বড়ো বড়ো ভাষণ দিলেই আত্মনির্ভর হওয়া যায় না। মানুষকে আত্মনির্ভর করাও যায় না। এতে শুধু আদানি আম্বানিদের আত্মনির্ভর করা যাবে। মানুষকে আত্মনির্ভর করতে হলে একবারে তৃণমূল স্তরে মানুষের পাশে দাঁড়িতে হবে। তাদের রোজগারের ব্যবস্থা করতে হবে। তবেই সে আত্মনির্ভর হবে। এটা কোনও প্যাকেজ নয়। কাজটা করে দেখাতে হবে। চেতলা অগ্রণীর পক্ষ থেকে আজ ১২ জনের মধ্যে সাইকেল ভ্যান ও রিক্স বিতরণ করা হলো। পরবর্তীতে আরও ১০ জনের মধ্যে বিতরণ করা হবে। প্রত্যেককেই কিন্তু আগে থেকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল তারা কি চায়। যে যেরকমটি চেয়েছে আমরা তাদের হাতে সেরকম ভাবে তুলে দিয়েছি। নরেন্দ্র মোদী পুজো নিয়ে রাজনীতি করতে চাইছেন। আর আমরা সাধারণ মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করছি। শুধু পুজো নয়। পুজোর পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতারও পরিচয় রাখলো চেতলা অগ্রণী। সেই মার্চ মাস থেকে করোনা এবং আমফানে জর্জরিত সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ। কর্মহীন বহু মানুষ। দু-বেলা দুমুঠো অন্নের জোগাড় করতেই মানুষ হিমশিম খেয়ে যাচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাধ্য মতো পাশে থাকার চেষ্টা করে চলেছেন। মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বললেন, আমরা যাদের ভ্যান রক্স দিয়েছি তাদের কিছু কাঁচা সব্জিও কিনে দিয়েছি। যাতে বাড়ি বাড়ি বিক্রি করে তাঁরা দুটো রোজগার করতে পারে। এ ও বলেছি নিজের পায়ে নিজে দাঁড়াবার চেষ্টা করো। এর পরেই তিনি জাগো বাংলা স্টলের উদ্বোধন করেন।
