যারা আমার আগের কিছু লেখা পড়েছেন তাঁরা জানেন যে আমার লেখার মূল বিষয়বস্তু হল দেশবিদেশের বিভিন্ন চলচ্চিত্রের ইতিহাস ও বিশ্লেষণ। সেই পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্বের বিভিন্ন ছবিতে (বিশেষতঃ পাশ্চাত্যে) নববর্ষের উৎসব পালন একটি বহুলব্যবহৃত মোটিফ (Motif) হিসেবে দেখা গেলেও, আজকে আমার লেখার বিষয় কিন্তু সিনেমা নিয়ে নয়। বরং, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের নববর্ষ উদযাপনের বিভিন্ন রীতি ও তাদের ইতিহাস নিয়েই এই নিবন্ধ।

আশা রাখি যে পাঠকগণের প্রায় সকলেই গ্রীক পুরাণের প্যান্ডোরা (Pandora) চরিত্রটির সাথে অল্পবিস্তর পরিচিত। যারা নন, তাঁদের জন্য সংক্ষেপে এই বালিকার কথা জানিয়ে রাখা প্রয়োজন বলে মনে করি। দেবাদিদেব জুপিটার যখন দেখলেন যে প্রমিথিউসের দেবতাদের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতায় নরকূল আগুনের ব্যবহার শিখে স্বনির্ভর হয়ে উঠছে এবং ফলস্বরূপ তাদের কাছে দেবতাদের তুষ্ট করার প্রয়োজন ক্রমশঃ ফুরিয়ে আসছে তখন বড়ই ক্রুদ্ধ ও চিন্তিত হয়ে পড়লেন। এমতাবস্থায় প্রমিথিউসকে ভয়ংকর শাস্তি প্রদানের পাশাপাশি, তিনি মানুষকে জব্দ করার আর একটি পরিকল্পনা করলেন — প্রমিথিউসের ভাই এপিমিথিউসের সাথে প্যান্ডোরার বিবাহের ব্যবস্থা করলেন। গ্রীক ভাষায় Pan শব্দটির অর্থ হল “সর্ব” এবং Dora শব্দটির অর্থ হল “উপহার”। স্বভাবতঃই এই বিবাহে উপহারের যাতে কোনও অভাব না হয় তা জুপিটার নিজে দায়িত্ব নিয়ে নিশ্চিত করলেন। বহু উপহারের মধ্যে একটি উপহার ছিল একটি মুখবন্ধ বাক্স যা জুপিটার নিজে হাতে প্যান্ডোরাকে প্রদান করলেন এবং তার সাথে নববধূকে সাবধান করে দিলেন যাতে কোনও অবস্থাতেই বাক্সের মুখ না খোলা হয়। কিন্তু বাক্সটিকে ঘিরে প্যান্ডোরার কৌতূহলের শেষ রইল না (যা জুপিটার আগেই অনুধাবন করেছিলেন) এবং নিজের ইচ্ছার কাছে শেষমেশ প্যান্ডোরাকে হার মানতে হল। বাক্সটি খোলামাত্র জগতের আপামর রোগ, দুঃখ, ক্লেশ, লোভ, হিংসা, ইত্যাদি উপাদান বেরিয়ে পড়ে মানবজাতির মধ্যে ছড়িয়ে পড়ল। জুপিটার অবশ্য মানবজাতিকে ধ্বংস করতে চাননি, বরং নিয়ন্ত্রণ করতে চেয়েছিলেন। আর তাই, সব কিছু খারাপ এবং ক্ষতিকারক উপাদান নির্গমনের পরেও বাক্সের মধ্যে বেঁচে ছিল “আশা”।
জাতি, ধর্ম, বর্ণ, এবং সংস্কৃতি নির্বিশেষে, পৃথিবীর সর্বত্র মানুষের কাছে নববর্ষ কিন্তু নতুন আশার ধারক ও বাহক হিসেবেই উদযাপিত হয়ে থাকে — তা সে বাংলার পয়লা বৈশাখ অথবা ইংরেজির পয়লা জানুয়ারি যাই হোক না কেন। প্রাচীন গ্রীক বা ল্যাটিন ভাষায় এখন আর কেউ কথা বলেন না এবং জুপিটার বা মার্সের পূজাও এখন আর কোথাও হয় না। কিন্তু প্যান্ডোরার গল্পের গুরুত্ব আজও এতটুকু খর্ব হয়নি। পুরাণ ও ইতিহাস অনেক সময়েই একে অপরের সাথে আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে থাকে। সেই মর্মে তাহলে এবার বিশ্বের বিভিন্ন জাতি, ধর্ম, ও সংস্কৃতির নববর্ষ পালনের ইতিহাস এবং রীতি নিয়ে কিঞ্চিৎ আলোচনা করা যাক — বিশেষ করে সেইসব সংস্কৃতি যাদের সাথে আমাদের অহরহ পরিচয় হয় না।

ব্যাবিলনের আকিতু উৎসব
এখন পয়লা জানুয়ারি গোটা বিশ্ব জুড়ে শব্দবাজি আর ডিজের উৎপাতে অন্যান্য সংস্কৃতির নববর্ষ পালন ম্রিয়মান দেখাতে পারে ঠিকই, কিন্তু এই গ্রিগোরিয়ান (Gregorian) নিয়মে বর্ষারম্ভের বহু শতাব্দী আগে, আরও নিখুঁত ভাবে বললে খ্রীস্টের জন্মের প্রায় ৪৫০০ বছর আগে থেকে, মেসোপটেমিয়ান (Mesopotamian) সভ্যতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নগর ব্যাবিলনে নববর্ষ উদযাপন হয়ে আসছে। এটি পৃথিবীর আদিমতম বর্ষবরণ উৎসবগুলির মধ্যে অন্যতম বলে অনেক ঐতিহাসিক মনে করে থাকেন। সাধারণতঃ পয়লা থেকে চৌঠা এপ্রিলের মধ্যে এই উৎসব পালন শুরু করা হয়ে থাকে এবং এটি চলে ১১ দিন ব্যাপী। উৎসবের নির্ধারিত সময় থেকে এটি সহজেই অনুমেয় যে আকিতুর সঙ্গে বসন্তের একটি নিবিড় যোগাযোগ আছে। প্রকৃতপক্ষে এই উৎসবের মধ্যে দিয়ে প্রাচীন ব্যাবিলনীয়রা উত্তরায়ণের শুরু পরিমাপ করতেন। নতুন ফসল উৎপাদনের সাথে সাথে এই বর্ষবরণ উৎসব নবজন্ম ও নতুন আশার বার্তা বহন করে আনত এবং সমাজের বিভিন্ন শ্রেণীবিভাগ সত্ত্বেও এই উৎসবে ব্যাবিলনের রাজা, রাজপুরোহিত, উচ্চবিত্ত বা Awilu, মধ্যবিত্ত বা Muskena এবং নিম্নবিত্ত বা Wardu সকলে এখানে সমান ভাবে অংশ নিতে পারতেন।
শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে বিভিন্ন ধ্বংসাত্মক ও রক্তক্ষয়ী অধ্যায়ের মধ্যে দিয়েও এই আকিতু উৎসব কিন্তু আজও পালন করা হয়ে থাকে। আকিতু উৎসবটি আসিরিয় নববর্ষ (Assyrian New Year) নামেও পরিচিত। এই বছর এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে আকিতুর ৬৭৭৫-তম বর্ষ উদযাপিত হতে চলেছে।

চীনা নববর্ষ
ব্যাবিলনের আকিতু উৎসবের মতো অতটা পুরানো না হলেও চীনা নববর্ষের উৎপত্তি খ্রীস্টের জন্মের প্রায় ১৬০০ বছর আগে। ইংরেজি বা বাংলা নববর্ষের মতো এই নববর্ষের দিন কিন্তু নির্দিষ্ট নয় – এটি ২১ জানুয়ারি থেকে ২০ ফেব্রুয়ারী এই এক মাস সময়ের মধ্যে যে কোনো পনের দিন ব্যাপী পালন করা হয়ে থাকে। এর কারণ আর কিছুই নয়, চীনা ক্যালেন্ডার চান্দ্রমাস অনুসারে হয়, সৌরমাস নয়। বাংলা বা ভারতে দুর্গাপুজো বা দীপাবলির মতোই চীনের অধিবাসিদের কাছে তাদের নববর্ষ উৎসব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং ব্যাবিলনীয় নববর্ষের মতো এটি এক প্রকার বসন্তোৎসব বা Chūnjié (春节) যা পরিবার, সৌভাগ্য ও অশুভ শক্তিকে দূরে রাখার বিভিন্ন ঐতিহ্যগত প্রথার মাধ্যমে উদযাপিত হয়। আমাদের দুর্গাপূজার মতো এই উৎসব শুরুর বেশ কয়েকমাস আগে থেকেই এই উৎসবের প্রস্তুতি শুরু হয়ে যায় বিভিন্ন আচার ও সংস্কার পালনের মাধ্যমে – বাড়ি ঘরদোর পরিষ্কার করা বা Dàsǎochú (大扫除), লাল লন্ঠন সহযোগে রাস্তা ঘাট এবং দোকানপাট সাজানো, নতুন জামাকাপড় কেনা, এসব কিছুরই আমাদের পুজোর তোড়জোড়ের সাথে বেশ মিল আছে।
নববর্ষের আগের দিনকে চীনারা বলে থাকেন Chúxī (除夕) এবং ওইদিন পরিবারের বিভিন্ন সদস্যরা একত্রিত হয়ে বছরের সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ ভোজনাষ্ঠুনে অংশগ্রহণ করেন। এই অনুষ্ঠানে চিরাচরিত চীনা পদ যেমন মোমো (Dumpling) যা সম্পদের প্রতীক এবং বিভিন্ন ধরণের মাছ ও চালের কেক পরিবেশন করা হয় যা সার্বিক উন্নতির প্রতীক হিসেবে গ্রাহ্য হয়। নববর্ষ উপলক্ষে টিভিতে নানারকম অনুষ্ঠানের সম্প্রচার দিনভর চলতে থাকে আর তার সাথে থাকে উপহার প্রদান। এই উৎসবে বড়রা সাধারণতঃ ছোটদের লাল খামে টাকা উপহার দিয়ে থাকেন এবং আশীর্বাদ প্রদান করে থাকেন। বাড়ির অবিবাহিত সদস্যদেরও এই লাল খাম দেওয়া হয়। নববর্ষ শুরু হলে তার পরবর্তী দিন পনের ধরে চীনারা ঘরদোর পরিষ্কার করা বন্ধ রাখেন পাছে সৌভাগ্য মুছে যায়। এই দিনগুলিতে রাস্তায় সিংহ ও ড্রাগনের নাচ এবং তার সাথে বাজি পটকা ফাটানোও সমান তালে চলতে থাকে। উৎসবের পনেরতম দিনে লন্ঠন উৎসব বা Yuánxiāo Jié (元宵节)-এর মাধ্যমে মিষ্টি চালের পিঠা সহযোগে উৎসবের সমাপ্তি ঘটে।

রোশ হাশানাহ (ইহুদি নববর্ষ)
রোশ হাশানাহ (Rosh Hashanah) হল ইহুদিদের নববর্ষ উৎসব, যা হিব্রু ক্যালেন্ডারের তিশরেই (Tishrei) মাসের প্রথম ও দ্বিতীয় দিনে পালিত হয়। এটি ইহুদি ধর্মের অন্যতম পবিত্র দিন এবং সাধারণত প্রার্থনা, আত্মপর্যালোচনা ও উৎসবের মাধ্যমে উদযাপিত হয়। রোশ হাশানাহ শব্দের অর্থ “বর্ষের শিরোনাম” বা “নতুন বছরের সূচনা”। রোশ হাশানাহর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল শোফার (শিঙের তৈরি বাদ্যযন্ত্র) বাজানো। এটি আত্মজাগরণ ও অনুশোচনার প্রতীক। সাধারণত শোফারটি সিনাগগে (Synagogue) বাজানো হয় এবং এটি মানুষকে অনুশোচনা ও নতুন বছরের জন্য প্রস্তুত হতে আহ্বান জানায়। রোশ হাশানাহকে “প্রত্যাবর্তনের সময়” (Teshuvah) হিসেবেও দেখা হয়, যেখানে মানুষ বিগত বছরের ভুলগুলোর জন্য অনুশোচনা করে এবং নিজেকে শোধরানোর প্রতিজ্ঞা করে। দশ দিনব্যাপী চলা এই উৎসবে ইহুদিরা একে অপরকে মিষ্টি, বেদানা, মাছের মুড়ো, এবং চাল্কা (Challah) রুটি পরিবেশন সহযোগে শুভেচ্ছা প্রদান করে থাকেন। ইয়ম কিপুর (Yom Kippur) বা প্রায়শ্চিত্ত দিবসের মাধ্যমে রোশ হাশানাহর সমাপ্তি ঘটে। এই ইহুদি নববর্ষ উৎসবটি পালিত হয় সেপ্টেম্বর মাসের শেষের দিকে এবং এখানে নতুন বছরের আশার সাথে সাথে বিগত বছরের অনুশোচনাকেও সমান মর্যাদা প্রদান করা হয়। খ্রীস্টপূর্ব ১০০০ সাল থেকে এই উৎসব চলে আসছে বলে মনে করা হয়।

ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে নববর্ষ উদযাপন
বাংলায় এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে যখন আমরা বৈশাখের কঠোর দাবদাহকে স্বাগত জানাই বিশ্বকবির কবিতায়, প্রায় ঠিক একই সময়ে ভারতের অন্যান্য প্রান্তেও পালিত হয় নববর্ষ, তবে একটু অন্য আঙ্গিকে। এদের মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হল —
মহারাষ্ট্রের গুড়ি পড়বা : এই উৎসব পালিত হয় চৈত্র মাসের প্রথম দিনে এবং নিয়মানুযায়ী এই দিন ঘরদোর পরিষ্কার করে আল্পনা বা রঙ্গোলী আঁকা হয়ে থাকে। এই দিন সনাতনী মারাঠী প্রথা অনুযায়ী ঘরের সামনে গুড়ি (রঙিন পতাকা ও নিম পাতার মালা) তোলা হয়, যা বিজয়ের প্রতীক হিসেবে গ্রাহ্য হয়। এই বিশেষ দিনে পরিবার ও বন্ধুদের সাথে মিশে গুড় ও ছোলার ডালের রুটি পুড়ন পোলি খাওয়ার রীতিও প্রচলিত আছে।

কেরালার বিশু : বাংলা নববর্ষের মতোই বিশু উৎসব পালিত হয় এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে। উৎসবের দিনটির সূচনা হয় বিশু কাণি দিয়ে; মালয়লাম ভাষায় যার অর্থ হল “যাকে প্রথম দর্শন করা হয়”। বিশু কাণির সময় গৃহস্থালি ফুল, চাল, আয়না, এবং মাটির জিনিসপত্র দিয়ে সাজানো হয় যা সৌভাগ্যের প্রতীক হিসেবে গণ্য করা হয়। এই বিশেষ দিনে বড়রা ছোটদের টাকা উপহার প্রদান করে থাকেন যাকে বিশু কাইনেট্টাম নামে অভিহিত করা হয়।
তামিলনাডুর পুথান্ডু : এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে অনুষ্ঠিত হয় তামিলনাডুর পুথান্ডু উৎসবও। এই উৎসবের আচার ব্যবস্থা অনেকটাই কেরালার বিশুর মতো। এখানেও দিনের শুরু হয় ফল, ফুল, টাকা, আয়না দিয়ে যাকে “কানি” বলা হয়। তামিলরা এই দিন মন্দিরে পুজো দিয়ে থাকেন এবং “মাঙ্গাই পাচড়ি“ (আম, গুড়, মসুর ডাল ও মশলার মিশ্রণ) খাবার খেয়ে থাকেন।
পাঞ্জাবের বৈশাখী : খুব ছোটবেলায় ডালহৌসি এবং ধরমশালা ভ্রমণের সৌজন্যে আমার বৈশাখী উৎসব চাক্ষুষ করার সৌভাগ্য হয়েছিল। বলা বাহুল্য বৈশাখীর চরিত্র বাংলার নববর্ষের চেয়ে অনেক বেশী জাঁকজমকপূর্ণ এবং লাউড। নাচ গানের শব্দে সে রাত্রে হোটেলে একফোঁটা ঘুম না হওয়া সত্ত্বেও এই দিনের স্মৃতি আমার কাছে এখনও যথেষ্ট মধুর। শিখ ধর্মাবলম্বীদের কাছে বৈশাখী একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন কারণ ১৬৯৯ সালের এই বিশেষ দিনে গুরু গোবিন্দ সিংজি খালসা পন্থের প্রত্যাবর্তন করেছিলেন। এইদিন বিভিন্ন গুরুদ্বারে লঙ্গরখানার ব্যবস্থা করা হয়ে থাকে।

অসমের বোহাগ বিহু : বোহাগ বিহুর সময়কালও আমাদের বাংলা নববর্ষের মতোই, অর্থাৎ এপ্রিলের মাঝামাঝি। বিহু নাচ এবং পিঠা, নাড়ু, দই-চিঁড়া ইত্যাদি পরিবেশনের মাধ্যমে অসমিয়রা বসন্তের শেষ এবং গ্রীষ্মের আগমন উদযাপন করে থাকেন।
শেষ কথা
শুরু করেছিলাম গ্রীক পুরাণের প্যান্ডোরার কাহিনী এবং মানব জীবনে আশার ভূমিকা নিয়ে। বিভিন্ন দেশের নববর্ষ উদযাপনের রীতিনীতির আপাত বিভেদ সত্ত্বেও নতুন বছর শুভ হওয়ার আশা কিন্তু জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সর্বত্রই সমান। কতিপয় মানুষের লোভ এবং প্রকৃতি ধ্বংস করার নেশায় এই আশার আলো ধীরে ধীরে ম্রিয়মান হয়ে আসছে। বিশ্বের সার্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে এখন প্রতিটি নববর্ষে দাবদাহের প্রকোপ তার আগের বছরের চেয়ে বেশী অনুভূত হচ্ছে। এই আশা যাতে না নিভে যায় তার দায়িত্ব আমাদেরই নেওয়া প্রয়োজন। অন্যথা প্রমিথিউসের উপহার মানবজাতির কাছে ভস্মে ঘি ঢালার সমতুল্য হয়ে উঠবে।
পেজফোরনিউজ-এর নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা ২০২৪-এ প্রকাশিত।
খুব ভালো লাগলো।
বড়মামা পা