প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছেন, যাঁদের বয়স ৬৫-র উপর তাঁরা বাড়িতে থেকে বিশ্রাম নিন। রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কে সে কথাটাই মনে করিয়ে দিতে চাই। তিনি চিঠি লিখতে থাকুন, সব উত্তর দেওয়ার সময় আমাদের নেই। এভাবেই রাজ্যপালকে কটাক্ষ করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার দলনেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন। তিনি বলেন, রাজ্যপাল, রাজ্যপাল এ কথা বারবার বলার দরকার নেই। শুধু এটুকুই বলব, উনি বিজেপির প্রাক্তন সাংসদও বটে।

সোমবার ৪ মে ফের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি পাঠিয়েছেন রাজ্যপাল। তৃণমূলের লোকসভার দলনেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, জীবনে অনেক রাজ্যপাল দেখেছি। জগদীপ ধনখড়কেও দেখছি। রাজ্যপালের উপযুক্ত দায়িত্ব পালন না করে গণতন্ত্রের সাংবিধানিক যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো ভেঙে দিতে চাইছেন। তাঁর এই কাজকর্মে অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছি। তিনি কেন এ সব করছেন তা মানুষ বুঝতে পারছেন। লকডাউন কীভাবে তোলা যাবে তা নিয়ে আলোচনা না করে, সরকারের সঙ্গে সহযোগিতা না করে রাজভবন যেন আলাদা একটা শিবির হয়ে গিয়েছে। সুদীপ স্পষ্ট জানিয়ে দেন, রাজ্যপালকে বেশি পাত্তা দিয়ে গুরুত্ব দেবে না তৃণমূল।
তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশ্ন তুলেছেন, কীভাবে নিজে ভাষণ দিতে বারবার দূরদর্শনকে ব্যবহার করতে পারেন রাজ্যপাল? কল্যাণ বলেন, ক্ষমতার অপব্যবহার করছেন রাজ্যপাল। সংবিধানের সঙ্গে প্রতারণা করছেন। এই রাজ্যপাল দেশের লজ্জা।