লকডাউন আরও কিছুদিন চলবে। তবে কেন্দ্র যেভাবে লকডাউন শিথিল করার নির্দেশ দিচ্ছে তাতে লকডাউন প্রয়োগে অসুবিধাই হবে। এমনটাই মনে করছে রাজ্য সরকার। এ সংক্রান্ত কিছু বিষয় নিয়ে কেন্দ্রের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হচ্ছে বলে সোমবার ৪ মে নবান্নে জানালেন মুখ্য সচিব রাজীব সিনহা। কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশিকা মেনে কনটেনমেন্ট জোনের বাইরে বেশ কিছু ক্ষেত্রে লকডাউন শিথিল করার কথা জানালেন মুখ্য সচিব। তিনি বলেন, লকডাউনের উদ্দেশ্য ব্যর্থ হোক, আমরা কেউ চাই না। আবার সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ীদের প্রতিও সরকার সহমর্মী। তাই পরিস্থিতি অনুযায়ী পদক্ষেপ করা হচ্ছে।
গ্রিন জোনে ২০ জন যাত্রী নিয়ে জেলার মধ্যে বেসরকারি বাস চালানো যাবে। বাস স্যানিটাইজ করা, মাস্ক ব্যবহার করা, সামাজিক দূরত্বের নিয়ম মানতে হবে।


কনটেনমেন্ট দোকান খোলা যাবে সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা অবধি। শপিং কমপ্লেক্স বা হকার্স কর্নার খোলা যাবে না। রাস্তার ধারে কিছু বিক্রিবাটা করা যাবে না।
অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের দোকান আগেই খোলার নির্দেশ দেওয়া ছিল। এর বাইরে অন্যান্য পণ্যের দোকান খোলা যাবে সামাজিক দূরত্ব মেনে। মিষ্টির দোকান, চা ও পানের দোকান খোলা যাবে। তবে চা, পানের দোকানে আড্ডা দেওয়া যাবে না।
গ্রিন ও অরেঞ্জ জোনে খনির কাজ চলবে। শিল্প সংস্থাগুলিতে প্রয়োজনীয় অনুমতি নিয়ে কাজ হবে। গ্রামে নির্মাণশিল্পের কাজ হবে। শহরে শ্রমিকদের রাখার ব্যবস্থা করলে নির্মণকাজ হতে পারে। খুব জরুরি দরকার পড়লে ২৫ শতাংশ কর্মী নিয়ে বেসরকারি অফিস চালানো যাবে। তবে ওয়ার্ক ফ্রম হোম করা গেলে অফিস না খেলাই ভালো।

সমস্ত জমায়েত নিষিদ্ধ। লকডাউন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা যাতে না নিতে হয় সেটাই ভালো। ফলে সকলে লকডাউন মেনে চলুন।
বেসরকারি গাড়িতে ড্রাইভার-সহ দুজন আরোহী থাকতে পারবেন।
এদিকে, আবগারি দফতর জানিয়েছে, বেলা ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা অবধি মদের দোকান খোলা থাকবে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। ভিড় বরদাস্ত করা হবে না। ফোন করে অর্ডার দিলে মদের হোম ডেলিভারি চলবে।