বুড়ো বয়সে ভীমরতি নয়। ইচ্ছে করে করোনা পরিস্থিতিতে সহযোগিতা না করে বড়ো বড়ো লেকচার মেরে চলেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। বঙ্গ বিজেপি নেতারা যেন তাঁর কাছে বাচ্চা! সাধে লোকে তাঁকে পদ্মপাল বলে? এর মধ্যেই এই ষড়যন্ত্রীমশাই আগুন নিয়ে খেলতে শুরু করেছেন।
বিজেপি নেতাদের সুরে সুর মিলিয়ে তিনি বলছেন, এ রাজ্যে জনসংখ্যা দেশের জনসংখ্যার ৭ শতাংশ। অথচ দেশের তুলনায় এ রাজ্যে করোনা পরীক্ষা কম হচ্ছে বলে জনগণকে উস্কানি দিচ্ছেন। কিন্তু চেপে যাচ্ছেন এ রাজ্যে ত্রুটিপূর্ণ কিট পাঠানোর কথা। তাঁর যেখানে বাড়ি সেই রাজস্থানেও ত্রুটিপূর্ণ কিট গিয়েছে বলে পরীক্ষা বন্ধ হয়েছে। এরপর দুদিন Rapid অ্যান্টিবডি টেস্ট দেশে বন্ধ রাখতে বলেছে আইসিএমআর। জেনেও জ্ঞানপাপী জগদীপবাবু। এ পর্যন্ত তবু ঠিক ছিল। কারণ, এ ধরনের লোককে হাজারবার বলেও কেউ শোধরাতে পারবে না! কিন্তু ষড়যন্ত্রীমশাই এবার আরও উস্কানি দিয়ে বড়ো ষড়যন্ত্র করছেন!
তিনি এবার করোনা যোদ্ধাদের সঙ্গে রাজ্য সরকারের সংঘাত লাগাতে উঠেপড়ে লেগেছেন।চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে নাকি রাজ্য সরকারের অবিশ্বাসের বাতাবরণ তৈরি হয়েছে। চিকিৎসকেরা নাকি রাজ্য সরকারের অডিট কমিটি, যারা করোনায় মৃত্যু নিশ্চিত করছে, তা গঠনের যৌক্তিকতা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন! কারা? নাম বলুন রাজ্যপাল বুকের পাটা থাকলে। অর্চনা মজুমদারদের মতো মার্কামারা বিজেপি ডাক্তারদের কথার কোনও দাম নেই। জেনে রাখুন, ওই কমিটিতে এতো বড়ো, নামি চিকিৎসকেরা রয়েছেন যাঁদের নখের যোগ্য নন বিজেপির ডাক্তাররা।
তাই বলি, আগুন নিয়ে সঙ্কটের সময় না খেলে ষড়যন্ত্রীমশাই থেমে থাক!