কথায় কথায় উনি নিজেকে অপমানিত বলে জাহির করেন। রাজ্যপাল পদটাকে হাসির খোরাক বানিয়েছেন। তাঁর আচরণ শেয়ানা পাগলের মতো। অনেকেই মনে করছেন, নির্লজ্জভাবে তাঁর দল বিজেপির হয়ে দালালি করছেন। বয়স হয়েছে, তিন কাল এসে এক কালে ঠেকেছে। যে কদিন আছেন রাজ্যপালের পদ রাজনীতির জন্য ব্যবহার না করে রাস্তায় নেমে বিজেপি করুন না। হলফ করে বলি, তৃণমূলের একেকজন যুব নেতাকে যদি দশজন চেনে, আপনাকে আপনার পাড়ার রাস্তার কুকুর পর্যন্ত চিনবে না, মানুষ দূরের কথা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমালোচনা করে খবরে আসার এতো শখ! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাঠানো নববর্ষের সৌজন্যের মিষ্টি খেয়ে দেখছি, আপনার ওই মুখের তিক্ততা বেড়ে গিয়েছে। চ্যালেঞ্জ করে আমরা বলছি, দেশের সব সেনাকে এনে ভোট করিয়েও আপনার বিজেপিকে জেতাতে পারবেন না। ড্যাং ড্যাং করে জিতে ফের রাজভবনেও মিষ্টি পাঠাবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যপাল সঙ্কটকালে রাজনীতি করে বাংলাকে অপমানিত করছেন।

আপনি মিথ্যাবাদী, তথ্য গোপন করছেন। বিজেপির টুইটারে দেখুন গিয়ে বিজেপি সাংসদ-সহ কিছু নেতার ত্রাণ বিলানোর ছবি। কটা বিলিয়েছেন পরের কথা, নিয়ম মেনে বিলিয়েছেন তো। তাঁরা বিলাতে পারলেও যাঁদের পুলিশ আটকেছে বলে অভিযোগ বা আপনার গোঁসা, নিশ্চয় তাঁরা লকডাউন বিধি ভেঙেছেন। আপনার দলের এক সাংসদ ভুয়ো তথ্য দিয়ে চলেছেন আর আপনি আঙুল চুষছেন! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসনকে আপনার হুমকিতে কিস্যু আসে যায় না, আপনার ক্ষমতা বোঝা সারা! তাই নিজেকে হাস্যকর কেন বানাচ্ছেন?

তথ্য গোপন করছেন। বৃহস্পতিবার সকালের টুইটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বড়ো বড়ো কথা বললেন। খোঁচা মেরে। তখন কেন লিখলেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আপনাকে ফোন করে রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি জানিয়েছেন? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ফোন পেয়ে তাঁর প্রশংসাকরার কথা জানালেন কখন? বিকেলে। কেন সকালে বলেননি? দিল্লির বাবুর নির্দেশ এসেছিল বুঝি? কীসের ছক? আপনার হ্যান করেনা ত্যান করেগা মার্কা ছেঁদো হুমকি বিজেপির নতুন পার্টি অফিস বানানো রাজভবনে বসে চেঁচিয়ে বলুন। গেটের বাইরে গরু, বিড়াল, কুকুরেও শুনবে না। মানুষ তো দূরের কথা!