ঝাড়গ্রামে ইয়াসের তেমন প্রভাব চোখে পড়েনি। তবে ইয়াসের প্রভাবে ঝাড়খণ্ডের বেশ কিছু এলাকায় তুমুল বৃষ্টি হওয়ায় গালুডি জলাধার থেকে সুবর্ণরেখা নদীতে ছাড়া হয় ৩ লক্ষ্য কিউসেক জল। ফলে সুবর্ণরেখা নদীর বেশ কিছু উপকূল সংলগ্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছিল। তারপর গত কয়েকদিন ধরে দফায় দফায় চলছে বৃষ্টিপাত। এর ফলে ঝাড়গ্রাম জেলার গোপীবল্লভপুর-২ নং ব্লকের চোরচিতা-১ ও ভামাল এলাকার নদী ভাঙ্গনে ক্রমশ বাড়ছে আশঙ্কা ও উদ্বেগ।
প্রতি বছরই গালুডি জলাধার থেকে জল ছাড়া হয়। এতে ঝাড়গ্রামের গোপীবল্লভপুর ১ ও ২ ব্লক, সাঁকরাইল এবং নয়াগ্রাম এই চারটি ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এবারও জেলা প্রশাসনের তরফ থেকে ব্লক ও নদী তীরবর্তী এলাকার মানুষজনকে ক্রমাগত সতর্ক করা হয়েছে।

শনিবার ঝাড়গ্রাম জেলার গোপীবল্লভপুর-২ নং ব্লকের চোরচিতা-১ নং অঞ্চলের চোরচিতা ও ভামাল এলাকায় নদী ভাঙ্গন পরিদর্শন করলেন জলসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী মানসরঞ্জন ভুঁইয়া, হুমায়ুন কবীর; কারিগরি শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী, শ্রীকান্ত মাহাত; ক্ষুদ্র,ছোট,মাঝারি,শিল্প ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী, বীরবাহা হাঁসদা; বনপ্রতিমন্ত্রী।এছাড়াও হাজির ছিলেন দুলাল মুর্মু; বিধায়ক,নয়াগ্রাম, দেবনাথ হাঁসদা; বিধায়ক,বিনপুর বিধানসভা, খগেন্দ্র নাথ মাহাত; বিধায়ক, গোপীবল্লভপুর বিধানসভা, মাধবী বিশ্বাস; সভাধিপতি,ঝাড়গ্রাম এবং টিঙ্কু পাল; সভাপতি গোপীবল্লভপুর-২নং ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস কমিটি।
পরিস্থিতি দেখে ঘটনাস্থল থেকেই জলসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী মানসরঞ্জন ভুঁইয়া চিফ ইঞ্জিনিয়রকে ফোন করে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে বলেন।তিনি বলেন এই মুহুর্তে ভামাল এলাকার যা অবস্থা তাতে বাঁধ না দিলে খুব দ্রুত গ্রামটি জলে তলিয়ে যাবে।

প্রসঙ্গত রবিবার সন্ধ্যায় মুখ্যমন্ত্রীর ঝাড়্গ্রামে যাওয়ার কথা। তার আগে ফুলে ফেঁপে ওঠা সুবর্ণরেখার তাণ্ডবে ঝাড়গ্রাম জেলার গোপীবল্লভপুর-২ নং ব্লকের চোরচিতা-১ ও ভামাল এলাকার নদী ভাঙ্গন পরিদর্শনে হাজির হয়েছিলেন উল্লেখিত মন্ত্রী ও বিধায়করা।