তৃতীয়বারের জন্য একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় প্রত্যাবর্তন করার পর অনাড়ম্বরভাবে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধায় প্রথম কাজ হিসেবে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে করোনা মোকাবিলার কথাই বলেছিলেন। যে কারণে প্রায় প্রত্যেক এলাকার বিধায়করা তৃণমূলের কর্মী সমর্থকদের নিয়ে আক্রান্তদের কারও বাড়িতে খাবার বা বাজার পৌঁছে দেওয়া, ওষুধ পৌঁছে দেওয়া থেকে শুরু করে প্রয়োজনে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নেন। কোথাও নির্বাচিত বিধায়করা কোভিড আক্রান্ত রোগীদের জন্য ‘কোভিড কিচেন’ চালু করেন। অর্থাৎ বাড়ি বাড়ি রান্না করা খাবার পৌঁছে দেওয়া হয়।
তা স্বত্বেও বহু বিধায়ক তার এলাকার মানুষদের জন্য পরিকল্পনা মাফিক কাজ করতে পারছেন না। সেক্ষেত্রে কোভিড বিধি মেনে চলা একটা বড় কারণ। অথচ বিধায়ক হিসেবে করণীয় কাজ রয়েছে প্রচুর। এ বিষয়ে বর্ধমান জেলার কালনা-২ এর বিধায়ক দেবপ্রসাদ বাগ অনলাইন পেজফোরকে তার নিজস্ব মতামত দিতে গিয়ে কোভিডের কথা উল্লেখ করলেন। তবে তিনি একথাও বললেন যে কোভিড পরিস্থিতি এ রাজ্যে কিছুটা নিয়ন্ত্রণ হওয়া মাত্র একুশের বাংলা বিধানসভা নির্বাচনের আগে মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যবাসীর জন্য যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তার কাজ পুরোদমে চলছে। অর্থাৎ উন্নয়নের কাজ পুরোদস্তুর চলছে।
ছবি, ভিডিও : চয়ন বন্দ্যোপাধ্যায়