দাগ কাটতে পারল না বিরোধী দলগুলোর সম্মিলিত ‘রামধনু জোট’। গ্ৰামবাংলার স্থানীয় সরকার গঠনের পঞ্চায়েত নির্বাচনে জিতে গেল লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, কন্যাশ্রী, সবুজ সাথী ইত্যাদি প্রকল্প সহ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের উন্নয়ন। এক কথায় বাংলার আস্থা লক্ষ্মীর ভাণ্ডারেই। এমনই মন্তব্য হুগলি জেলা পরিষদের দুই হেভিওয়েট প্রার্থী আলহাজ্ব সেখ মেহবুব রহমান ও মানস মজুমদার। এবারে হুগলি জেলা পরিষদের ৪৩ নম্বর আসনে তৃণমূল কংগ্রেসের মনোনীত প্রার্থী ও দুবারের জেলা সভাধিপতি মেহবুব সাহেব ১৬,৮০০ ভোটে জয়লাভ করেছেন। যা উল্লেখযোগ্য ফল বলা যেতে পারে। খানাকুলের-১ ব্লকের হেলান, তাঁতিশাল, অরুণ্ডা, খামারগোড়ী, বালীপুর, মইখণ্ড ইত্যাদি এলাকায় বিরোধী বিজেপি ও সিপিএমের শক্ত গড়ে লড়াই জমে উঠেছিল। কিন্তু মমতার উন্নয়নে বিরোধী গড়ে ধ্বস নেমেছে। আর মেহবুব সাহেবের স্বচ্ছতার প্রতীক ও ভাবমূর্তিকে সম্মান জানিয়ে ভোটব্যাঙ্ককে শক্তপোক্ত করেছে এলাকার মানুষ। ভোটে জয়লাভ করে মেহবুব সাহেব প্রথমেই সেই সমস্ত মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা, সালাম ও প্রণাম জানাতে ভোলেননি। তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর মানুষের ভরসা আছে। আগামী দিনে উন্নয়নে বাংলায় জোয়ার আসবে। সোনার বাংলা উপহার দেবেন দিদি। জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত মানুষের পাশে আছেন আমাদের মুখ্যমন্ত্রী।
এদিকে আর এক হুগলি জেলা পরিষদের-১৯ নম্বর আসনে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী মানস মজুমদার ১১,৫৩৯ ভোটে জয়লাভ করেন। পাণ্ডুয়া ব্লকের সিমলাগড়, বৈঁচি, হরাল, দাসপুর জামনা, বাটিকা, কোঁচমালি, ভিটাসিন ইত্যাদি এলাকায় মানুষের হৃদয় দুয়ারে কড়া নেড়ে আশীর্বাদ পেয়েছেন। মানসবাবু বলেন, আগামী দিনে মানুষের উন্নয়নে পাশে থাকাই হবে মুখ্য উদ্দেশ্য। বাংলার মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একগুচ্ছ প্রকল্পের উন্নয়ন কথা মনে রেখেছেন। উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে গোঘাট থেকে বিধায়ক নির্বাচিত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের একনিষ্ঠ সৈনিক হিসেবে আগামী দিনেও তিনি কাজ করে যেতে চান।