দ্বিতীয় অধ্যায়
রাজনীতিতে ব্যবসায়িক সংগঠন
চার
এমনই ছিল বৈদিক যুগের সভা সমিতির চরিত্র। যদিও পরবর্তী যুগের সাহিত্য এই বিষয়ে খুব বেশি তথ্য সরবরাহ করে না, কিন্তু যতটুকু তথ্য বেঁচে আছে, সেগুলি অবলম্বন করে বলতে পারি তখনও সেই স্বাধীন সংগঠনগুলো একেবারেই অদৃশ্য হয়ে যায় নি। এর আগে আমি রামায়ণ (পাতা ১০৭) এবং বিনয়পিটক (পাতা ১০৫) থেকে সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে উদ্ধৃতি উত্থাপন করেছি। রামায়ণের ক্ষেত্রে রাজা অথবা যুবরাজ নির্বাচনের বিষয়টি উল্লিখিত হচ্ছে। কিন্তু এই সমিতির কার্যপ্রণালী থেকে পরিষ্কার হচ্ছে না এই সমিতি আদৌ বৃহত্তর প্রশাসনিক সেবায় কোনও প্রভাব ফেলত কী না। বিনয়পিটকে উল্লিখিত বিম্বিসারের রাজত্বে ৮০,০০০ গ্রামীকের সভার উপস্থিতিতে কি ধরণের কাজকর্ম হয়েছিল, তার কোনও ইঙ্গিত আমরা পাচ্ছি না। বৈদিক সময়ের সমিতিগুলির সত্যকারের উত্তরাধিকারী ছিল অর্থশাস্ত্র (Bk. I, Chap. XV) উল্লিখিত মন্ত্রীপরিষদ বা প্রিভিকাউন্সিল। এই এই সংগঠনটি রাজাকে শাসনকাজে সাহায্য করা সাধারণ মন্ত্রীসভার কাঠামো থেকে অনেকটাই আলাদা; জরুরি অবস্থা আবির্ভূত হলে তিনি মন্ত্রীসভা আর মন্ত্রীপরিষদের সদস্যদের মন্ত্রণার জন্যে বৈঠক ডাকতেন (mantrino mantriparishadam cha)। কৌটিল্য সূত্রে এই সংগঠনে বিশাল সদস্য সংখ্যার কথা বলা হয়েছে। তিনি বলছেন ইন্দ্রের মন্ত্রীপরিষদে ১,০০০ সাধু সন্ন্যাসীর সদস্যপদের কথা বলা হচ্ছে। আলণকার দূরে সরিয়ে মূল বিষয়ে নজর দেওয়ার চেষ্টা করা যাক। কৌটিল্য ছাড়াও, অন্যান্য আঙ্গিকের রাজনীতিবিদ মাত্র ১২, ১৬, ২০ জন পরামর্শদাতাপরিষদে কথা বলেন; প্রয়োজনে আরও বেশি সংখ্যক সদস্য বিশিষ্ট মন্ত্রী পরিষদ তৈরি করার ব্যবস্থা ছিল। মন্ত্রী পরিষদের ক্ষমতা বিষয়ে কৌটিল্য বলছেন, তারা রাজা এবং রাজার শত্রুদের কাজকর্ম নিয়ে নানান সিদ্ধান্ত সংখ্যাগরিষ্ঠের মতানুযায়ী(bhuyishthah) গ্রহণ করবেন এবং বাজিয়ে নেবেন, তাদের নেওয়া সিদ্ধান্ত বাস্তবে সফল হওয়ার গ্যারেন্টি কতটুকু(আর শ্যামাশাস্ত্রী কৌটিল্যের অর্থশাস্ত্র অনুবাদে মন্ত্রীদের সংগঠনকে মন্ত্রীপরিষদ বলেছেন, আমি কেন প্রিভি কাউন্সিল ব্যবহার করলাম, সেই যুক্তি পূর্বেই দিয়েছি)। রাজা, চিঠি মার্ফৎ অনুপস্থিত সদস্যদের মত নেবেন।

মহাভারত থেকে নেওয়া এই সংস্কৃত শ্লোকটি সংবিধান এবং তার সঙ্গে মন্ত্রীসভার সদস্যদের সম্পর্ক বয়ান করে —

দেখলাম ৪ ব্রাহ্মণ, ৮ ক্ষত্রিয়, ২ বৈশ্য, ৩ শূদ্র এবং ১ সূত মিলে তৈরি হচ্ছে মন্ত্রীসভা। ৪৩৭ জন্যের এই সভায় রাজা ৮ জন সদস্য মনোনীত করতেন দৈনন্দিনের সাধারণ কাজকর্ম সম্পাদন করতে। মন্ত্রীপরিষদের গঠনে সমাজের প্রত্যেক স্তরের প্রতিনিধিত্ব ছিল এবং this betrays its popular origin
আমরা এবারে আলোচনা করব কীভাবে ভারতীয় সংবিধানে প্রশাসনিক কাঠামো ইংলন্ডের সমান্তরালভাবে তৈরি হল। ইংলন্ডের বিখ্যাত ন্যাশনাল কাউন্সিল থেকে তৈরি হল পার্মানেন্ট কাউন্সিল এবং সেটি ক্রমশ পরিণত হল প্রিভিকাউন্সিলে। প্রিভি কাউন্সিলে রাজা কয়েকজনক বিশ্বস্ত মন্ত্রী বেছে নেন এবং ক্যাবিনেট তৈরি হয়; ঠিক যেভাবে বৈদিক সমিতি পরিণত হল মন্ত্রীপরিষদে, সেখানে রাজা মন্ত্রীসভা থেকে কয়েকজন খুব কাছের মন্ত্রীকে নিয়ে গুহ্য মন্ত্রণাসভা তৈরি করলেন। তবে সমিতির সঙ্গে মহান ব্রিটিশ ন্যাশনাল কাউন্সিলের মতই নয়, যে ন্যাশনাল কাউন্সিল জাতীয় স্তরে পার্লামেন্টে লেজিস্লেটিভ এসেম্বলি তৈরি করবে। এই দায়িত্বটা অর্পণ করা হয়েছিল ১০ জন নিয়ে তৈরি পরিষদের ওপর যার মধ্যে চারজন বেদ বিশেষজ্ঞ হবেন, তিনজন তিনটে শ্রেণী সম্বন্ধে বিশেষজ্ঞ হবেন এবং বাকি তিনজন তিন ধরণের আইন সম্বন্ধে বিশদে জানবেন।
গ্রিক লেখকদের রচনা থেকেও এই ধরণের সাংগঠনিক কাঠামোর উদাহরণ পাচ্ছি। ডায়োডোরাস ‘আ সিটি অব গ্রেট নোট’এর কথা বলছে যা অনেকটা স্পার্টার সঙ্গে তুলনীয়। সংবিধান বিষয়ে ডায়োডোরাস বলছেন in this community the command in war was vested in two hereditary kings of two different houses, while a Council of elders ruled the whole state with paramount authority. এখানে যে প্রাজ্ঞদের সমিতি বা কাউন্সিল অব এলডার্সের কথা আলোচনা করা হয়েছে তার সঙ্গে আমি বৈদিক যুগের সমিতির মিল পাই। পূর্বে উদ্ধৃত ruled the whole state with paramount authoiityর বক্তব্যর সঙ্গে মিল পাচ্ছি সে সময়ের জনপ্রশাসনে নিযুক্ত সমিতির সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে। কৌটিল্যর রাজা সংখ্যাগরিষ্ঠের মত মেনে চলার নিদান দিচ্ছেন, তার সঙ্গে এই গ্রিসিয় বক্তব্যের মিল খুঁজে পাই।
শ্রো ভি কণকসাভাই প্রমান করেছেন দক্ষিণভারতে খ্রিষ্টিয় শতাব্দের প্রথম দিকে এই ধরণের সংগঠনের অস্তিত্ব ছিল। তামিল সাহিত্য থেকে তথ্য ছেঁকে তিনি লিখছেন ‘বংশানুক্রমিকভাবে সরকারের প্রধান নির্বাচিত হতেন। তার ক্ষমতার প্রতিস্পর্ধী ছিল ৫টি কাউন্সিল অথবা সমিতি, যাকে তিনি ফাইভ গ্রেট এসেম্বলিজ হিসেবে অভিহিত করছেন। এই সমিতিগুলিতে থাকত জনগণ, পুরোহিত, চিকিৎসক, জ্যোতর্বিদ, ভবিষ্যৎবক্তা এবং মন্ত্রীদের প্রতিনিধি। কাউন্সিলের সদস্যরা জনগণের স্বার্থ সুনিশ্চিত করতেন — পুরোহিত সব ধরণেত ধার্মিক অনুষ্ঠান পরিচালনা করতেন, রাজা এবং প্রজার স্বাস্থ্য সম্বন্ধীয় সব বিষয় দেখাশোনা করতেন চিকিৎসক প্রতিনিধি, জ্যোতিষীরা অনুষ্ঠানের দিনক্ষণ এবং ভবিষ্যতের কাজকর্ম নির্ধারণ করতেন; মন্ত্রীদের কাজ ছিল খরচ এবং রাজস্ব হিসেব এবং প্রশাসন এবং বিচার বিভাগ দেখাশোনা করা। প্রত্যেকটি সমিতির বৈঠক এবং দপ্তর চালানোর জন্যে রাজধানী শহরে আলাদা আলাদা স্থান নির্ধারিত ছিল। নানান গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে প্রতিনিধিরা রাজদরবারে রাজার সঙ্গী হতেন এবং সরকারের সমস্ত ক্ষমতা নিহিত ছিল রাজা এবং তার পাঁচটি মহান সমিতির নিয়ন্ত্রণে’ (The power of Government was entirely vested in the king and in the ‘Five Great Assemblies’)। লক্ষ্যণীয় বিষয় হল এই ধরণের সরকারি প্রশাসনিক ব্যবস্থা অনুসরণ করত পাণ্ড্য, চোল এবং চের এই তিন স্বাধীন রাজত্ব। আমাদের মনে হয়, এই তিন রাজত্বের প্রতিষ্ঠাতা যেহেতু মগধ থেকে অভিবাসিত হয়ে গিয়েছিল, তাই উত্তরাধিকার সূত্রে তাদের প্রশাসনে মগধ প্রশাসনের ছোঁয়া থাকলেও থাকতে পারে’।
আমার ধারণা এই যে তথাকথিত পাঁচটি এসেম্বলির কথা লেখক বলছেন, সেটি হয়ত পাঁচটি সমিতি। তাছাড়া তিনি এই প্রশাসনিক কাঠামোর শেকড় খুঁজেছেন মগধ সাম্রাজ্যে। কিন্তু আমার মনে হয় এটির সঙ্গে অনেক বেশি বৈদিক সমিতি কাঠামোর মিল আছে, যা এক সময় সারা ভারতবর্ষে ব্যপ্ত ছিল। যাই হোক এই সঙ্গঠনের প্রতিনিধিমূলক চরিত্র এবং প্রশাসনিক কাজে এই কার্যকর নিয়ন্ত্রণের তথ্যটি আমি স্পষ্টিভাবে প্রমান করতে পারলাম। ইন্টারেস্টিং বিষয় হল, মন্ত্রীরা একটি সমিতি তৈরি করছেন। সামগ্রিকভাবে এই কটা সংগঠনকে একসঙ্গে প্রিভি কাউন্সিলের সঙ্গে তুলনা করা যায়, যাদের মধ্যে থেকে হাতে গোণা প্রতিনিধি ক্যাবিনেট পদ পেতেন। সামগ্রিকভাবে আমার স্পষ্টতই মনে হচ্ছে তামিল এসেম্বলি বৈদিক সময়ের প্রাচীন সমিতিগুলির পরবর্তীকালের সংস্কৃত রূপ, যে উদাহণ আমরা বেদ পরবর্তী সাহিত্য মহাভারত এবং অর্থশাস্ত্রে পাচ্ছি।
ত্রিবাংকুরের একটি দ্বাদশ শতকের শিলালেখ (Ind. Ant., XXIV, pp. 284-285) সূত্রে একটি মন্দিরের প্রশাসনের উল্লেখ পাচ্ছি, যা ৬০০ ভেনাদ এবং জেলা আধিকারিক এবং মধ্যস্থর অধীনে ছিল। ভেনাদ হল ত্রিবাঙ্কুরের প্রাচীন নাম। শিলালেখটির সম্পাদক লিখছেন, Venad, it would appear, had for the whole state an important public body under the name of “the Six Hundred’ to supervise, for one thing, the working of temples and charities connected therewith. What other powers and privileges this remarkable corporation of “the Six Hundred” was in possession of, future investigation alone can determine. But a number so large, nearly as large as the British House of Commons, could not have been meant, in so small a state as Venad was in the 12th century, for the single function of temple supervision. আমার মনে হয় এটা প্রাচীন সমিতির স্মৃতি মত রাজ্য কাউন্সিলের আকারেরও হতে পারে।
পাঁচ
আমরা বুঝলাম কেন্দ্রিয় এসেম্বলি হল সমিতি। এর পরে আমরা আলোচনা করব স্থানীয় এসেম্বলি নিয়ে, যাকে আমরা সভা নামে অভিহিত করছি।
আদি বৈদিক যুগ থেকেই গ্রামকে একক হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। গ্রামনী বা গ্রাম প্রধানের পদ ঋগ্বেদে (X. 62. 11 ; 107. 5) উল্লিখিত হয়েছে এবং পরের দিকে সংহিতা এবং ব্রাহ্মণেও (সূত্র দেখুন V. I., T, p. 247, f . n. 26) এই বিষয়টা এসেছে। এর আগে আমরা যে স্তবক উল্লেখ করেছি, তাতে পরিষ্কার রাজা নির্বাচন করতে সে অংশ নিত। জিমার বলছেন তিনি গ্রাম সভায় সভাপতিত্ব করেন (Der in der Sabha versammelten Gemeinde prasidierte wohl der gramani (vrajapati), বা The congregation assembled in the Sabha was probably presided over by the gramani (vrajapati), op. cif., p, 172.)। কিন্তু ম্যাকডোনেল এই তত্ত্বে আস্থাশীল নন (V. I., p. 427.)। গ্রাম সভায় গরীব এবং ধনী উভয়ই যোগ দেয়। [তবে] ধনীরা সভায় সমস্ত আড়ম্বর দেখিয়েই উপস্থিত হত – আমরা ঋগ্বদে পাচ্ছি O Indra, thy friend is beautiful and rich in horses, chariots and cows. He is always provided with excellent food; majestically goes he to the Sabha” (Zimmer, p. 173).
এই বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয় ছিল গরু “O Ye cows… loudly is your excellence talked about in the Sabha”. সভায় অন্য গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বিষয়ও আলোচনা হত এবং বিশেষজ্ঞদের চাহিদা ছিল ‘Soma gives him, who offers him oblations, …a son skilful in the affairs of house (sadanya) Sabha (sahheya)’ (অনেকে মনে করেন করতেন সভেয় শব্দটি ব্যবহার করে সভার সদস্য পদ নিয়ন্ত্রিত করা হত; এই ধারণার প্রেক্ষিতটি বলা যাক সেটি ঠিক নয়। এখানে কি চাওয়া হয়েছে সে তথ্যটা খুব একটা অস্পষ্ট নেই, এখানে কোথাও বলা হচ্ছে না কোনও পুত্রের যথাযোগ্য গুণপনা না থাককে সে সভার সদস্য হতে পারবে না, একইভাবে গৃহ এবং বলি ইত্যাদি বিষয়েও এই ধারণা প্রযোজ্য) and sacrifice (Vidatliya) (Rigvecla, I. 91, 120. Zimmer, op, cit., p. 172)।
বাজসেনেয় সংহিতায় (III. 45 ; XX. 17) দুবার একটি কৌতূহলজনক অনুশোচনা সূত্র (penitentiary formula) লিখিত হয়েছে যার মাধ্যমে আমরা আমাদের আলোচ্য সভার কাজকর্ম সম্পাদনা বিষয়ে কিছুটা হলেও ইঙ্গিত পাই। টিকাকার মহীধর সভায় আচরনীয় পাপ কাজকে বলছেন মহাজন-তিরস্করদিকম এনাহ (Mahajana-tiraskaradikam enah, III. 45) এবং পক্ষপাতাদি-য়াদেনাহ (pakshapatadi-yadenah XX, 17)। প্রথমটা অবশ্যম্ভাবীভাবে আলোচনা চলার সময়ে বিখ্যাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আপত্তিজনক বাক্য/শব্দ প্রয়োগ করা বোঝাচ্ছে। এর থেকে আমরা সভা পরিচালনা পদ্ধতির একতা ইঙ্গিত পাচ্ছি। দ্বিতীয়টা সম্ভবত সভার বিচার ব্যবস্থা পরিচালনা সংক্রান্ত যার অর্থ হতে পারে কোনও দ্বন্দ্ব বিচার পরিচালনার ক্ষেত্রে পক্ষপাতমূলক আচরণ।
সভার বিচার ব্যবস্থার পরিচালনা করত, সেটি অন্য সূত্র উল্কেখ করে দেখাতে পারি। লুডভিগ (Es scheint, dasz in der sabha auch gerichtliche Verhandlungen vorkamen ; an der bereits citierten Stelle X. 71. I0. komrat der Auszdrnck ‘ Kilvishasprit ‘ vor, was nur ‘ entferner des Vorwnrfes, des [dnrch die anklage jemanden angehefteten] Flecken ‘ heiszen kann. (Der Rigveda, III, 254.) It seems that judicial proceedings also occurred in the sabha; at the point already cited X. 71. IC. The phrase ‘Kilvishasprit’ comes to mind, which can only mean ‘remover of the accusation, the stain’. (The Rigveda, III, 254) ঋগ্বেদে X. 71. I0. কিলভিসাস্প্রিত Kilvishasprit শব্দের মনে করছেন ‘অভিযোগ সূত্রে চরিত্রে লাগা কলঙ্ক থেকে মুক্তি’। পুরুষমেধা বলির অন্যতম ভিক্টিম Sabhachara সভাচারও — আমরা এই উপসংহারের দিকে এগোতে পারি। ম্যাকডোনেল বলছেন, “as he is dedicated to Dharma, ‘Justice’ it is diflicult not to see in him a member of the Sabha as a law court, perhaps as one of those who sit to decide cases.” ম্যাকডোনেল সভাসদ শব্দটির মানে করেছেন সভায় যার আইনি মামলায় মূল্যায়নকারী হিসেবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা আছে। তিনি আরও বলছেন It is also possible that the Sabhasads, perhaps the heads of families, were expected to be present at the Sabha oftener than the ordinary man; the meetings of the assembly for justice may have been more frequent than for general discussion and decision.” এমনও হতে পারে ম্যকডোনেল সূত্রে আমাদের মনে হয়, সমগ্র সভা বিচার দেওয়ার কাজ করত না, তার একাংশ, স্ট্যান্ডিং কমিটি হিসেবে এই কাজ করত। It is also possible, as Macdonell suggests, that the judicial functions were exercised, not by the whole Assembly, but a standing committee of the same. (চলবে)