কিষেনজি নিয়ন্ত্রিত জনসাধারণের কমিটির নেতা ছিলেন ছত্রধর মাহাতো। বামফ্রন্ট আমলে তিনি গ্রেফতার হয়েছিলেন। সাংবাদিক সেজে ছত্রধরের সাক্ষাৎকার নেওয়ার নামে গোয়েন্দা পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করেছিল। ১০ বছর জেলে থেকে ১ ফেব্রুয়ারি ২০২০ তিনি মুক্তি পান। মোট ২৮টি মামলায় তাঁকে বামফ্রন্ট সরকার ফাঁসিয়ে ছিল। তার মধ্যে ১২টিতে তিনি বেকসুর মুক্ত হন। ১৫টিতে জামিন পেয়েছেন। বাকি একটিতে অর্থাৎ ইউএপিএ মামলায় যাবজ্জীবনের মেয়াদ কমে যাওয়ায় তাঁর মোট জেল জীবন শেষ হয়েছে। মুক্তির পরদিন তিনি লালগড় যান। দহিঝুড়ি থেকে লালগড় সেতু পর্যন্ত এলাকার যুবকরা বাইক মিছিল করে তাঁকে নিয়ে আসেন। তিনি ছিলেন গাড়িতে। গাড়ি থেকে নেমে লালগড় সেতুটা দেখেন ছত্রধর। বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী বিগত সাড়ে আট বছরে জঙ্গলমহলের যে পরিবর্তন এনেছেন তা আগের ষাট বছরে হয়নি। লালগড়-সহ জঙ্গলমহল কী ছিল, আর এখন কি হয়েছে। আসার পথে অভূতপূর্ব উন্নয়ন দেখেছি। বদলে যাওয়া লালগড়কে চিনতেই পারছি না’। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে বাংলার গ্রাম-শহর সর্বত্র উন্নয়নের যে ছোঁয়া লেগেছে তা ছত্রধরের মতো সৎ, নীর্ভিক ও মুক্তমনা ব্যক্তিমাত্রই স্বীকার করবেন।