প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী শেষবার অযোধ্যা গিয়েছিলেন, ২০২০-র ৫ অগাস্ট। ওই দিন তিনি মন্দিরের শিলান্যাস করেন। ফের যাচ্ছেন ২২ জানুয়ারি ২০২৪। ওই দিন মন্দিরের উদ্বোধন করবেন তিনি। ধর্মনিরপেক্ষ দেশের প্রধানমন্ত্রী কি এ কাজ করতে পারেন? সাম্প্রতিককালে, বিশেষ করে ২০১৪-তে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে এখনও পর্যন্ত মাত্র একবার অযোধ্যার মন্দির চত্বরে গিয়েছেন তিনি। এমনকী গত ২৮ ডিসেম্বর ২০২৩ তিনি অযোধ্যায় নতুন বিমান বন্দর, এক্সপ্রেসওয়ে, আধুনিক রেল স্টেশনের উদ্বোধন করেছেন। জনসভায় ভাষণ দিয়েছেন। কিন্তু ঢিল ছোড়া দূরে অযোধ্যায় নির্মীয়মাণ রাম মন্দির এলাকায় যাননি। অযোধ্যা সার্কিট হাউসে বসেই মন্দির নির্মাণের কাজ পর্যালোচনা করেছেন।
১৯৮৬ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি তদানীন্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী বাবরি মসজিদে ঢোকার তালা খুলে বিতর্ক সৃষ্টি করেন। ভারতের সাবেক তথ্য কমিশনার ও অবসরপ্রাপ্ত আমলা ওয়াজাহাত হাবিবুল্লাহ তখন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে একজন তরুণ কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োজিত। ‘মাই ইয়ার্স উইথ রাজীব’ বইতে মি হাবিবুল্লাহ লিখেছেন, অযোধ্যার ওই ঘটনার মাসকয়েক পর তিনি যখন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিমানে খরাকবলিত গুজরাট সফরে যাচ্ছিলেন তখন তিনি কথাপ্রসঙ্গে অযোধ্যা নিয়ে জানতে চেয়েছিলেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন করেন, অযোধ্যার তালা খুলে দিয়ে কী লাভ হল? তার চেয়ে কংগ্রেস নিজেদের ধর্মনিরপেক্ষ চরিত্র বজায় রাখলেই তো ভালো করতো, এবং দক্ষিণপন্থীরাও এটাকে নিজেদের জয় হিসেবে জাহির করার সুযোগ পেত না!
জবাবে রাজীব গান্ধী বলেছিলেন, “আসলে আমি এই ঘটনার কথা কিছুই জানতাম না। রায় ঘোষণা হয়ে গিয়ে তালা খুলে দেওয়া পর্যন্ত আমাকে এ বিষয়ে কেউ বিন্দুবিসর্গ কিছু জানায়ইনি!” তিনি আরও জানান, তখনকার স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অরুণ নেহরু ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সচিব মাখনলাল ফোতেদারই এ ব্যাপারে ‘কলকাঠি’ নেড়েছেন বলে তার সন্দেহ — দিল্লি ফিরেই তিনি বিষয়টা নিয়ে ভালো করে খোঁজখবর নেবেন।
রাম মন্দির ইস্যু ১৯৯১ সালের ভোটে বিরাট প্রভাব ফেলেছিল। সে সময় লোকসভা ভোটে বিহার, উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, দিল্লি, মহারাষ্ট্র ও গুজরাটে ছিল হিন্দুত্বের প্রবল হাওয়া। তারমধ্যে সদ্য শেষ হওয়া রামানন্দ সাগরের ‘রামায়ণ’ সিরিয়াল ১৯৮৭-৮৮ সালে টানা ৭৮ এপিসোড ধরে চলেছিল। প্রতি রোববার সকালে দূরদর্শনে রামায়ণের টেলিকাস্ট শুরু হওয়া মাত্র রাস্তাঘাট ফাঁকা হয়ে যেত, কোটি কোটি মানুষ সব কাজ ফেলে টেলিভিশনের সামনে বসে পড়তেন। সমাজতাত্ত্বিকরা বলে থাকেন ভারতে রামমন্দিরের পক্ষে জনমত তৈরিতে এই ‘কাল্ট’ সিরিয়ালের একটা বড় অবদান ছিল। রামায়ণের চরিত্রাভিনেতারাও এতটাই জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন যে ‘সীতা’ চরিত্রে অভিনয় করা দীপিকা চিকলিয়া বা ‘রাবণে’র চরিত্রাভিনেতা অরবিন্দ ত্রিবেদীকে ১৯৯১-র লোকসভা নির্বাচনে যথাক্রমে গুজরাটের বরোদা ও সবরকান্থা থেকে জিতিয়ে এমপি করে আনতে বিজেপির কোনও সমস্যাই হয়নি। অনেক পরে ২০২১ সালে রাম চরিত্রের অভিনেতা অরুণ গোভিলও বিজেপিতে যোগ দেন। ‘রাবণ’ অরবিন্দ ত্রিবেদী বছর দুয়েক আগে মারা গেছেন, কিন্তু ২২ জানুয়ারির প্রাণপ্রতিষ্ঠা সমারোহে ‘রাম’ অরুণ গোভিল ও ‘সীতা’ দীপিকা চিকলিয়া দু’জনেই হাজির থাকছেন।
তবে ১৯৯১ সালের ২১ মে রাজীব গান্ধী নিহত হওয়ায় দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্বের ভোট তিন সপ্তাহ পিছিয়ে গিয়েছিল। যদি নির্ধারিত দু’দিনে ভোট হতো তাহলে বিজেপির আসন সেবার ১১৯ নয়, অন্তত ১৫০ হতো। কংগ্রেসের পক্ষে সরকার গড়া ও ৫ বছর টিকিয়ে রাখা কঠিন হতো। তবে ৩৩ বছর পর সেই রামাবেগ এখন আর নেই। গত শতকের শেষ দিকেই সেটা স্যাচুরেট করে গেছে। বিরোধীরা গুরুত্ব না দিলেই ভালো করবেন।
রাম মন্দির ইস্যু ১৯৯০ সালে বিজেপিকে বুস্ট-আপ করেছিল। চিন্তাভাবনায় পিছিয়ে থাকা ভোটারদের রাম মন্দির তৈরির ভাবনা প্রভাবিত করবে এটা বিজেপির বিচক্ষণ নেতারা বুঝেছিলেন। ১৯৮৯ সালের ১৩ থেকে ১৫ জুন হিমাচলপ্রদেশের পালানপুরে বিজেপির জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক বসে। তখন লোকসভায় বিজেপির মাত্র ২ জন সদস্য ছিলেন। লালকৃষ্ণ আদবানি সেই বৈঠকেই বলেছিলেন, লোকসভার সদস্য সংখ্যা অনেকটা বৃদ্ধি করতে হবে এবং পার্টিকে পাঁচ রাজ্যের বাইরে ছড়িয়ে দিতে হবে। এ জন্য দুটি কৌশল নিতে হবে। ক) কংগ্রেস ভেঙে বেরনো ভি পি সিংয়ের নেতৃত্বাধীন জনতা দলের সঙ্গে নির্বাচনি সমঝোতা করতে হবে। খ) অযোধ্যায় রাম মন্দির গড়ার বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কর্মসূচিকে মদত দিতে হবে। আদবানির সেই দ্বিমুখী কৌশল মাত্র পাঁচ মাস পরে নভেম্বরের লোকসভা ভোটে বিজেপির সাংসদ সংখ্যা ২ থেকে ৮৬তে পৌঁছে দিল।
অযোধ্যা কর্মসূচি জোরদার করতে ভার দেওয়া হলো সুন্দর সিং ভান্ডারী, নানাজি দেশমুখ, মরোপন্থ পিংলে প্রমুখ বিজেপি নেতাদের। এঁরা সব আরএসএসের দক্ষ নেতাও বটে। লোকসভা ভোটের ২ মাস আগে সারা দেশ থেকে রামশীলা নিয়ে মিছিল বেরোয়। বহু জায়গায় সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা দেখা দেয়। জ্যোতি বসু বলেছিলেন, ঘরে বসে ইটপুজো করুন, প্রকাশ্যে নয়। কিন্তু আরএসএসের সমর্থকরা প্রকাশ্যে ইট মাথায় নিয়ে যায়, ১ টাকা ২৫ পয়সার কুপন কাটে। তা থেকে তখনই সাড়ে ৮ কোটি টাকা উঠেছিল।
৫ অগাস্ট ২০২০ প্রধানমন্ত্রী রাম মন্দিরের শিলান্যাস করলেন। শিলান্যাস তো একবার হয়েইছিল — ১৯৮৯ সালের লোকসভা ভোটের ১৪ দিন আগে ৮ ও ৯ নভেম্বর ভূমিপুজো ও শিলান্যাস হয়েছিল। যদিও তখন সেটা বিবাদিত স্থল ছিল। ওখানে শিলান্যাস যাতে না হয় সেজন্য তদানীন্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী, তাঁর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বুটা সিং ও তদানীন্তন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী নারায়ণ দত্ত তিওয়ারি বৃন্দাবনে মাচানবাবার কাছে গিয়েছিলেন। হিন্দি বলয়ে মাচানবাবা তখন ছিলেন এক নম্বর ‘বাবা’। কিন্তু মাচানবাবা বলেছিলেন, শিলান্যাস করতে দাও। রাজীব গান্ধী সে কথা অমান্য করতে পারেননি। শিলান্যাস হয়েছিল। যার জেরে ভাগলপুরে বিরাট দাঙ্গা লাগে। ১৯৯০ সালের ২৬ জানুয়ারি আরএসএসের মুখপত্র অরগানাইজারে সম্পাদক কে আর মালকানি লিখেছিলেন, “It was a trap laid before the congress. If shilanyas was disallowed hindu voters would have gone against congress. When it was allowed muslim voters went against it.”
১৯৯০ সালের ৩০ অক্টোবর অযোধ্যায় ছিল করসেবা। আদবানি রথযাত্রায় বেরিয়ে ৬ দিন আগে সমস্তিপুরে গ্রেফতার হয়েছিলেন। করসেবা আটকাতে মুলায়ম সরকার ফৈজাবাদ তো বটেই গোন্ডা, বস্তি, সুলতানপুর, বারাবাঙ্কি এমন সব জেলাতেও ৫ দিন আগে থাকতে একটানা কারফিউ জারি করছিল। বেনারস থেকে অযোধ্যা হয়ে লখনউ যাওয়ার ট্রেন ৭ দিন আগে থাকতেই বন্ধ করেছিল। সারা ভারতের যত আধা সামরিক বাহিনী আছে সবাইকে ডিউটি দেওয়া হয়েছিল অযোধ্যায়। ২ মিটার অন্তর আধা সামরিক বাহিনীর জওয়ানরা দাঁড়িয়েছিলেন। কিন্তু ভোর ৫টায় দেখা গেল সরযূ নদীর ওপারে গোন্ডা জেলা থেকে ১০-১২ হাজার করসেবকের একটা বাহিনী অযোধ্যার দিকে এগোচ্ছে। মুখে স্লোগান ছিল ‘বাচ্চা বাচ্চা রাম কা, জনমভূম পর কাম কা, মন্দির ওহি বানায়েঙ্গে’। ঘোড়সওয়ার বাহিনী সরযূ সেতুর উপর করসেবকদের আটকায়। লাঠিচার্জ করে, টিয়ার গ্যাস ছোঁড়ে। কিছুক্ষণ পর জানা যায়, বিভিন্ন দিক থেকে হাজার হাজার করসেবক আসছে। বেলা ১০টায় বিশ্ব হিন্দু পরিষদের তদানীন্তন মহাসচিব অশোক সিঙ্ঘলের নেতৃত্বে কয়েকশো সাধু হনুমানগড়ি থেকে হৈ হৈ করে ঢুকে পড়ে বিতর্কিত জায়গায়। অবাক ব্যাপার জওয়ানরা কিছুই করে না। ৫ জন করসেবক মসজিদের মাঝের গম্বুজের উপর উঠে গেরুয়া পতাকা নাড়ায়। তা দেখে বিবিসির ভারতে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান সাংবাদিক মার্ক টুলি পকেট থেকে রেডিও ট্রান্সমিটার বের করে বললেন, মস্ক অ্যাটাকড। সারা পৃথিবী শুনল। মুখ্যমন্ত্রী বিরোধী থাকলেও জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারের সঙ্গে আরএসএসের গোপন যোগাযোগ ছিল। তাই বজ্র আঁটুনি ফস্কা গেরো হয়েছিল। ১৯৯১ সালের লোকসভা ভোটে দু’জনেই চাকরি ছেড়ে দিয়ে বিজেপিতে যোগ দেন। দু’জনকেই বিজেপি লোকসভার টিকিট দেয়।
১৯৯০ সালের ২০ অক্টোবর থেকে অন্তত ১৫ দিন সারা ভারতের সব কাগজের প্রথম পাতায় বড়ো বড়ো করে বেরতো রাম মন্দিরের খবর। ২ নভেম্বর ফের করসেবা করতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে ৬ জন করসেবক নিহত হন। এর মধ্যে হাওড়ার দু’টি ছেলে ছিল। এই গুলিচালনা বিজেপির পক্ষে যায়। বিজেপি ‘মৌলানা মুলায়ম’ বলে প্রচার করে হিন্দু ভোটারদের সংগঠিত করতে থাকে। ১৯৯১ সালের মে মাসে লোকসভা ও একইসঙ্গে হওয়া উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা ভোটে বিজেপির উত্থান ঘটেছিল। বিধানসভায় বিজেপি একাই সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়ে রাজ্য সরকার গড়ে।
অযোধ্যা পড়ে ফৈজাবাদ জেলায়। এই জেলার ভোটারদের ৮৬ শতাংশ গ্রামীণ। ৮৪ শতাংশ হিন্দু। উত্তরপ্রদেশে লোকসভা কেন্দ্রের নীচে ৫টি করে বিধানসভা থাকে। ফৈজাবাদের মধ্যে আছে অযোধ্যা, দরিয়াবাদ, রুদৌলি, মিল্কিপুর ও বিকাপুর। ১৯৯১ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত আটবার লোকসভা ভোট হয়েছে। ৫ বার জিতেছে বিজেপি। ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে বিজেপি জিতেছিল ৩৮ শতাংশ ভোট পেয়ে। কিন্তু মজার কথা হলো, শাইনিং ইন্ডিয়ার সময় ২০০৪ সালে বিজেপির লালু সিং মাত্র ২৫ শতাংশ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় স্থানে ছিলেন। ২০১৪ এবং ২০১৯ লালু সিং জিতেছেন রামাবেগে নয়, মোদীর ক্যারিশমায়।
এই লোকসভা কেন্দ্রের দুটি বৈশিষ্ট্য বলার মতো। ১৯৮৪ সালে এখানে কংগ্রেসের হয়ে জিতেছিলেন রাজীব গান্ধীর বন্ধু নির্মল ক্ষত্রী। নির্মলবাবু ১৯৮৪ থেকে ২০১৯ একটানা ৩৫ বছর এবং পরপর ১০টি লোকসভা ভোটে কংগ্রেসের টিকিট পেয়ে রেকর্ড গড়েছেন। ২০০৯ সালে তিনি দ্বিতীয়বারের জন্য জেতেন। এই কেন্দ্রে ১৯৮৯ সালে জিতেছিলেন সিপিআইয়ের রাজ্য সম্পাদক মিত্রসেন যাদব। মজার কথা হলো, মিত্রসেন পরপর ৮ বার দাঁড়ান, কখনও সিপিআই, কখনও সমাজবাদী পার্টি, কখনও বহুজন সমাজ পার্টির হয়ে।
২০০৪ সালের লোকসভা ভোটের মুখে গিয়ে ফৈজাবাদের ছবি পাল্টে গিয়েছে। নতুন প্রজন্মের ভোটারদের বেশিরভাগই আর রামাবেগে আপ্লুত নন। তাঁরা ভালো রোজগার, ফ্ল্যাট, গাড়ি, উন্নততর মোবাইল ফোন, ওয়াসিং মেসিন-সহ ভালো জীবনযাত্রার জন্য ছটফট করছেন। উদারবাদী অর্থনীতির প্রতিক্রিয়ায় তৈরি হওয়া ভোগবাদ ১৮ থেকে ৩৮ বছর বয়সি ভোটারদের প্রভাবিত করছে, যেটা মোট ভোটারের প্রায় ৫০ শতাংশ। একই কারণে বিজেপির নেতা বলে নয়, প্রতিদ্বন্দ্বীদের চেয়ে মিডিয়ায় দেখানো বেশি ক্যারিশমার লিডার মোদীকে পছন্দ করেছেন। কেন?
১৯৮৯ সালের ভোট থেকে ধর্ম না জাতপাত, কোনটা বেশি প্রভাবিত করছে ভোটারকে? ওবিসিদের জন্য ২৭ শতাংশ সংরক্ষণ চালু হওয়ার পর হিন্দি বলয়ে রাজনীতিই পাল্টে গেছে। ৮৪ শতাংশ হিন্দু অধ্যুষিত কেন্দ্রে বিজেপি একবারই ৪০ শতাংশের বেশি ভোট পেয়েছিল, ২০১৪ সালে। বিপরীতে ওই কেন্দ্রে সমাজবাদী পার্টি ও বহুজন সমাজ পার্টি প্রতিবারই ২০ শতাংশের আশেপাশে ভোট পেয়েছে। জাতপাতের বেড়া ভেঙে সব হিন্দুকে রাম মন্দির দেখিয়ে একজোট করতে পারেনি বিজেপি। যে দেশের শিকড়ে আছে বহুত্ববাদ, সেখানে এ কাজ করাও কঠিন। মোদী ম্যাজিক এখানে কাজ করবে না। ২০২৪-এর ভোটে সেই ক্যারিশমার উলটপুরান হতে পারে।
কভার ছবি ১৯৮৯র নভেম্বরে গুজরাটে সাংবাদিক সম্মেলন করছেন লালকৃষ্ণ আডভানি। পাশে বসা যুবক নরেন্দ্র মোদী
লেখাটা তৈরি করতে সাহায্য নেওয়া হয়েছে পেজফোরনিউজ-এর উপদেষ্টা সম্পাদক স্বর্গীয় দেবাশিস ভট্টাচার্য-এর কয়েকটা লেখা এবং বিবিসির কয়েকটা আর্টিকেল-এর।