রাজ্যে লকডাউন জারি থাকবে ৩০ এপ্রিল অবধি। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন আরও ২-৩ সপ্তাহ খুব গুরুত্বপূর্ণ ও সঙ্কটের। তাই সকলে ঘরে থাকুন। লকডাউনে কড়াকড়ি চলবে, তবে বাড়াবাড়ি চলবে না। শনিবার ১১ এপ্রিল এ কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ১০ জুন অবধি বন্ধ থাকবে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। তবে বেশ কিছু ক্ষেত্রকে লকডাউন চলাকালীন ছাড় দিয়েছেন। তবে সেই সব ক্ষেত্রেও স্যানিটাইজেশন ও সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং মেনে চলতে হবে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের দোকান সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা অবধি খোলা থাকবে। হোম ডেলিভারি চলবে। অনলাইনে দেওয়া অর্ডার বাড়ি পৌঁছতে কিছু গাড়ি থাকবে। কটা গাড়ি কোথায় থাকবে তা ফুড মার্কেট, বাজার কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ ঠিক করবে এর জন্য একটি অ্যাপ চালু হবে।
কৃষিকাজ চলবে। চাষিরা ধান সংগ্রহ কেন্দ্রে না এসেও যাতে ধান বিক্রি করতে পারেন সেজন্য ‘অন্নদাত্রী’ অ্যাপ চালু হবে। গাড়ি গিয়ে ধান কিনে নিয়ে আসবে।
আটা মিল, তেল মিল, জলের বোতলের কাজ হবে।
মাছ চাষ ও ধরার সমস্ত কাজ চলবে।
বিস্কুট, পাউরুটির জোগান অব্যাহত রাখতে বেকারি খুলবে।
চা বাগানে একসঙ্গে ২৫ শতাংশ কর্মীকে দিয়ে কাছ করানো যাবে।
ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের কাজ অন্য সবের মতো প্রোটোকল মেনে চলবে।
অঙ্গনওয়াড়ি-সহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পড়ুয়াদের মে মাসের জন্য খাদ্যসামগ্রী এপ্রিলের শেষে পৌঁছে দেওয়া হবে।
মুখ্যমন্ত্রী সকলকে শুভ নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, নববর্ষের আগের রাতে প্রতিবার আমি কালীঘাটে যাই। এবার প্রথম যাব না। আপনাদের ঘরে থাকতে বলে তো আমি যেতে পারি না। ঘরে বসেই এবার উৎসব পালন করুন।
মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, রাজ্যে নতুন করে আরও ৬ জনের দেহে করোনা পজিটিভ ধরা পড়েছে। তবে উত্তরবঙ্গের ৩ জন সুস্থ হয়ে গিয়েছেন। ফলে করোনা পজিটিভ ৯২ জন। কেউ আতঙ্কিত হবেন না।