an evolving emergency situation in the affected region, where possible; and,
(ii) terrorising the laggard local economic and political elites to accept some state-sponsored infrastructure development activities, for the long-term aim of keeping the most destitute producers of surplus value under an effective rule, where necessary.”https://www.mainstreamweekly.net/article7230.html
Did Charubabu contest in Siliguri from jail in 1963. You wrote that he was in dumdum central jail from 1962 to 1964 attending party classes held by H K Konar and others. I think there is a mix up..plz clarify
অসাধারণ বিশ্লেষণ। রাজনৈতিক ব্যাখ্যা ও যুক্তিকে না মেনে উপায় নেই। হয়তো কোনও তথ্যে সামান্য কোনও ভুল থাকতে
পারে- স্থান নাম কিংবা তারিখ, কিন্তু সেগুলি মূল বিষয়টির ওপর আঘাত হানে না। যা বলতে চাওয়া তাকে অনেকদিন আগেই
ঐতিহাসিকভাবে স্বীকার করা হয়েছে কখনো একটু ঘুরিয়ে কখনো অস্পষ্টভাবে।
ভালো লেখা