করোনা মোকাবিলার কাজের ফাঁকেই ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের ব্যাপারেও জোর দিতে হবে। সরকার ইতিমধ্যেই পদক্ষেপ করেছে। পুরসভা থেকে শুরু করে পঞ্চায়েত সব জায়গায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতায় জোর দিতে হবে। সোমবার ৬ এপ্রিল এ কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন নবান্ন থেকে তিনি সোজা চলে যান হাওড়ায় রাজ্য পুলিশ আয়োজিত রক্তদান শিবিরে।

রক্তদাতাদের উৎসাহিত করে তিনি বলেন, ব্যক্তিগতভাবেও এই উদ্যোগকে আমি সাধুবাদ জানাই। এমনিতে গরমকালে রক্তের সঙ্কট থাকে। থ্যালাসেমিয়া রোগীদের প্রতি মাসে রক্ত নিতে হয়। ফলে একটা সমস্যা তৈরি হতো। কিন্তু এবার আমরা যখন করোনা মোকাবিলায় ব্যস্ত, তখন আমার পুলিশ ভাই-বোনেরা সেই রক্ত সঙ্কট মিটিয়ে দিচ্ছেন।

গরমের মধ্যে দিন-রাত লকডাউনে আইন-শৃঙ্খলা সামলানো, রেশন দোকানে গোলমালের খবর পেলে সেখানে ছুটে যাওয়া, বাজারে সবাই দূরত্ব বজায় রাখছেন কিনা এ সব দেখে পরিবারকে সময় দেওয়ার আগে তাঁরা রক্তদান করছেন। মানুষের প্রাণ বাঁচাচ্ছেন। এটা একটা বড়ো কাজ। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, হাওড়ার ছ-সাতটা করোনার কেস পাওয়া গেছে।

কোন পকেটে হয়েছে সেটা একটু খেয়াল রাখতে হবে। এদিন, হাওড়াবাসীর তরফে দেওয়া ১৪ লক্ষ টাকা মুখ্যমন্ত্রীর আপদকালীন ত্রাণ তহবিলে দিন করা হয়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এখানে আসার আগে অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা হলো। করোনা মোকাবিলায় আমরা যে তাঁকে রেখে গ্লোবাল অ্যাডভাইসরি বোর্ড ফর কোভিড রেসপন্স গড়েছি অর্থনীতির কথা ভেবে, তাতে তিনি আমাদের সঙ্গে কাজ করতে সম্মত হয়েছেন।
