শিক্ষায় দেশের আধুনিক ও প্রাচীন সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, জ্ঞানার্জনের বিভিন্ন প্রক্রিয়াকে জায়গা করে দেওয়ার নামে গুজরাট সরকার স্কুলে গীতা পড়ানোর ব্যবস্থাটা যাকে বলে পাকা করে ফেললো। আগামি শিক্ষাবর্ষ থেকে সেই রাজ্যের ছয় থেকে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের সিলেবাসে আসন গ্রহণ করবে ভাগবৎ গীতা। কিছুদিন আগে সে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী বিধানসভায় এব্যাপারে সরকারি সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছেন। স্কুলে ধর্মগ্রন্থ পাঠের একটা তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা হাজির করেছে সংশ্লিষ্ট সরকার। তাদের মতে গীতার সঙ্গে পরিচিত হওয়ার মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীরা দেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক বৈচিত্রের সঙ্গে পরিচিত হবে। এতে তাদের চরিত্র ও মানসিকতা উন্নত হবে।
উদ্দেশ্য খুবই মহৎ কিন্তু বহু শিক্ষাবিদের মনে এ নিয়ে নানা প্রশ্নও উঁকি দিচ্ছে। সত্যি বলতে কি, কেন্দ্রীয় সরকারের নতুন জাতীয় শিক্ষানীতিতেই এই সিদ্ধান্তের বীজ বপন করা হয়েছিল। এই মতের প্রবক্তাদের দাবি এর মধ্যে দিয়েই ছাত্রছাত্রীরা প্রাচীন হিন্দু ধর্মের উন্নত আদর্শ, নীতি এবং মূল্যবোধগুলির সঙ্গে পরিচিত হবে। হিন্দু ধর্ম সম্পর্কে ভ্রান্ত এবং একপেশে ধারণাগুলি কাটাতে এই পাঠক্রম তাদের সাহায্য করবে। গীতা পাঠের প্রথম পর্বে ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রছাত্রীদের সর্বাঙ্গীণ শিক্ষণ পর্যায়ে এই ধর্মগ্রন্থ সম্পর্কে একটা সাধারণ ধারণা গড়ে দেওয়া হবে। দ্বিতীয় পর্বে নবম থেকে দশম শ্রেণীর ছাত্রছাত্রীদের পাঠ্যপুস্তকে গীতা হাজির হবে নানা গল্পের মাধ্যমে। মহাত্মা গান্ধী থেকে বিনোবা ভাবের জীবনে গীতা কীভাবে প্রভাব ফেলেছিল, পরিচালিত করেছিল তাদের, এই পর্বে তা বিভিন্ন কাহিনী ও ঘটনার মধ্যে দিয়ে তুলে হরা হবে। পাঠক্রমটি কিন্তু মোটেই ঐচ্ছিক নয় বরং মূল পাঠক্রমের অঙ্গ বলেই গুজরাটের শিক্ষাদপ্তর পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে। পরীক্ষায় এ নিয়ে প্রশ্নও আসতে পারে।

এটা হঠাৎ হচ্ছে এমন নয়, প্রস্তুতি বহুদিনের। গুজরাট কাউন্সিল অফ এডুকেশনাল রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং তৈরি করছে সপ্তম থেকে অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রছাত্রীদের মুদ্রিত এবং অডিও-ভিস্যুয়ালস বিষয়। নবম থেকে দশম শ্রেণীর সিলেবাস তৈরি করার দায়িত্ব নিয়েছে গুজরাট মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা পর্ষদ। তাদের মতে গীতার মধ্যে দিয়ে মানবতাবাদ, সাম্য, কর্মযোগ, নিঃস্বার্থ মানবধর্ম থেকে শুরু করে ম্যানেজমেন্ট সবকিছু ছাত্রছাত্রীদের শিখিয়ে দেওয়া যাবে।
খুবই উচ্চাকাঙ্ক্ষী সঙ্কল্প, কিন্তু ছাত্ররা এটা কতটা নিতে পারবে সে প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে। বলা হচ্ছে স্কুলের প্রার্থনা, পাঠক্রম, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সবকিছুতেই গীতা গুরুত্ব পাবে। কিন্তু অন্য ধর্ম থেকে আসা মানুষরা যদি ধর্মগ্রন্থ নির্ভর পাঠক্রম নিয়ে প্রশ্ন তোলে, ধর্মগ্রন্থ পড়তে না চায়, তখন স্কুল কি করবে? সব ধর্মের মানুষদের কাছেই তাদের ধর্মগ্রন্থ সবচেয়ে বেশি মহৎ। এবার তারা সবাই যদি নিজেদের ধর্মগ্রন্থকে স্কুল শিক্ষার অন্তর্ভুক্ত করার দাবি তোলেন তাহলে সেই দাবির চাপে শিক্ষা পালাবে না তো?
SRIMAD BHAGAVAD GITA is a spiritual science that has been into existence since time immemorial. Though I need not prove the greatness of Indian Spiritualism by quoting the West yet I would like to state that GITA is regarded as the the world’s oldest Cognitive Behavioural Therapy ( CBT) by Psychiatirst and physicians. And such wouldn’t be given without any justification by the Western Scholars. To add, I would like to make you remember Srimad Bhagavad Gita is taught to prisoners irrespective of their religion. There are multiple examples where people of other faiths enchanted by the beauty of Gita , kept spreading the message of it to others. Since you mentioned about its acceptance by people of other religion I would like to mention you the fact that all of the Christain Missionary schools make it compulsory to read the Bible. Exams are even taken on it. Are you aware of it? I would like to question why is there a smell of biasness in the reporting? If preaching Bhagavad Gita isn’t secular then you must even Question and write about the Missionaries teaching Bible in their schools.