সে দিনটাতেও এবারের নভেম্বরের মতোই হাল্কা ঠান্ডার আমেজ মাখা ছিল। দিনটা ছিল ৮ নভেম্বর ২০১৬। সেবার অবশ্য কালীপুজো পড়েছিল ২৯ অক্টোবর শনিবার। ভাই ফোঁটাও মিটে গিয়েছিল নভেম্বরের পয়লা তারিখে। ৩ নভেম্বর ২০১৬, বৃহস্পতিবার জিএসটি-র হার ঘোষণা করলেন অরুণ জেটলি। জিএসটি পরিষদের রুটিন বৈঠক শেষে এই ঘোষণায় আসন্ন নোটবাতিলের কোনও ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।
এর ঠিক পাঁচদিন পরে, ৮ তারিখটি ছিল মঙ্গলবার। সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ ঘিরে আগে থেকেই বিরাট কোনো ঔৎসুক্য ছিল না তখন। রাত আটটায় প্রধানমন্ত্রীর নাইট শো-র খ্যাতি সেবারই শুরু হয়েছিল। তবে দেশের প্রায় সমস্ত সংবাদমাধ্যমে তা দেখানো হচ্ছিল। প্রথমে কয়েক মিনিট নানা কথা বলে হঠাৎই মোদিজি ঘোষণা করে দেন, ওইদিন মধ্যরাত, অর্থাৎ মঙ্গলবার ও বুধবারের মধ্যরাত থেকে পাঁচশো ও এক হাজার টাকার নোট বাতিল করে দেওয়া হলো।
সরকারি হাসপাতাল, রেল, সরকারি বাস, বিমান বন্দরের টিকিট কাউন্টার, রাষ্টায়ত্ত সংস্থার পেট্রোল পাম্প, সরকারি সমবায়িকা, রাজ্য সরকারি দুধের বুথ, শ্মশান, কবরস্থানের মতো কয়েকটি ক্ষেত্রে পুরনো নোট চলবে শুক্রবার ১১ নভেম্বর ২০১৬ মধ্যরাত পর্যন্ত।
সরকারি ঘোষণায় জানা গিয়েছিল, বুধবার ৯ নভেম্বর ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকবে। ওইদিন ও বৃহস্পতিবার ১০ নভেম্বর বন্ধ থাকবে এটিএম-ও। শুক্রবার ১১ নভেম্বর থেকে প্রথম কয়েকদিন এটিএম থেকে সর্বোচ্চ ২,০০০ টাকা তোলা যাবে। কয়েকদিন পরে তা বাড়িয়ে ৪,০০০ টাকা করার কথা বলা হয়েছিল। নিয়ম করা হয়েছিল, ক’দিনের জন্য সরকারি ব্যাঙ্ক থেকে তোলা যাবে দিনে ১০ হাজার টাকা, কিন্তু সপ্তাহে মোট ২০ হাজার টাকার বেশি তোলা যাবে না। ১০০ টাকা ও তার নীচের সব নোট ও পয়সা চালু থাকছে। বাধা ছিল না চেক, ডিম্যান্ড ড্রাফ্ট, ক্রেডিট কার্ড, ডেবিট কার্ড এবং নেট ব্যাঙ্কিংয়ে।

যার কাছে যা পুরনো ও বাতিল হয়ে যাওয়া ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট আছে, সেগুলো ১০ নভেম্বর থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ পর্যন্ত ব্যাঙ্ক বা ডাকঘরগুলিতে নিজের অ্যাকাউন্টে জমা দেওয়া যাবে। এই জমা দেওয়ার কোনও উর্ধ্বসীমা নেই। এর পরেও ৩১ মার্চ ২০১৭ পর্যন্ত রিজার্ভ ব্যাঙ্কের কিছু নির্দিষ্ট শাখায় পুরনো নোট জমা দেওয়া যাবে, তবে দেখাতে হবে বৈধ পরিচয়পত্র। আবার ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত ব্যাঙ্ক পুরনো নোট বদলেও দেবে, তবে ৪ হাজার টাকা পর্যন্ত, লাগবে পরিচয়পত্র। ২৫ নভেম্বর থেকে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৪ হাজার টাকার সীমা বাড়ানো হবে। ১০০০ টাকার নোট তুলে দেওয়া হচ্ছে, বাজারে আসছে ২০০০ টাকার নোট। আসছে নতুন ৫০০ টাকার নোটও। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভার বৈঠকের পরেই এই ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, “দেশ থেকে কালো টাকা ও জাল নোট উধাও করার জন্য এইটুকু ভোগান্তি দেশবাসী সহ্য করবে বলেই আমার বিশ্বাস।” রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর উর্জিত প্যাটেল বলেছিলেন, বাজারে নগদের অভাব হবে না। তবে অর্থ দফতরের সচিব শক্তিকান্ত দাস সতর্ক করেছিলেন, আগামী ১৫ দিন সাধারণ মানুষের কিছুটা অসুবিধা হতে পারে। এই শক্তিকান্তই বর্তমানে কয়েক বছর ধরে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর।
সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করেছিল প্রায় সব বিরোধীরা। কংগ্রেস নেতা মণীশ তিওয়ারি বলেছিলেন, “মহম্মদ বিন তুঘলকের আত্মা জেগে উঠেছে। এ বারে রাজধানীও দৌলতাবাদ চলে যাবে।” তীব্র বিরোধিতায় নেমেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “এ ভাবে টাকা বাতিল করে দেশময় আর্থিক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা হলো। যথেষ্ট চিন্তাভাবনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময়ে সাধারণ মানুষের কথা ভাবা হয়নি।” মমতা বলেছিলেন, “রাষ্ট্রপতির উচিত অবিলম্বে কেন্দ্রের সিদ্ধান্ত বদল করা। কারণ ওরা সাধারণ মানুষকে মেরে ফেলতে চাইছে।” অন্য বিরোধী দলগুলিও কেউ গরম, কেউ নরম সুরে বিরোধিতা বা মন্তব্য করেছিল।

এ দেশে আগে নোটবাতিলের ইতিহাস
ভারতে প্রথমবার ১০ হাজার টাকার নোট চালু হয় ১৯৩৮ সালে। সেসময় চালু ছিল ১০০০ টাকার নোটও। ১৯৪৬ সালের জানুয়ারিতে ওই দুই নোটই বাতিল করা হয়েছিল।
১৯৫৪ সালে আবার বাজারে আনা হয় ১০ হাজার, ৫ হাজার ও ১ হাজার টাকার নোট। ১৯৭৮ সালে মোররজি দেশাইয়ের নেতৃত্বাধীন জনতা পার্টি সরকার সেই সব বড় মাপের নোট বাতিল করে।
১৯৮৭ সালের অক্টোবরে পুরোদস্তুর চালু হয় ৫০০ টাকার নোট। ২০০০ সালের নভেম্বরে আবার আনা হয় ১ হাজার টাকার নোট। এবার এই ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিল হলো। ঘোষণা হয়েছিল, তবে বাজারে আসছে নতুন ২ হাজার টাকা ও ৫০০ টাকার নোট।
অতঃপর
৮ নভেম্বর ২০১৬ ওই ঘোষণার দিন এই লেখকের কলকাতার একটি টিভি চ্যানেলে অনুষ্ঠান ছিল। অনুষ্ঠান সেরে বেরোবার ঠিক মুখেই মোদির ওই ঘোষণা শুনতে পাই আমরা। তারপর রাত ন’টা নাগাদ ওই টিভি চ্যানেলের অফিসের কাছে সোনার দোকানে বড় ভিড় লক্ষ করি। খোঁজ নিয়ে বুঝতে পারি, যাদের কাছে অনেক ১০০০ ও ৫০০ টাকার নোট রয়েছে, তারা সেসব টাকার বিনিময়ে সোনা কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। ওই দিন থেকে বেশ কয়েক মাসের জন্য সংবাদ মাধ্যমের কর্মীদের জীবন হয়ে উঠেছিল দুর্বিষহ। সারা দিন-রাত খবর জোগাড় করে, এটিএম-এ বা ব্যাঙ্কে লাইন দিয়ে সামান্য টাকা তুলে, কোনওরকমে কিছু বাজার করে বাড়ি যাওয়া, আবার কয়েক ঘণ্টা পরেই অফিসে চলে আসা, এমনই হয়েছে। অনেকে তো বাড়িই যেতে পারেনি দিনের পর দিন। কত ছোটো সংবাদ মাধ্যম ওই দিনগুলোতে দুর্বল হয়ে গেছে, এমনকী বন্ধও হয়ে গেছে। আর সাংঘাতিক দিন গেছে ব্যাঙ্ক কর্মীদের। ৯ নবেম্বর থেকে তাদের যে কী পরিশ্রম, টেনশন ও ঝক্কি নিতে হয়েছে, তারাই জানেন। আরও কিছু ক্ষেত্রের ও পেশার কর্মীদের অবস্থাটা বেশি খারাপ হয়ে যায়। বহু ছোটো মাঝারি কলকারখানা, সংস্থা বন্ধ হয়ে যায়, কর্মহীন হয়ে যান লক্ষ লক্ষ মানুষ। তবু সে সময় অনেকে আশা করেছিলেন, কালো টাকা নিশ্চিহ্ন হবে, নোটবাতিলে সন্ত্রাসবাদীদের ভাঁড়ারে টান পড়বে, বাঁচা যাবে জাল নোটের দাপাদাপি থেকেও। কিন্তু পাঁচ বছর পরে বলতেই হচ্ছে, এর একটি লক্ষ্যও পূরণ হয়নি, বরং ধ্বংস হয়েছে ভারতের আর্থিক কর্মকাণ্ডের একটা উল্লেখযোগ্য অংশ।

কী বলা হয়েছিল আর কী হলো
নোটবাতিলের পরে দীর্ঘ চার-পাঁচ মাস ধরে দেশে নোটের আকাল চলেছিল, সাধারণ মানুষ ব্যাঙ্কে বা এটিএম-এ লাইন দিয়ে কাটিয়েছে ঘণ্টার পর ঘণ্টা, মারাও গিয়েছেন অনেকে। তখন প্রধানমন্ত্রী বড় মুখ করে বলেছিলেন, নোট বাতিলের বিরাট সুফল দেশবাসী পাবে, এবং তার জন্য খুব বেশি দেরি করতে হবে না, হাতে-হাতেই পাওয়া যাবে। কী সেই সুফল? প্রধান যে সুফলের কথা বলা হয়েছিল, তা হলো এই, কালো টাকা যাদের হাতে আছে, তারা আর সাহস করে সেই টাকা ব্যাঙ্কে জমা দিতে আসবে না, ফলে দেশ কালো টাকার হাত থেকে মুক্তি পাবে। আরও একটা কথা বলা হয়েছিল। সেটা হলো, জাল টাকা যাদের হাতে রয়েছে, তারাও সেটা ব্যাঙ্কে জমা দিতে পারবে না, ফলে জাল টাকার কবল থেকে প্রায় মুক্ত হবে দেশ। প্রসঙ্গত এটা বলা যাক, জাল টাকার বেশির ভাগটাই থাকে বড়ো নোটে, যেমন ২০১৬ সালে তা ছিল ৫০০ ও এক হাজার টাকার নোটে, কেননা, ছোটো নোট জাল করার খরচা পোষায় না। আরও একটি কথা বুক বাজিয়ে বলা হয়েছিল। কেন্দ্রীয় সরকার দাবি করেছিল, নোট বাতিলের ফলশ্রুতি হিসেবে নগদে লেনদেন কমে যাবে, ফলে জব্দ হবে কালো টাকা এবং জাল নোট।
কালো টাকা জমা না পড়ার পরিমাণ কত বলে আশা করেছিল কেন্দ্র? যখন নোট বাতিল করা হয়েছিল, তখন দেশে চালু ছিল ১৫ লক্ষ ৪১ হাজার কোটি টাকা বা প্রায় সাড়ে পনেরো লক্ষ কোটি টাকা মূল্যের ৫০০ ও হাজার টাকার নোট। এই অঙ্কটা দেশে মোট যত মুদ্রা চালু ছিল, তার প্রায় ৮৬ শতাংশ। অর্থাৎ ১০০, ৫০ বা আরও ছোটো নোট এবং পয়সা মিলিয়ে ছিল মোট চালু মুদ্রার ১৪ শতাংশ। কেন্দ্র বলার চেষ্টা করেছিল, এই সাড়ে পনেরো লক্ষ কোটি টাকার প্রায় তিন ভাগের এক ভাগ কালো টাকা ও জাল টাকা, এবং সেটা আর ফিরবে না। অর্থাৎ প্রায় ৫ লক্ষ কোটি টাকা মুদ্রা বাজার থেকে হাওয়া হয়ে যাবে, এবং তা যদি হয়, অর্থাৎ কালো এবং জাল নোট যদি সত্যিই না থাকে, তবে সেটা তো দেশের পক্ষে ভালোই। ২০১৬ সালের ৮ নভেম্বর তারিখের পর থেকেই তাই অর্থনীতিবিদ, সাধারণ মানুষ, এমনকী আন্তর্জাতিক মহলেরও দারুণ আকর্ষণ ছিল এই তথ্যটা জানার, যে কত টাকা বাজার থেকে উধাও হয়ে গেল। এ ব্যাপারে বারবার রিজার্ভ ব্যাঙ্ক, দেশের অর্থ মন্ত্রক এবং সংশ্লিষ্ট নানা জায়গায় প্রশ্ন করেও সঠিক উত্তর পাওয়া যায়নি, যদিও ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বরের পরে আর পুরনো টাকা ব্যাঙ্ক ফেরত নেয়নি। কত টাকা ফেরত এল, এ ধরনের কথা জিজ্ঞাসা করা হলেই উত্তর আসত, গোনাগুনি চলছে। অনেক নোট তো, সময় লাগবে। কেবল নোট গুণতে এত সময় কেন লাগছে, সে ব্যাপারে কোনো সদুত্তর পাওয়া যেত না। কিন্তু কখনো তো গোনা শেষ হবে! হ্যাঁ, সেটাই হয়েছে ২০১৮ সালে। আর তার পরেই দেশের রিজার্ভ ব্যাঙ্ক জানিয়ে দিয়েছে, নোট ফেরত এসেছে ১৫ লক্ষ ৩১ হাজার কোটি টাকার। তার মানে আসেনি মাত্র ১০ হাজার কোটি টাকার নোট। অন্য ভাবে বললে, ফেরত এসেছে বাতিল নোটের ৯৯.৩ শতাংশ। তাহলে কি ১০ হাজার কোটি টাকার কালো টাকা বা বাতিল নোট আটকানো গেল? মনে হয় না। এ কথা বলার কারণ দু’টি। প্রথমত, অনেক মানুষ ২০১৭ সালের জানুয়ারি মাসেও টাকা বাড়িতে খুঁজে পেয়েছেন; বা বিদেশে ছিলেন, দেশে ফিরে জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে টাকার নোট হাতে পেয়েছেন, ইত্যাদি। আগের ঘোষণা মতো এঁরা রিজার্ভ ব্যাঙ্কে বাতিল নোট জমা দিতে গিয়েছিলেন, কিন্তু কেন্দ্রের দেওয়া প্রতিশ্রুতি ভেঙে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক সে টাকা নেয়নি। দ্বিতীয়ত, নেপাল, ভুটান প্রভৃতি পার্শ্ববর্তী দেশ, যেখানেও অনেক জায়গায় ভারতীয় নোট চলে, সেখানকার বাতিল নোট ফেরত নেওয়া হয়নি। এ নিয়ে এই সব দেশগুলির সঙ্গে টানাপোড়েন এখনও চলছে। এই সব নোট যদি ফেরত নেওয়া হতো, অনেকেই মনে করেন, ওই দশ হাজার কোটি টাকা তো বটেই, হয়তো কিছু বেশিই ফিরে আসত। ২০১৭ সালের মাঝামাঝিও শোনা গিয়েছে, কারও কারও কাছে ফেরত দিতে না পারা বাতিল নোট রয়ে গিয়েছে। প্রসঙ্গত, সংসদে কেন্দ্র বলেছিল, ৫০০ ও হাজার টাকার নোটের মূল্য ১৫ লক্ষ ৪৪ হাজার কোটি টাকা, যে অঙ্কটা রিজার্ভ ব্যাঙ্ক যা বলেছে, তার থেকে ৩ হাজার কোটি টাকা বেশি। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের এই ঘোষণার মধ্য দিয়ে কেন্দ্রের কালো টাকা ও জাল নোট অপসারণের দাবি যে পুরোপুরি ফালতু, তা প্রমাণ হয়ে গেল।

আর সন্ত্রাসবাদীদের হাতে টাকা না থাকার গল্প কেন্দ্রও আজকাল আর বলে না। ২০১৯ সালে পুলওয়ামার ঘটনার পরে কেউ এ নিয়ে মোদিকে প্রশ্ন করারও সুযোগ পায়নি। দেশবাসীর জিজ্ঞাসা, তাহলে কেন নোটবাতিল করা হয়েছিল? কেন্দ্র কোনো উত্তর দেয়নি, ভুলও স্বীকার করেনি। অভিজ্ঞ মহলের একটা অংশের ধারণা, তার পরের বছর উত্তরপ্রদেশের ভোটে জিততেই মোদির ওই ভয়ংকর চমক। মোদি জমানায় এমন চমকের রাজনীতি আরও দেখেছি আমরা। বালাকোট এয়ার স্ট্রাইকের কথা সবারই মনে আছে। সেটাও কিন্তু লোকসভা নির্বাচনের ঠিক আগে। এর পরই দেশে ওঠে মোদি হাওয়া।
কয়েক মাস পরেই ২০২২ সালে আবার আসছে উত্তরপ্রদেশের বিধানসভা ভোট। মন তাই ভাবছে, কী জানি কী হয়!
তথ্যবহুল দারুণ লেখা