১৯৬৩-তে সোরাওয়ার্দীর মৃত্যুর পর আওয়ামী লীগকে পুনরুজ্জীবিত করে শেখ মুজিব সেই মুখ থেকে প্রমুখে উজ্জ্বল হয়ে ওঠেন। ১৯৬৪-তে পূর্ব পাকিস্তানের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা প্রতিহত করে তাঁর ভাবমূর্তি সর্বজনীন করায় আবও নিবিড়তা লাভ করে। আর তাঁর পূর্ব পরিকল্পিত প্রাদেশিক স্বায়ত্বশাসনের দাবিকে নিয়ে দেশের বিরোধী দলগুলির মধ্যে ঐক্য গড়ে তোলায় সক্রিয় হন। ১৯৬৬-এর ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে অনুষ্ঠিত দেশের বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির সম্মেলনে ‘৬ দফা দাবি’ পেশ করেন শেখ মুজিবুর রহমান। এই ছয় দফার মূলেই ছিল প্রাদেশিক স্বায়ত্বশাসন যা স্বাধীন বাংলাদেশের প্রস্তাবনা হিসাবে বিবেচিত হয়। স্বাভাবিক ভাবেই দেশের অখণ্ডতা বিনষ্ট হওয়ার ভয়ে পাকিস্তান সরকার তা অস্বীকার করে এবং তার প্রতিবাদে ৭জুন পূর্ব পাকিস্তান জুড়ে গণআন্দোলনের সূচনা হয়। আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ মুজিবের আহবানে সেই গণআন্দোলনে তাঁর অবিসংবাদিত নেতৃত্ব পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালিমানসকে প্রাণিত করে। অন্যদিকে পাকিস্তান সরকারও তাঁকে বারবার গ্রেফতার করে প্রতিহত করায় অতি সক্রিয় হয়ে ওঠে। সেই বন্দি অবস্থাতেই দেশদ্রোহের চরম অভিযোগ নেমে আসে। ১৯৬৮-এর ১৭ জানুয়ারি ভারতের সঙ্গে যোগসাজশ করে পাকিস্তান থেকে পূর্ব বাংলাকে বিচ্ছিন্ন করার ষড়যন্ত্রে শেখ মুজিবকে প্রধান আসামি করে আরও ৩৪ জন সামরিক ও অসামরিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে ‘আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা’ রুজু হয়। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, সেই মামলায় প্রমাণ হিসাবে যেসব কাগজপত্র উপস্থাপিত হয়েছিল, তার মধ্যে একটি চিরকুটে লেখা ছিল ‘বাংলাদেশ’। অন্যদিকে পাক সরকারের কঠোর মনোভাবে সেই মামলা বিশেষ আদালতে ১৯৬৮-এর ১৯ এপ্রিল বিচারের মাধ্যমে যত সক্রিয় হয়ে ওঠে, পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধীনতাকামী জনমানসে ততই শেখ মুজিবের প্রতি একাত্মতাবোধ আন্তরিক হয়ে ওঠে। ১৯৬৯-এর ২৪ জানুয়ারি সান্ধ্যআইনকে ভঙ্গ করে পাকস্তানি সামরিক সরকারের উৎখাতে গণঅভ্যুত্থানের মুলে ছিল শেখ মুজিবের মুক্তির দাবি। তাঁকে তখন বিচারের মাধ্যমে ফাঁসি দেওয়ার বন্দোবস্ত চলছিল। তীব্র গণআন্দোলনের চাপে পড়ে তাঁকে মুক্তি দিতে বাধ্য হন পাক সরকার। শুধু তাই নয়, সেই অভ্যুত্থানকে প্রতিহত করতে ১৯৬৯-এর ২১ ফেব্রুয়ারি আইয়ুব খান পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার কথা ঘোষণা করেন এবং ‘আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা’ সরকারিভাবে তুলে নেওয়া হয়। ২২ ফেব্রুয়ারি মুক্তি লাভের পরে ২৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকার রেসকোর্সের ময়দানে দশ লক্ষ লোকের জনসমাবেশে শেখ মুজিব শুধু বিপুল সংবর্ধনাই লাভ করেননি, আমজনতার ‘বঙ্গবন্ধু’র হয়ে ওঠেন। অন্যদিকে ২৬ ফেব্রুয়ারি বিরোধী দলদের নিয়ে আয়ুব খানের গোল টেবিল বৈঠক আহবান করে শেষে তা ব্যর্থ হলে তিনি ২৫ মার্চ পদত্যাগ করেন। অন্যদিকে শেখ মুজিবের ‘৬ দফা দাবি’কেই সামনে রেখেই চলে পূর্ব পাকিস্তানকে বাংলাদেশে রূপান্তরিত করার স্বাধীনতা-সংগ্রাম। আর সেই স্বাধীন-সংগ্রামের মধ্যেও সমাজমানসের বহুস্তরীয় প্রতিবাদী-প্রতিরোধী চেতনাও বিস্তার লাভ করেছিল। সেই গণঅভ্যুত্থানের মধ্যেই তা প্রকট হয়ে ওঠে। সমাজের তৃণমূল স্তরে গণআন্দোলনকে ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে কমিউনিস্ট আদর্শের বিস্তার বিশেষভাবে স্মরণীয়। সেখানেও বামপন্থী চেতনায় সমাজবিপ্লবের পরিচয় নানাভাবেই প্রকাশমুখর যা ‘চিলেকোঠার সেপাই’-এর মধ্যে মূর্ত হয়ে উঠেছে। এজন্য পূর্ব পাকিস্তানের বামপন্থী রাজনীতির প্রভাব সম্পর্কে ফিরে দেখাও আবশ্যিক।
পূর্ব বাংলায় কমিউনিস্ট পার্টি নিষিদ্ধ থাকায় তার প্রত্যক্ষ প্রভাব সেভাবে ছিল না। অন্যদিকে কৃষিপ্রধান হওয়ায় সে দেশে কৃষিজীবী ও শ্রমজীবী মানুষের দল হিসাবে শের-এ বাংলা এ কে ফজলুল হকের ‘শ্রমিক-প্রজা পার্টি’ই ১৯৫৩-তে ‘কৃষক শ্রমিক পার্টি’তে পরিণত হওয়ায় মূল ধারার রাজনীতিতেও স্বতন্ত্রভাবে কমিউনিস্ট রাজনীতির প্রাসঙ্গিকতাকে তীব্র করে তুলতে পারেনি। সেদিক থেকে বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের রাজনৈতিক সচেতনতার মাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তানে বামপন্থী রাজনীতির আদর্শ বিস্তার স্বাভাবিক হয়ে আসে। পূর্ব বাংলাতে ছাত্ররাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা বর্তমান। সেক্ষেত্রে জাতির মেরুদণ্ড হিসাবে উচ্চ শিক্ষায় সমাগত ছাত্রদের মাধ্যমে সে দেশে বামপন্থী আদর্শ বৃহত্তর গ্রামীণ বাংলায় ছড়িয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষ রাজনীতিতে তার প্রভাব না থাকলেও গ্রামবাংলার জনজীবনে তার আবেদন যে তীব্র হয়ে উঠেছিল, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানেই তা প্রতীয়মান। অন্যদিকে এদেশে স্বাধীনতা-উত্তর পরিসরে ১৯৫০-এর ২৭ ফেব্রুয়ারি কমিউনিস্ট পার্টির নিষেধাজ্ঞা উঠে যায় এবং সক্রিয় রাজনীতির প্রাসঙ্গিকতায় ফিরে আসে। সরকারিভাবে বিভিন্ন জনকল্যাণকর আইন প্রণয়নের ফলে বৈষম্যহীন সমাজব্যবস্থার উদ্যোগও চলতে থাকে।

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় ১৯৫৩-তে ৫ মে জমিদারী প্রথা বিলোপে বিল পাশ হয়ে ১৯৫৫-এর ১৪ এপ্রিল জমিদারী অধিগ্রহণ আইন কার্যকর করা হয়। তার পাশাপাশি জনগণের পাশে কমিউনিস্ট পার্টির সক্রিয় ভূমিকায় তার আবেদন ক্রমশ তীব্রতা লাভ করে। জনস্বার্থে সরকারবিরোধী আন্দোলনে কমিউনিস্ট পার্টিই হয়ে ওঠে প্রমুখ। সেখানে সহিংস আন্দোলনও সক্রিয় হয়ে ওঠে। ট্রামের দ্বিতীয় শ্রেণির ভাড়া বৃদ্ধির জন্য প্রতিবাদী আন্দোলন (১৯৫৩), খাদ্য আন্দোলন (১৯৫৯-১৯৬৬) থেকে ‘নকশালবাড়ি আন্দোলন’ (১৯৬৭) প্রভৃতির মাধ্যমে জনমানসে বামপন্থী রাজনীতি প্রভাব বিস্তার করে। অন্যদিকে ১৯৬২-তে চীন-ভারত যুদ্ধের সময় কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি হয়। সেখানেও চীন ও রাশিয়ার কমিউনিস্ট আদর্শ নিয়ে মতভেদ। ১৯৬৪-তে সরকারিভাবে সিপিআই ও সিপিআই(এম) দুটি দলে স্বতন্ত্র হয়ে পড়ে। সেদিক থেকে পূর্ব বাংলায় কমিউনিস্ট পার্টির স্বতন্ত্র প্রভাব প্রত্যক্ষভাবে গড়ে না উঠলেও পরোক্ষভাবে নামান্তরে তার অস্তিত্ব নানাভাবেই বিস্তার লাভ করে। সেক্ষেত্রে মওলানা ভাসানীর ভূমিকা সবিশেষ উল্লেখ্য। স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। পূর্ব বাংলার তৃণমূল স্তরে বামপন্থী জননেতা হিসাবে তাঁর প্রভাব ছড়িয়ে পড়ে। চীনপন্থী হিসাবে তিনি ‘লাল মাওলানা’ হিসাবে পরিচিতি পান। তাঁর উদ্যোগে ১৯৫৭-এর ২৫ জুলাই ‘ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি’ প্রতিষ্ঠিত হয় এবং তার মাধ্যমে তাঁর সক্রিয় বামপন্থী রাজনীতি ছড়িয়ে পড়ে। তাঁর লক্ষ্যে ছিল সমাজবিপ্লব। এজন্য পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধীনতার চেয়ে ওপার বাংলার আমজনতার স্বার্থে তাঁর অনন্য ভূমিকা তাঁকে জাতীয় রাজনীতির বিকল্পেও তৃণমূল স্তরে পৌঁছে দেয়। এজন্য প্রয়োজনে তিনি পাকিস্তান সরকারকে সমর্থন করেছেন, প্রয়োজনে আবার তার তীব্র বিরোধিতা করেছেন। ১৯৬৬-তে শেখ মুজিবের ছয় দফা দাবিকে তিনি সমর্থন জানাননি। ১৯৬৭-তে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি চীনপন্থী ও রাশিয়াপন্থীতে দ্বিখণ্ডিত হয় এবং মওলানা ভাসানী চীনপন্থীদের নেতৃত্ব প্রদান করেন। তিনিই আবার ‘আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা’র বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে আসামীদের মুক্তির দাবিতে ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে ব্রতী হন।
অন্যদিকে পূর্ব বাংলার ছাত্রসংগঠনের যোগ অত্যন্ত অবিচ্ছেদ্য। সরকারবিরোধী অবস্থানে উচ্চশিক্ষিত ছাত্রসমাজই সেখানে জাতীয় আন্দোলনের শরিক হয়ে উঠেছে। ভাষা আন্দোলনের সাফল্যে ছাত্রদের প্রতিবাদী ভূমিকাই প্রতীয়মান। অন্যদিকে ১৯৬৮ থেকে ১৯৬৯-এ পূর্ব পাকিস্তানের ঐক্যবদ্ধ ছাত্র আন্দোলনের সক্রিয়তায় মাধ্যমে গণঅভ্যুত্থানের পথ প্রশস্ত হয়ে ওঠে। সেখানে ১৯৬৯-এ ৪ জানুয়ারি সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের ‘১১ দফা কর্মসূচী’র মধ্যে যেমন শেখ মুজিবের ‘৬ দফা দাবি’র স্বায়ত্ব শাসন রয়েছে, তেমনই তাতে দেশের জনগণের (ছাত্র-শ্রমিক-কৃষক ও রাজনৈতিক কর্মী প্রমুখের) নানা দাবি দাওয়াও বর্তমান। অন্যদিকে ১১ দফার অব্যবহিত পরিসরেই পূর্ব পাকিস্তানের সরকারবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনে সক্রিয় হয়ে ওঠে। এরকম আটটি রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে গড়ে ওঠে ‘ডেমোক্রেটিক অ্যাকশান কমিটি’ গড়ে ওঠে। শুধু ছাত্রদের বা রাজনৈতিক দলের মধ্যেই নয়, কৃষজ-শ্রমিক থেকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যেও সরকারবিরোধী আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর হয়ে ছড়িয়ে পড়ায় তা সহজেই গণঅভ্যুত্থানে সামিল হয়। অন্যদিকে শহরাঞ্চল থেকে গ্রামাঞ্চলে গণতন্ত্রের দাবিতে শুধুমাত্র স্বৈরশাসকবিরোধী প্রতিবাদী আন্দোলন সীমাবদ্ধ থাকেনি, স্থানীয় পরিসরে শাসক-শোষকবিরোধী বিচিত্র অভিমুখে জণজাগরণ ও গণচেতনার পরিসরে জনগণের প্রতিবাদী চেতনা প্রকট হয়ে ওঠে। সেখানে সমাজের নানাভাবে শোষিত-মানুষের মানুষের প্রতিবাদে সোচ্চার হয়ে ওঠাটা স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে ছড়িয়ে যায়। সেদিক থেকে জনমানসে দীর্ঘদিনের লালিত ক্ষোভ-বিক্ষোভ আছড়ে পড়ে। বিক্ষিপ্ত বিচ্ছিন্ন ভাবে প্রতিবাদ প্রতিশোধে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। সমাজের বিভিন্ন স্তরের প্রতিবাদী স্রোত একখাতে প্রবাহিত হয়ে মহাস্রোতে পূর্ব পাকিস্তান সরকারকে বিপর্যস্ত করে তোলে। সেখানে সরকারের কাছে বিভিন্ন ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের অপূর্ণ দাবিদাওয়াও সেই প্রতিবাদী আন্দোলনকে প্রাণিত করে। বিশেষ করে সমাজের সংখ্যাগরিষ্ঠ শ্রমজীবী মানুষের ঐক্যবদ্ধ অকুতোভয় প্রতিবাদী আন্দোলনে রাজপথও মুখর হয়ে ওঠে। আর সেই মানুষদের পাশে সক্রিয় ভাবে সামিল হয়েছিল ছাত্রসমাজ। উচ্চশিক্ষিত ছাত্ররাই সেখানে বৈপ্লবিক ভূমিকা পালন করে। সেক্ষেত্রে শহরের শিল্পাঞ্চল থেকে বাংলার বৃহত্তর গ্রামাঞ্চলের কৃষিক্ষেত্রে শোষিত-শাসিত মানুষকে রাজনৈতিক ভাবে সচেতন করে প্রতিবাদে সামিল করার দিক থেকে বামপন্থী ছাত্রদের অগ্রণী ভূমিকা বর্তমান। ‘১১ দফা কর্মসূচী’র নেপথ্যে সেই বামপন্থী ছাত্রসমাজই। আবার সেখানেও বামপন্থী রাজনীতির সেই দ্বিধাবিভক্ত প্রকৃতি স্বাভাবিক হয়ে ওঠে। কেউ চীন বা পিকিংপন্থী, কেউ মস্কোপন্থী। অন্যদিকে পাকিস্তান সরকারের কায়েমী স্বার্থে সুবিধাভোগী শ্রেণির অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই সেখানে নানাভাবে সমান সক্রিয়। সেদিক থেকে সমষ্টিচেতনা থেকে ব্যক্তিমানসের বহুস্তরীয় সমাজবাস্তবতার নিরিখে পূর্ব পাকিস্তানের গণঅভ্যুত্থান শুধুমাত্র স্বাধীন বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনকে সক্রিয় করেনি, জনজাগরণের গণসংগ্রামকে মূর্ত করে তুলেছে। সেই বহু স্তরীয় সমাজবাস্তবতা ও ইতিহাসবোধের মহাকাব্যিক বিস্তারে আখতারুজ্জামানের ‘চিলেকোঠার সেপাই’ বাংলাদেশের উপন্যাসের ধারায় অভিনব আয়োজন। সেখানে ঐতিহাসিক ক্ষেত্র থেকে ইতিহাসকে মুছে ফেলার প্রয়াস নেই, আছে তার নিরাবেগ ও নিরাসক্ত বহুমাত্রিক অনুপঙ্খ উপস্থাপন। এজন্য বাংলাদেশের উপন্যাসের ধারাকে পরিণতি দানে উপন্যাসটির বনেদিয়ানা বিশেষভাবে স্মরণীয়।
লেখক : প্রফেসর, বাংলা বিভাগ, সিধো-কানহো-বিরসা বিশ্ববিদ্যালয়, পুরুলিয়া-৭২৩১০৪।