কর্মীরা অক্লান্ত পরিশ্রম করে লাভের মুখ দেখালেও নরেন্দ্র মোদী বেচে দিতে চাইছিলেন বেঙ্গল কেমিক্যালসকে। মামলা হওয়ায় পারেননি এখনও। এর মধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে নতুন প্রাণের সঞ্চার বেঙ্গল কেমিক্যালসে। তারা হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন তৈরি করতে পারবে বলে জানিয়ে দিল রাজ্য ড্রাগ কন্ট্রোল। এই ওষুধ করোনায় খুব কার্যকরী। আমেরিকার হুমকি পেয়ে এই ওষুধ সে দেশে পাঠাতে বাধ্য হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। গুজরাটের থেকে তা পাঠানো হচ্ছে বলে খবর। রাজ্যে ইতিমধ্যেই এই ওষুধ পর্যাপ্ত পরিমাণে মজুত আছে। তবু চাহিদা বাড়ায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, বেঙ্গল কেমিক্যালস এই ওষুধ তৈরি করলে করুক। তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ওষুধ তৈরির ছাড়পত্র দিয়ে দিল রাজ্য ড্রাগ কন্ট্রোল। কাঁচামাল আগে আসত চীন থেকে। বেঙ্গল কেমিক্যালস অবশ্য কাঁচামালের জন্য নির্ভর করবে মুম্বাই, আমেদাবাদ ও হায়দরাবাদের উপর। দার্জিলিং-সহ পাহাড়ের বিভিন্ন জায়গাতেও সিঙ্কোনা চাষ হয়। পাহাড়েও আগে সিঙ্কোনা থেকে ওষুধ তৈরি হতো। প্রয়োজনীয় মেশিন কিনে সেখানেও ওষুধ তৈরির ব্যবস্থা করছে রাজ্য সরকার। কাঁচামালের জোগান ঠিক থাকলে মাসে তিন কোটি ওষুধ তৈরি করতে পারবে বেঙ্গল কেমিক্যালস। যদিও অকারণে এই ওষুধ খেতে বারণ করছেন চিকিৎসকরা।