করোনাকালে স্কুল-কলেজ-ইউনিভার্সিটি সবই প্রায় বন্ধ। এক বছরের বেশি সময় ধরে অনলাইনেই যাবতীয় পঠনপাঠন চলছে। এই পদ্ধতি আগামী দিনে বিকল্প হয়ে উঠবে কিনা তা নিয়েও যুক্তি, পাল্টা যুক্তি আছে। তবে ক্লাসরুম টিচিংয়ের বিকল্প যে আর কিছুই হতে পারে না, তা সব শিক্ষকই মানছেন। কিন্তু করোনা ও লকডাউন পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়েই অনলাইন শিক্ষায় যেতে হয়েছে।
কেউ বলছেন এখনও যা পরিস্থিতি তাতে অনলাইনে পড়াশোনা চললেও ভবিষ্যতে সেই ক্লাসরুমেই ফিরে আসতে হবে। একটানা অনেকটা সময় মোবাইলের দিকে তাকিয়ে থাকতে পড়ুয়াদের মধ্যে একঘেয়েমি এসেছে। অনলাইনে শিক্ষা চললেও এই পদ্ধতির ওপর নির্ভরশীল হওয়া ঠিক হবে না। পরিস্থিতির উন্নতি হলে ফের ফিরে আসত হবে ক্লাসরুমেই।
তবু এত ধরণের অসুবিধার মধ্যেও পঠন-পাঠান, পরীক্ষা হয়েছে এবং ফলও প্রকাশিত হয়েছে। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় মাস্টার ডিগ্রীতে ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট হয়েছেন হুগলী জেলার গোঘাটের কুমুড়শা অঞ্চলের হরিহরপুর গ্রামের প্রীতি দে।
প্রীতির এই সাফল্যে তার বাড়ির সবাই যেমন খুশী তেমনই এলাকার মানুষও আনন্দিত। গ্রামের নাম উজ্জ্বল করার জন্য এদিন তার বাড়িতে গিয়ে সংবর্ধনা জানান গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান উত্তম কুমার মোদী। প্রধান ছাড়াও এদিন তাকে সংবর্ধনা জানান উপ-প্রধান অরুনাংশ চ্যাটার্জী, কার্যকরী সভাপতি কাজল রায়, ছাত্রনেতা আশিক হাসান-সহ আরো অনেকে।
গ্রাম প্রধান উত্তম কুমার মোদী জানিয়েছেন, প্রীতি যাতে আগামীদিনে আরো বড়ো হতে পারে এবং নিজের লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারে তার জন্য তাদের যা যা করণীয় সবকিছুই করা হবে। তার পড়াশোনার উন্নতির ক্ষেত্রে কোনো খামতি রাখা হবে না।
অন্যদিকে প্রীতি জানিয়েছেন, তিনি বাংলা সাহিত্য নিয়ে গবেষনায় আগ্রহী। তিনি পিএইচডি করে অধ্যাপনা করতে চান।