করোনার থাবা থেকে এখনও মানুষের পরিত্রাণ নেই শীত পরতে না পরতেই দোসর এবার ডেঙ্গু। সবে মাত্র বর্ষা বিদায় নিয়েছে। মাঠে ঘাটের আবজল এখনও শুকোয় নি। সেই জমা জলে বেড়ে উঠছে মশার লার্ভা। জন্ম নিচ্ছে মশা। শিলিগুড়িতে মশার লার্ভাকে মারার জন্য নর্দমায় গাপ্পি মাছ ছাড়ার ব্যবস্থা করেছে বেশ কিছু ওয়ার্ড। মমতা বন্দ্যেপাধ্যায় আজ শিলিগুড়িতে বিজয়া সম্মিলনী অনুষ্ঠানে ব্যাপারটা নিয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। তিনি বলেছেন, এই সময় মোশার পাদুর্ভাব বাড়ে। ডেঙ্গুও থাবা বসায়। তাই সকলকে মশারির মধ্যে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। সাবধানে থাকতেও বলেছেন।
তারকেশ্বর পৌরসভার ১০ নং ওয়ার্ডের পদ্মপুকুর এলাকায় ডেঙ্গু আক্রন্ত এক মহিলা। তারকেশ্বর শহরে ডেঙ্গু আক্রান্তের হদিশ মিলতেই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। ইতি মধ্যেই প্রশাসনের তরফ থেকে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন পৌর-প্রশাসক স্বপন সামন্ত। পুজো মিটতেই প্রভাব বাড়ছে করোনার, দিনের পর দিন বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। ইতিমধ্যেই হুগলি জেলার বেশির ভাগ ব্লকের একধিক পঞ্চায়েত এবং পৌর এলাকার একাধিক ওয়ার্ডকে কনটেইনমেন্ট জোন হিসেবে ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন।

এরই মাঝে তারকেশ্বর ব্লকে ডেঙ্গুর থাবা পড়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। জোড়া ফলায় আতঙ্কিত তারকেশ্বর বাসী। পরিবার ও প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে তারকেশ্বর পৌরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের ডেঙ্গু আক্রান্ত ওই মহিলা একজন গ্রামীন হাসপাতালের স্বাস্থ্যকর্মী। বেশ কিছু দিন জ্বরে ভোগার পর চিকিৎসকের পরামর্শে পরীক্ষা করালে এনএস-১ পজেটিভ আসে। চিকিৎসকের পরামর্শে বর্তমানে তিনি বাড়িতেই চিকিৎসাধীন।
তবে আক্রান্তের স্বামীর অভিযোগ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন বা ড্রেন পরিষ্কার করার জন্য পৌরসভার সমস্ত রকম ব্যবস্থা থাকলেও তা সময়ে করা হয় না অন্যদিকে নিকাশি ব্যবস্থাও পরিষ্কার করা হয় না। এ বিষয়ে পৌর প্রসাশক স্বপন সামন্ত বলেন ডেঙ্গু মোকাবিলায় সব সময় সতর্ক পৌরসভা এবং যথাযত ব্যবস্থা নেওয়া হয়।