হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে চুনী গোস্বামীর প্রয়াণে শোকাহত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার ৩০ এপ্রিল বিকেলে যোধপুর পার্কে যে নার্সিংহোমে চুনী গোস্বামী প্রয়াত হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে সেখানে ছুটে যান মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, মেয়র পারিষদ রতন দে। চুনীবাবুর ছেলের সঙ্গে কথা বলে সমবেদনা জানান মুখ্যমন্ত্রী। টুইট করে শোকপ্রকাশ করেন, এরপর নবান্ন থেকে মুখ্যমন্ত্রীর শোকবার্তা প্রকাশ করা হয়। এতে মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, প্রবাদপ্রতিম ফুটবলার চুনী গোস্বামীর প্রয়াণে আমি গভীর শোক প্রকাশ করছি।


তিনি আজ কলকাতায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। তিনি ছিলেন প্রকৃত ফুটবল তারকা। ভারতের অন্যতম সেরা ফুটবলার ও বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী চুনী গোস্বামী দেশের এবং বাংলার জন্য বহু সম্মান এনে দিয়েছেন। তাঁর মৃত্যুতে ক্রীড়া, বিশেষত ফুটবলের জগতে বিপুল শূন্যতার সৃষ্টি হল। পশ্চিমবঙ্গ সরকার তাঁকে ২০১৩ সালে ‘বঙ্গবিভূষণ’ সম্মান প্রদান করে।আমি চুনী গোস্বামীর পরিবার- পরিজন, ফুটবলপ্রেমী ও অনুরাগীদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি। আমি তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করি।

সোশ্যাল মিডিয়া মারফত শোকবার্তা দিয়েছেন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। জানা গিয়েছে, ডায়াবেটিস ও কিডনির সমস্যা ছিল চুনী গোস্বামীর। মাঝে মাঝে পেটে জল জমতো। তা ওই নার্সিংহোমে বের করা হতো। সে জন্যই বৃহস্পতিবার সকালে তাঁকে ভর্তি করা হয়। শুক্রবার জল বের করার কথা ছিল। হঠাৎ বিকেলে খিঁচুনি হয় চুনী গোস্বামীর। পরপর দুবার কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট চিকিৎসকদের সব চেষ্টা ব্যর্থ করে দেয়। রাতে নার্সিংহোম থেকে বাড়িতে দেহ নিয়ে গিয়ে সেখান থেকেই সরাসরি কেওড়াতলায় শেষকৃত্য সারার সিদ্ধান্ত নিয়েছে চুনী গোস্বামীর পরিবার।