রাজ্যে করোনা-তথ্য গোপন করা হচ্ছে বলে অপপ্রচার চালাচ্ছে বিজেপি-সহ কয়েকটি রাজনৈতিক দল। তার মোক্ষম জবাব দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার ১১ এপ্রিল তিনি বলেন, আমাদের লড়াই একটা রোগের সঙ্গে, সাম্প্রদায়িক ভাইরাসের সঙ্গে নয়। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এ দিন ভালো বৈঠক হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক, আইসিএমআর-এর প্রতিনিধিরা ছিলেন। আমরা রাজ্যের কথা জানিয়েছি। বুকের পাটা আছে বলেই জানিয়েছি, চিকিৎসকদের রেখে গঠিত বিশেষজ্ঞ কমিটির অডিট রিপোর্ট মেনেই করোনা তথ্য দিচ্ছে। কমিয়ে দেখিয়ে আমাদের তো লাভ নেই। যে গ্লোবাল অ্যাডভাইসরি বোর্ড ফর কোভিড রেসপন্স গড়েছি তা নিয়েও দেশে কারও প্রশ্ন থাকার কথা নয়।
তবু বিজেপির কোনও কাজ না থাকায় আইটি সেলকে দিয়ে অ্যাজেন্ডা নিয়ে ফেক নিউজের মাধ্যমে প্ররোচনা ছড়াচ্ছে! এই পরিস্থিতিতে রাজনীতি নয়, পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে কাজ করার সময়। এটা রোগের বিরুদ্ধে লড়াই, সাম্প্রদায়িক ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই নয়। প্রথমে শুনলাম আইসিএমআর নাকি কয়েকটি সেনসিটিভ জায়গা চিহ্নিত করেছে। তার মধ্যে নাকি কলকাতার ৬টি জায়গা আছে। পরে জানা গেল, তিনটি জায়গাতে নজরদারি চালাতে বলেছে। জায়গাগুলির নাম বলছি না, কিন্তু দিল্লি কাদের কথা ভেবে ওই এলাকার নাম বলতে পারে তা সকলেই বোঝেন।

টেস্ট বেশি হচ্ছে না- বিরোধীদের এই দাবি খারিজ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, প্রথমে রাজ্যে দুটি ল্যাব আর ৪০টি কিট ছিল। আইসিএমআর বলেছিল উপসর্গ না থাকলে নমুনা পরীক্ষা করতে হবে না। সেই নির্দেশ মেনে চলা হচ্ছিল। আবার যখন পরীক্ষা করতে বলেছে, সেটা হচ্ছে। তিন হাজারের উপর টেস্ট হয়েছে। আর কেন্দ্র কিট পাঠালেই Rapid Test হবে।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে বলেছি, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বা তাঁর দলের লোকেরা যেন সৌজন্য বজায় রাখেন। ভিত্তিহীন, প্ররোচনামূলক মন্তব্য করে যেন ডার্টি গেম না খেলেন।