এই করোনাভাইরাসের আক্রমণ যখন সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়লো এবং আমাদের পশ্চিমবাংলাও তার বাইরে রইলো না, তখন আমাদের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে ভূমিকা নিলেন তা তুলনা রহিত। মুখমন্ত্রী বিভিন্ন হাসপাতালের চিকিৎসকদের ডেকে বৈঠক করলেন, তারপর তিনি হাসপাতাল থেকে হাসপাতালে ঘুরে বেড়ালেন, সরেজমিনে পরিদর্শন করলেন হাসপাতালগুলির চিকিৎসা ব্যবস্থা। প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিতে লাগলেন এবং ঘুরতে লাগলেন। এমনকি সবজির দোকানে গিয়ে বাজারে খড়ি দিয়ে গন্ডি কেটে দিলেন, কোনখানে দাঁড়িয়ে মানুষের পক্ষে কেনা-কাটা করা নিরাপদ হবে, টেলিভিশনে বারংবার সকলকে অনুরোধ করতে লাগলেন—বাড়ি থেকে না বেরোনোর জন্য, আমার বিশ্বাস, আমার এই ৬৫ বছরের জীবনে পশ্চিম বাংলায় এইরকম মুখ্যমন্ত্রী আমি অন্ততঃ দেখিনি। তিনি সক্রিয়ভাবে নিজে পদক্ষেপ নিয়ে প্রত্যেকটা ক্ষেত্রে এগিয়ে এসে নিজে সামনের সারিতে দাঁড়িয়ে সমস্ত যুদ্ধ পরিচালনা করছেন। করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধ। আমাদের, পশ্চিমবঙ্গবাসীর সকলের এই মুখ্যমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা থাকার দরকার এবং তাঁর নির্দেশাবলী মেনে চলা দরকার। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিরোধী দলের নেতাদের ডেকে তাঁদের সঙ্গে নিয়ে বৈঠক করলেন এবং তাঁদের পরামর্শ শুনলেন, এইরকম উদারতার প্রতীক আমরা পূর্বে কখনও পাইনি। সুজন চক্রবর্তী, আবদুল মান্নান, সূর্যকান্ত মিশ্র, এঁদের ডেকে নিয়ে তিনি মিটিং করলেন, তাঁদের সঙ্গে মতামত বিনিময় করলেন, কী করে এই সর্বগ্রাসী মহামারীকে আটকানো যায়। এ একটা অতি বিরল দৃষ্টান্ত, আমরা আগে কখনও দেখিনি। আমি আমার পক্ষ থেকে এই মুখ্যমন্ত্রীর প্রতি আমার সমস্ত কৃতজ্ঞতা নিবেদন করি।
সমস্ত সত্য ঘটনা তুলে ধরে যে পতিকৃয়া দিয়ে ছেন তার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ সত্যিটা তুলে ধরার জন্য
Syed nouagul hossain apni attanta sathik Kotha bolechen .ei dharaner podokhep o atotaratari keo kakhana neini .ধন্যবাদ
বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর পদক্ষেপ অত্যন্ত প্রশংসনীয়.সারা বিশ্বকে উনি পথ দেখলেন