করোনা মোকাবিলায় মডেল ব্যর্থ রাজ্যের উপমা পেতেই পারে মোদীজির সাধের রাজ্য গুজরাট। গুজরাটের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি তো তাই বলছে। মঙ্গলবার দেশের মধ্যে একদিনেই সর্বোচ্চ মৃত্য হয়েছে গুজরাটে। মোদীজির রাজ্যে করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা যান ৪৯ জন। এই অতি শোচনীয় অবস্থার পেছনে রয়েছে চূড়ান্ত দায়িত্বজ্ঞানহীনতা আর চরম গাফিলতি, উঠেছে এমন বহু অভিযোগ। করোনা মোকাবিলায় গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানি যে পুরোপুরি ব্যর্থ তা একপ্রকার মেনে নিয়েছে বিজেপির হাই কম্যান্ড ও কেন্দ্রীয় সরকার। করোনা রুখতে রূপানিবাবুর কাজকর্ম নিয়েও চরম অসন্তুষ্ট স্বয়ং নরেন্দ্র মোদী। বাংলায় একটা কথা আছে “ছাগল দিয়ে কি লাঙ্গল চাষ হয়”- তাই রূপানিবাবুর বুদ্ধিতে যে করোনা পরিস্থিতি আয়ত্তে আনা সম্ভব নয় সেটা বুঝতে পেরেই কেন্দ্র যে এবার হস্তক্ষেপ করছে তা স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী রূপানি ঘনিষ্ঠ কিছু পদস্থ কর্তা নিজের ইচ্ছেমতো কাজ করতেন বলেও অভিযোগ শোনা গেছে বারবার।
সূত্রের খবর, দিল্লির নির্দেশ পাওয়ার পর গুজরাটের দুই পদস্থ কর্তার গুরুত্ব কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। এরা দুজনেই মুখ্যমন্ত্রীর আস্থাভাজন।
এদিকে আবার হাটে হাঁড়ি ভেঙেছেন গুজরাট মন্ত্রিসভার দুই সদস্য। সূত্রের খবর, রূপানিবাবুর দুই কাছের মন্ত্রী নাকি রূপানিবাবুর কাজকর্ম নিয়ে নালিশ জানিয়েছেন শাহ বাবুর কাছে। করোনা মোকাবিলায় দফতরগুলোর মধ্যে কোনো সমন্বয় ছিল না, সে অভিযোগ করেন তাঁরা।
বিজেপি সরকারের এমন কাছাখোলা অবস্থা হবে তা স্বপ্নেও ভাবতে পারেননি বিজেপি নেতারা।
নিজের রাজ্যের হাল যদি এমন হয় তাহলে বিজেপি দেশ সামলাবে কি করে প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধীরাও।