বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসার একটি বিশেষ পদ্ধতি হল টেস্ট টিউব বেবি। এই পদ্ধতিরও বিভিন্ন কৌশল রয়েছে। আইভিএফ বা ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন পদ্ধতি হল তাঁদের মধ্যে একটি। ল্যাপারোস্কপিক পদ্ধতিতে স্ত্রীর পরিণত ডিম্বাণু অত্যন্ত সতর্কতার সাথে বের করে এনে সেটিকে প্রক্রিয়াজাতকরণের পর ল্যাবে সংরক্ষণ করা হয়। যেটি করতে সময় লাগে মাত্র ২০ থেকে ৩০ মিনিট।
অন্যদিকে একই সময়ে স্বামীর অসংখ্য শুক্রাণু সংগ্রহ করে ল্যাবে বিশেষ প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে তার থেকে বেছে নেওয়া হয় সবচেয়ে ভালো জাতের কিছু শুক্রাণু। তারপর অসংখ্য সজীব ও সক্রিয় শুক্রাণুকে ছেড়ে দেওয়া হয় নিষিক্তকরণের লক্ষ্যে রাখা পেট্রিডিশ-এ। ডিম্বাণু ও শুক্রাণুর এই পেট্রিডিশ-টিকে তারপর সংরক্ষণ করা হয় মাতৃগর্ভের পরিবেশের অনুরূপ একটি ইনকিউবেটর-এ।
অনেকের মনে এখনও প্রশ্ন রয়ে গিয়েছে, টেস্ট টিউব সন্তান ও সাধারণ নিয়মে জন্ম নেওয়া দুটি মানবের মধ্যে কি কোনও পার্থক্য আছে? এ বিষয়ে অভিজ্ঞ চিকিৎসক গৌতম খাস্তগির জানালেন…
টেস্ট টিউব বেবি সম্পর্কে অনেক রকম ভুল ধারণা রয়েছে। টেস্ট টিউব বেবি– এই শব্দগুলো থেকেই অনেকের মনে ভুল ধারণার জন্ম হয়েছে। এই কারণে অনেকেই মনে করেন, টেস্ট টিউব বেবির জন্ম হয় টেস্ট টিউবের মধ্যে। আবার কেউ কেউ মনে করেন, টেস্ট টিউব বেবি কৃত্রিম উপায়ে জন্ম দেওয়া কোনও শিশু। কাজেই কৃত্রিম উপায়ে এভাবে সন্তান লাভে ধর্মীয় বাধা থাকতে পারে। কিন্তু টেস্ট টিউব বেবির বিষয়টি মোটেই তা নয়। বিভিন্ন রোগের যেমন নানা চিকিৎসা পদ্ধতি রয়েছে, এটিও তেমন একটি চিকিৎসা পদ্ধতি…
ছবি : অভিষেক সামন্ত, ভিডিও : চয়ন বন্দ্যোপাধ্যায়