আসানসোলের সাংসদ বাবুল সুপ্রিয় ঘরে বসে মিথ্যা কথা বলে টুইটারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করে চলেছেন। ঈর্ষায় ব্যক্তিগত আক্রমণ করছেন আসানসোল কর্পোরেশনের মেয়রকে। এমনকী সামনেরবার লোকসভা ভোটে কত ব্যবধানে জিতবেন, সেই হিসেব কষছেন! বিজেপির লোক হিসেবে এর চেয়ে অবশ্য তাঁর কাছে বিশেষ কিছু আশা করা যায় না। করোনা সঙ্কটে মানুষের পাশে গিয়ে দাঁড়াতেও দেখা যায়নি তাঁকে। তবে তাতে যে অসুবিধা হচ্ছে তা নয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সৈনিক হিসেবে আসানসোলের মেয়র এবং পাণ্ডবেশ্বরের বিধায়ক হিসেবে নিজের দায়িত্ব পালন করছেন জিতেন্দ্র তিওয়ারি, ভরসা দিচ্ছেন মানুষকে।

তিনি নিজে সারপ্রাইজ ভিজিটে গিয়ে দেখছেন মানুষ সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের সুফল বা রেশন ঠিকঠাক পাচ্ছেন কিনা। সরকারি উদ্যোগের বাইরে নিজে সাধ্যমতো এগিয়ে এসে প্রভূত কাজ করছেন জিতেন্দ্র। আসানসোলের পাশাপাশি নিজের বিধানসভার মানুষের সুবিধা-অসুবিধা দেখছেন। লকডাউনে সমস্যায় পড়া নিজের বিধানসভা এলাকার ৪০ হাজার মানুষকে ৫ কেজি করে চাল ও আলু দিয়েছেন। গরুর জন্য খড় বিলি এখনও করে চলেছেন। রামনবমীতে ৪০ হাজার মাস্ক বিতরণ করেছেন। পয়লা বৈশাখের আগেই বিধানসভা এলাকার সাড়ে ১৩ হাজার বিধবা মা-বোনেদের হাতে ‘মাতৃবন্দনা’ কর্মসূচির অঙ্গ হিসেবে নতুন কাপড় ও ৫ কেজি করে আটা তুলে দিয়েছেন।

বৃদ্ধাশ্রমে গিয়ে নতুন বস্ত্র ও খাদ্যসামগ্রী তুলে দিয়েছেন। বিধানসভা এলাকাগুলিতে স্যানিটাইজেশনের জন্য স্প্রে মেশিন কিনে দিয়েছেন। আর এবার সংখ্যালঘু ভাই-বোনেদের জন্য বিশেষ কর্মসূচি নিয়েছেন তিনি। রমজান মাসের শুরুতেই রোজা ভাঙার সময় জরুরি খাদ্যসামগ্রী পাঠাচ্ছেন জিতেন্দ্র। তিনি জানান, বিধানসভা এলাকার প্রায় সাড়ে ১৫ হাজার পরিবারের হাতে খাদ্যসামগ্রী-সহ বিশেষ রমজান প্যাকেট পৌঁছে দেবেন দলীয় কর্মীরাই। লকডাউনে সমস্যার কথা মাথায় রেখেই এই পদক্ষেপ। বাড়িতে থেকেই প্রার্থনা করার যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তা মেনে চলার আহ্বানও জানান তিনি।