কষ্ট করে হলেও লকডাউন সকলেই মানছেন। হয়তো আরও কিছুদিন এটা চলবে। আমরা কেন, আমাদের আগেও কেউ এমন পরিস্থিতি দেখেননি। নববর্ষে আমরা কেউ আনন্দ করতে পারিনি। অন্নপূর্ণা, বাসন্তী পুজো, নীল ষষ্ঠী, চড়ক হলো। রমজান মাস শুরু হচ্ছে। এই সময় ঘরকেই মন্দির, মসজিদ, গুরুদ্বার, গির্জা মেনে ঘরে থেকেই প্রার্থনা, দোয়া করুন। জমায়েত তো করা যাবে না। আমরা সবাই চাই করোনা যাতে দ্রুত বিদায় নেয়। শুক্রবার ২৪ এপ্রিল যাদবপুর ৮বি বাসস্ট্যান্ড ও অভিষিক্তায় সাধারণ মানুষকে সচেতনতার বার্তা দিয়ে এ কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, কেন্দ্র লকডাউন করতে বলেছে। আমরা সেই নির্দেশ মেনে চলছি।

মানুষ আমাদের থেকেও সচেতন, তাই কষ্ট করে হলেও লকডাউন মানছেন। তাঁদের অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানাতে বেরিয়েছি লকডাউনের নিয়ম না ভেঙেই। ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় এই ভাইরাস ছড়াচ্ছে। তাই রোগ লুকাবেন না। সরকার চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছে। কারও থাকার অসুবিধা হলে সরকারকে বা পুলিশকে জানাবেন। আমরা আপনাদের পাশে আছি। মানুষ মেলামেশা করতে পারছেন না। ফোনে বা ভিডিও স্ক্রিনে অনেকে কথা বলছেন। তবে আমরা ঘরে ঢুকে যেতে পারি না। বিপদের সময় মানুষের পাশে থাকতে হয়, তাই রাস্তায় নেমে বিভিন্ন এলাকায় পরিস্থিতি দেখছি। আমি বাইরে বাইরে ঘুরি বলে আমার বাড়ির লোকজনদের আমার কাছে আসতে দিই না। আপনারাও পরিবার নিয়ে ভালো থাকুন। আর মনের দূরত্ব কখনোই তৈরি হবে না। এদিনও মুখ্যমন্ত্রীর কথা শুনতে জানালার ধারে বা ছাদে দাঁড়িয়েছিলেন অনেকে। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম, নগরপাল অনুজ শর্মা।