ভাষণ দিলে হবে না কাজ করতে হবে। ফাঁকা বুলিতে আর চিঁড়ে ভিজছে না। মানুষ হাড়ে হাড়ে বুঝতে পারছে কি ভুল তাঁরা করেছিলেন লোকসভা ভোটের সময়। মোদীর ফাঁকা বুলির মাদকতায় নেসা ধরেছিল তার ওপর ‘ঘর মে ঘুস কর মারুঙ্গা’ মানুষকে ভীষণভাবে তাতিয়ে দিয়েছিল। ফল স্বরূপ ১৮টা সাংসদ হাতিয়ে নিয়েছিল বাংলার বুক থেকে। আজ করোনা, আমফান, কালবৈশাখীতে জর্জরিত বাংলা। ১৮ জন সাংসদ নিখোঁজ মাঝে মাঝে সোস্যাল মিডিয়াতে উঁকি ঝুঁকি মারছে বেশ কয়েকজন। তাও ফেক নিউজের বস্তা বোঝাই করে।

ধনিয়াখালিতে বেলমুড়ি কমিউনিটি হলে মন্ত্রী অসীমা পাত্রের উদ্যোগে আট দিন ধরে আয়োজিত হচ্ছে রক্তদান শিবির । এর আগের দিনও সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে প্রায় ১০০ জনের ওপর বিজেপি এবং সিপিএম কর্মী তৃণমূলে যোগদান করেছিল। আজ ধনিয়াখালি ১ নং পঞ্চায়েত থেকে বিজেপি নেতা অজয় মাঝি এবং সিপিএম নেতা নুর আলমের নেতৃত্বে প্রায় ১৭০ জন কর্মী তৃণমূলের পতাকা হাতে নিয়ে দলবদল করলো।

মন্ত্রী তপন দাশগুপ্ত বলেন, মন্ত্রী অসীমা পাত্র এখানকার বিধায়ক। তাঁর ব্লক থেকেই যেহেতু এঁরা তৃণমূলে যোগদান করলেন তাই আমরা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুমতি নিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেব। বিভিন্ন অঞ্চল ও ব্লকে তাঁদের দায়িত্ব দেওয়া হবে। তারপর তাঁরা মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ মতো তাঁর উন্নয়ন কর্মযজ্ঞে শামিল হবেন। মানুষ লোকসভা নির্বাচনে বিজেপিকে যাঁরা উৎসাহিত হয়ে ভোট দিয়েছিল তাঁরা বুঝতে পারছে এই দলটার পশ্চিমবাংলায় কোনও স্থান নেই। কারণ এখানে যিনি উন্নয়নের কান্ডারী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর নেতৃত্বে যে বিশাল কর্মযজ্ঞ চলছে তাতে এখানে অন্য দলের কোনও স্থান নেই। তাঁরা বুঝতে পেরেছেন যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বেই কাজ হচ্ছে, উন্নয়ন হচ্ছে, তাই তারা বিজেপি ছেড়ে সিপিআইএম ছেড়ে তৃণমূলে এসে যোগদান করছেন।

উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ মনোজ চক্রবর্তী, মিজানুর রহমান, ধনিয়াখালি পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি সৌমেন ঘোষ-সহ অন্যান্য তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্বরা।
ছবি ও সংবাদ : সুভাষ মজুমদার
Very nice ???????????? i like it