‘দিদিকে বলো’ কর্মসূচি পথ চলা শুরু করেছিল ২০১৯ সালের ২৯ জুলাই। কথায় আছে, সকাল বলে দেয় সারা দিনটা কেমন যাবে। এই কর্মসূচির সাফল্য যে কোন চূড়ায় পৌঁছোতে পারে তা আত্মপ্রকাশের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই আঁচ করা গিয়েছিল। আর যত দিন গেছে ততই আকাশ ছোঁয়া সাফল্য মিলেছে এই কর্মসূচির। দলনেত্রীর নির্দেশে গায়ে দিদিকে বলো গেঞ্জি, হাতে দিদিকে বলো লেখা ভিজিটিং কার্ড— শহর থেকে গ্রাম, বাড়ি বাড়ি ছুটলেন দলের নেতা-কর্মীরা। কর্মসূচির মূল লক্ষ্যই ছিল নিবিড় জনসংযোগ তৈরি করা। তাই জনসংযোগে যেটুকু খামতি ছিল তা এই অনিভব প্রচার কৌশলে পূরণ করতে সক্ষম হলেন নেতা-কর্মীরা। এর পরবর্তী ধাপে গ্রামে গিয়ে কর্মীর বাড়িতে রাতে থাকা, দলীয় পতাকা উত্তোলন, সাধারণ মানুষের সমস্যা শোনার মতো একাধিক কর্মকাণ্ড লাগাতার চলেছে এই কর্মসূচির আওতায়।
আসন্ন পুরোভোটের দামামা বেজে গেছে। পুরভোটকে কেন্দ্র করে ২ মার্চ নেতাজি ইনডোরে দলীয় সভায় বক্তব্য রাখবেন নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে তিনি তাঁর নতুন কর্মসূচির কথা ঘোষণা করবেন। সূত্রের খবর, দিদিকে বলো-র নতুন পর্যায় আসতে চলেছে। লক্ষ্য জনসংযোগ আরও মজবুত করা। দলের কাউন্সিলরদের নিজের এলাকায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে আড্ডার মেজাজে জনসংযোগে বাড়ানো নির্দেশ দেওয়া হতে পারে। জনবহুল এলাকা যেমন বাজার এলাকায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শও দেওয়া হতে পারে।
ইতিমধ্যেই প্রশান্ত কিশোরের টিম জেলার বিভিন্ন জায়গায় পৌঁছে গিয়ে প্রতিনিয়িত সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলছে। তাঁদের সমস্যা, অভাব-অভিযোগের খবরাখবর নিচ্ছে। সমীক্ষা রিপোর্ট তৈরি করে জমা দেওয়া হচ্ছে দলনেত্রীকে।

Eager to know.