করোনার দাপটে সারা বিশ্ব জুড়ে হাহাকার পরে গেছে। উন্নত দেশগুলোতে আজ শুধুই মৃত্যু মিছিল। ভারতেও করোনা তার দাপট দেখাচ্ছে। আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে, ধীরে ধীরে বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যাও। আর বাড়ছে সাম্প্রদায়িকতার বিষ। করোনা আজকের দিনে যত না ভাইরাস তার থেকেও বেশি বোধহয় সাম্প্রদায়িক। কোনো একটা বিশেষ সম্প্রদায়কে করোনার সাথে জুড়ে দিতে পারলেই দায় ঝেড়ে ফেলে যায় খুব সহজেই। পরিযায়ী শ্রমিকদের বর্তমান পরিস্থিতিতেও সূক্ষ্মভাবে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে ধর্ম। এই আবহের মধ্যেও দেশ, রাজ্য কিংবা জেলার মধ্যে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা কয়েকটি ছবি সাম্প্রদায়িকতার বার্তা দিয়ে যায়। মানবিকতাই বড়ো হয়ে ওঠে। যেমন হাওড়ার একটি ছোট্ট ছবি।
হাওড়ার গ্রামীন এলাকা আমতার তাজপুরে স্থানীয় কিছু শ্রমিক দূরত্বের নিয়ম মেনেই বাগানে কাজ করছিলেন। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের এই শ্রমিকবন্ধুরা রোজা পালন করবেন বলে প্রতিদিনই সময়ের মধ্যেই বাড়িতে চলে যাচ্ছিলেন। কিন্তু এদিন তাঁদের বাড়ি ফিরতে কিছুটা দেরি হচ্ছে দেখে হাওড়া গ্রামীণ জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেস সভাপতি সুকান্ত পাল ফল ও অন্যান্য কিছু খাদ্য আনিয়ে নিজের বাড়িতেই ইফতারের ব্যবস্থা করলেন। ওঁর বাড়ির লোকজনের দায়িত্ব ও আন্তরিকতা দেখে রফিকুল নজিবুররা আর না করেননি। এই সম্প্রীতির ছবি আমাদের একতাকে আরো দৃঢ় করে। ধর্মীয় ভেদাভেদ নয় মানবতার বার্তাকে তুলে ধরে বারবার।