এতদিন ফোন হাতে পেতে ওদের যুদ্ধ করতে হত অবিভাবকদের সাথে, আর এখন সেই অভিভাবকদের হাত ধরেই মোবাইল হাতে তারা ফ্লিম তৈরির কর্মশালায়। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের শিশু কিশোর আকাদেমি ও রূপকলা কেন্দ্রের আয়োজনে এবং চন্দননগর মহকুমা তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের ব্যবস্থাপনায় চন্দননগর জ্যোতিরিন্দ্রনাথ সভাগৃহে স্মার্ট ফোনে ছবি তৈরীর কর্মশালার শুভ উদ্ধোধন হল। গত ১৭ জুন পাঁচ দিনের এই কর্মশালায়
উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ফিল্ম ডিভিশনের চলচিত্র অধিকর্তা এবং রূপকলা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক কৃত্তিবাস নায়েক। এছাড়া ছিলেন শিশু কিশোর আকাদেমীর সচিব মন্দাক্রান্তা মহালানবীশ, চন্দননগরের মহানাগরিক রাম চক্রবর্তী, উপ-মহনাগরিক অমিত আগরওয়াল, চন্দননগর পৌর নিগমের কমিশনার শুভময় ভট্টাচার্য সহ অন্যান্য আধিকারিকবৃন্দ। মনোরম পরিবেশে প্রাথমিক পর্বে ৬৪ জন প্রার্থীর মধ্যে থেকে সাক্ষাৎকার ভিত্তিতে চুড়ান্ত ভাবে ২৫ জনকে বেছে নেওয়া হয়েছে।

উদ্বোধনী ভাষণে কৃত্তিবাস নায়েক বলেন, ”শিশুদের হাতে মোবাইল মানে খারাপ নয়, সেই মোবাইল দিয়ে যাতে ক্রিয়েটিভ কাজ করানো যায় সেই লক্ষ্য নিয়ে রূপকলা কেন্দ্র এগিয়ে এসেছে।মুলত হাতে কলমে শেখানোটাই এই কর্মশালার মূল উদ্দেশ্য।” মহানাগরিক রাম চক্রবর্তী জানান, ”পড়াশোনার বাইরেও যে অন্য একটা জগৎ আছে সেটা ছাত্রছাত্রীদের জানতে হবে,মোবাইল বিজ্ঞানের অভিশাপ নয় বরং এটা একটা আশীর্বাদ। সরকারের এই উদ্যোগের ফলে এখান থেকেই হয়তো ভবিষ্যতের চলচ্চিত্র পরিচালক তৈরি হবে।”
উল্লেখ্য, বিশিষ্ট চিত্র পরিচালক ও জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রদীপ ভট্টাচার্যের পরিচালনায় ২১ জুন এই কর্মশালাটির সমাপ্তি ঘটে। প্রসঙ্গত, এখানে তৈরি ছবিগুলো চলবে ইন্ডোর এবং আউট ডোরে। দেখানো হবে বেশ কিছু ভাল ভাল সিনেমাও।
মনোমুগ্ধকর সমাপ্তি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের হাতে শংসাপত্র তুলে দেওয়া হয়।