দেশের প্রথম সাংসদ হিসেবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই প্রকল্প শুরুর আগেই ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল। কেউ যাতে অভুক্ত না থাকেন তা নিশ্চিত করতে ‘কল্পতরু’ প্রকল্প ঘোষণা করেছিলেন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর ধীরে ধীরে তা ছড়িয়ে পরে সারা পশ্চিম বাংলার বুকে। থালা বাজানো নয়, মানুষের থালায় ভাত তুলে দিয়ে তিনি দৃষ্টান্ত তৈরি করছিলেন। এই কর্মসূচি শুরু হয়েছিল রবিবার ১২ এপ্রিল থেকে।

এবার তাঁরই পথ অনুসরণ করলেন ঝাড়গ্রাম জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি দেবনাথ হাঁসদা। তাঁর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় বিনপুর বিধানসভার অন্তর্গত ঝাড়খণ্ড লাগোয়া সীমান্তবর্তী এলাকা চিঁচিঁড়ার চাউলিশোলে আজ থেকে শুরু করলেন ‘কল্পতরু’ কমিউনিটি কিচেন। যার শুভ সূচনা করেন বিনপুরের বিধায়ক খগেন্দ্রনাথ হেমব্রম।

বিনপুর বিধানসভার জামবনির ভূমিপুত্র দেবনাথ। নিজের হাতের তালুর মতো চেনে গোটা অঞ্চলটাকে। জানে এঁদের খাবার সংস্থান কতটুকু। বেশির ভাগ মানুষই দৈনিক রোজগারের ওপর নির্ভরশীল। গ্রামের ভাষায় বলে মুনিষখাটা। বিনিময়ে দিনান্তে মেলে সিধা। চাল, ডাল, তেল নুন। করোনার প্রভাবে সব বন্ধ। ফলে পেটে টান পরেছে। ভূমিপুত্র দেবনাথ এখন এদের মসীহা, মারাংবুরু। এ সব মেনেও নিয়েছে দেবনাথ হাঁসিমুখে।

দেবনাথ বললেন ‘কারোনা’-র বিরুদ্ধে লড়াই জিততে গেলে মানুষকে অভুক্ত রাখা চলবে না। এই মহামারী কবলিত সময়ে ‘কল্পতরু’ তাঁদের ঐক্যবদ্ধ চেতনার প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করতে সহায়তা করেছে। এই দুঃসময়ে অসহায় মানুষের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়াই একমাত্র মহৎ কাজ। সারা জেলা জুড়ে ৭৯টি গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে এই পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। যার লক্ষ্যমাত্রা ৩০,০০০ হাজার।
ছবি ও সংবাদ : সুদীপ্ত চক্রবর্তী
শুনুন দেবনাথ হাঁসদার কথা—