সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় আমাকে বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী নাকি লকডাউন বাড়ানো হবে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন। লকডাউন হলে মানুষের অসুবিধা আমি উপলব্ধি করি। অসংগঠিত ক্ষেত্রের দিন আনা দিন খাওয়া মানুষের খুব অসুবিধা হয়। সেজন্য কৃষিকাজ, ফুল, পান বিক্রি, বিড়ি শ্রমিকদের কাজের বিষয়ে ছাড় দিয়েছি। চটের ব্যাগ চেয়ে পাঞ্জাব, তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী ও বিহারের মুখ্য সচিব ফোন করেছেন। এটাও দেখছি। লকডাউন বাড়ানো হলেও তা হোক মানবিকভাবে। কড়াকড়ি থাক, কিন্তু বাড়াবাড়ি যেন না হয়। বুধবার ৮ এপ্রিল নবান্নে এ কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
১১ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রীর সব মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের কথা রয়েছে। এ ব্যাপারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমি সংবাদমাধ্যম থেকে জেনেছি। আমি জানি না, অথচ বৈঠকের কথা টুইটারে দেখছি! প্রধানমন্ত্রী যদি বৈঠক করেন সেখানে লকডাউন-সহ বিভিন্ন বিষয়ে কী বলব তা আগে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়ে দেওয়া সৌজন্য নয়। তাই এখন এ ব্যাপারে কিছু বলব না। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, শুনেছি হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন এ দেশে চার-পাঁচটা কোম্পানি বানায়। গুজরাট থেকে এই ওষুধ আমেরিকা যাবে। তবে চিন্তার কিছু নেই। আমাদের রাজ্যে করোনা চিকিৎসায় এই ওষুধ পর্যাপ্ত পরিমাণেই রয়েছে।