লকডাউনের নিয়ম অনেকে মানছেন। আবার অনেকে সেই নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ভিড় করছেন বাজারে। এই অবস্থায় নতুন পদক্ষেপ করছে কলকাতা কর্পোরেশন। মঙ্গলবার ৭ এপ্রিল মেয়র ফিরহাদ হাকিম বলেন, দোকানগুলির সামনে ইতিমধ্যেই গোল দাগ কাটা হয়েছে। এবার বাজারের দুই দিকে ব্যারিকেড করা হবে। নির্দিষ্ট সংখ্যক মানুষ প্রথমে বাজারে ঢুকবেন। তাঁরা বেরিয়ে এলে অন্যরা যাবেন।
মেয়র আরও বলেন, শবেবরাতে এবার কারও কবরস্থানগুলিতে যাওয়ার দরকার নেই। শীতলাপুজো বা অন্নপূর্ণা পুজো সবাই ছোটো করে বাড়িতে করেছেন। তেমনই অনেকে মসজিদে না গিয়ে বাড়িতে নমাজ পড়ছেন শবেবরাতের দিন বাড়ি থেকেই প্রিয়জনের আত্মার শান্তি কামনা করুন। করোনা পরিস্থিতি কেটে গেলে সকলে কবরস্থানগুলিতে গিয়ে শ্রদ্ধা জানাবেন।

এদিকে, বর্তমানে হোম কোয়ারেন্টিনে থাকা কলকাতা পুরসভার মুখ্য স্বাস্থ্য উপদেষ্টা তরুণ কুমার মুখোপাধ্যায় জানান, ২২ নম্বর জগবন্ধু লেনের, বউবাজারের বাসিন্দা এক মহিলা কিছুদিন আগেই বিভিন্নরকম শারীরিক সমস্যা নিয়ে তাঁর কাছে আসেন, মূলত একটি এক্সরে রিপোর্ট দেখাতে। সর্দি, কাঁশি, জ্বর থাকায় এক্সরে করতে বলা হয়েছিল। প্রথমে অন্য একজন ডাক্তারের চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। এরপরে এক্সরে রিপোর্ট নিয়ে ফাইনাল পরামর্শ নিতে এসেছিলেন। কিন্তু রিপোর্টে অসঙ্গতি মেলায় হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার নিদান দেন তিনি। পরে ওই মহিলার করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসে। বর্তমানে ওই মহিলা অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এরপরই স্বাস্থ্য দফতর থেকে ১৪ দিন হোম কোয়ারেন্টিনে থাকতে বলা হয় তরুণবাবুকে। যদিও প্রথম দিন থেকেই নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখেই ওই রোগীকে দেখেছিলেন বলেই জানান কর্পোরেশনের মুখ্য স্বাস্থ্য উপদেষ্টা। তবু স্বাস্থ্য দফতরের নিয়ম মেনে চলছেন, ভালোই আছেন।