রাজ্যপালের জোড়া চিঠির কড়া জবাব দিয়ে চিঠি পাঠালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার ২ মে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কে তিনি লিখেছেন, আপনার চিঠি পেয়ে রাগের চেয়ে বেশি দুঃখ হয়েছে। রাজ্যপালের চেয়ারে বসে তিনি লাগাতার মুখ্যমন্ত্রী, মন্ত্রী ও আধিকারিকদের উদ্দেশে অপমানজনক শব্দ চয়ন করে যে আচরণ করছেন তা নজিরবিহীন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর কোনও রাজ্যপাল এমনটা করেননি। এমন নজির দেখাতে রাজ্যপালকে পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সুপ্রিম কোর্টের নানা নির্দেশ উল্লেখ করে তাঁর সাংবিধানিক ক্ষমতা সম্পর্কে সচেতন করে দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, মন্ত্রিসভার ইচ্ছাকে মানতে রাজ্যপাল বাধ্য। সংবিধানে এমনটাই বলা আছে। কোনও সিদ্ধান্ত তিনি একবারের বেশি ফেরাতে পারেন না। রাজ্যপালের ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে সাংবিধানিক সত্য না বুঝলে তাঁর রাজ্যপালের চেয়ার ছেড়ে মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসার চেষ্টা করার পরামর্শ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি লেখেন, দ্বৈত শাসনব্যবস্থা চালু করে বাংলাকে ধ্বংস করার চেষ্টা থেকে বিরত থাকুন। কোনও অভিযোগ থাকলে নম্রভাবে তাঁকে রাজ্যপালের জানানো উচিত বলেও মনে করিয়ে দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লেখেন, এভাবে জানিয়ে তো দেখতে পারতেন সমস্যার সমাধান হচ্ছে কিনা। তা না করে সোশ্যাল মিডিয়ায় বা সংবাদমাধ্যমে যেসব আচরণ করছেন তা কাম্য নয়। অনেক সময় সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে নবান্ন ও আধিকারিকদের যেভাবে আক্রমণ করা হচ্ছে তাও সংবিধান মানলে করা যায় না। রাজ্যের মানুষের স্বার্থে সরকারের সঙ্গে থেকে এই করোনা সংকটের মোকাবিলা রাজ্যপালের করা উচিত বলেও মনে করেন মুখ্যমন্ত্রী।












