করোনা মোকাবিলায় ঘরে বসে না থেকে পথে নেমে সাধারণ মানুষকে সচেতন করার কাজটা করে গেছেন নিয়মিত। লকডাউনের ফলে সাধারণ মানুষের যাতে খাদ্যসামগ্রী পেতে অসুবিধা না হয় সেই বিষয়টি আমতা-২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি হিসাবে সুকান্ত পাল দায়িত্ব নিয়ে দেখভাল করে চলেছেন।
সভাপতির দায়িত্ব সামলানোর পাশাপাশি সুকান্ত হাওড়া গ্রামীন জেলা যুব তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতিও বটে। তাই যুব স্তরের কর্মীদের থেকে নিয়মিত খোঁজখবর নিচ্ছেন বিভিন্ন এলাকার।

লকডাউনের ফলে গরিব, প্রান্তিক মানুষের সমস্যা হচ্ছে। দিন আনা দিন খাওয়া মানুষগুলো যাতে দুবেলা দুমুঠো খাবার পান সেই বিষয়টি প্রথম সুনিশ্চিত করেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিনা মূল্যে রেশন দেওয়ার কাজ করছে রাজ্য সরকার। এর পাশাপাশি জেলা গ্রামীন যুব তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি হিসাবে আমতা বিধানসভা কেন্দ্রের ৫ হাজার গরিব, প্রান্তিক পরিবারের হাতে চাল ও আলু তুলে দিচ্ছেন সুকান্ত পাল।
তিনি জানান, বাংলার মানুষকে করোনার করাল গ্রাস থেকে বাঁচাতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কীভাবে দিনরাত কাজ করে চলেছেন তা সবাই দেখছেন। আমরাও তার দেখানো পথে কাজ করে যাওয়ার চেষ্টা করছি। প্রান্তিক মানুষের যাতে কষ্ট না নয় সেটা আমরা দেখছি। করোনা নিয়ে সবাইকে বোঝাচ্ছি। একই সঙ্গে তিনি বিবি ধর গ্রামীন হাসপাতালের রোগীকল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান। এই স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে ইতি মধ্যেই ১২বেডের আইসোলেশন ওয়ার্ড গড়ে তোলা হয়েছে। ডাক্তার, নার্স-সহ চিকিৎসা কর্মী থেকে শুরু করে রোগীদের যাতে কোনো অসুবিধা না হয় সেটাও প্রতিদিন দেখভাল করছেন তিনি।