করোনাভাইরাসের জেরে ইতিমধ্যে বদলে গেছে এতদিনের চেনা পৃথিবী গ্রহটা। সেইসঙ্গে অন্য অনেক কিছুর মতো বদলে গেছে সন্ত্রাসবাদের চেহারাও। আতঙ্ক ছড়াতে এখন আর বোমা, গুলি, বন্দুক, আরডিএক্স কিছুই লাগছে না। সামান্য থুথু বা হাঁচি-কাশিই হয়ে উঠছে মারণ অস্ত্র। এমনটাই মনে করছেন মাইক্রোবায়োলজিস্টস সোসাইটি অব ইন্ডিয়ার পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সভাপতি ও দীনবন্ধু এন্ড্রুজ কলেজের অধ্যাপিকা ডা. স্বপ্না মুখোপাধ্যায়।
প্রসঙ্গত, মাইক্রোবায়োলজিস্ট ডা. স্বপ্না মুখোপাধ্যায়ের মতে জৈব সন্ত্রাসে পা দিয়েছে বিশ্বের বেশ কিছু ক্ষমতাশালী দেশ। সঙ্গে যোগ দিয়েছে মিত্র বা বন্ধুদেশগুলিও। আর তার ফলে মেতে উঠেছে যুদ্ধ যুদ্ধ খেলাতে। নীতি একটাই তা হল — ‘মারি অরি পারি যে কৌশলে’। তিনি বলেন, বিগত কয়েক বছর ধরে লক্ষ্য করা যাচ্ছে জৈব যুদ্ধ বা জৈব সন্ত্রাস নিয়ে। মানুষের মুখে আতঙ্কের ছাপ। একটাই প্রশ্ন কী এই জৈবযুদ্ধ বা জৈব সন্ত্রাস? কীভাবে তা প্রয়োগ করবে জৈব সন্ত্রাসবাদীরা? এতে ক্ষতি কী আমাদের? হাজারো প্রশ্ন এখন মনের মধ্যে। স্বপ্না মুখোপাধ্যায় বলেন, সহজ কথায় বলতে গেলে প্রতিপক্ষের মানুষকে মেরে বা শস্যের ক্ষতিসাধন করে দেশের অর্থনীতি কিংবা স্থিতাবস্থাকে ধ্বংস করা। এরজন্য বিভিন্ন মারাত্মক জীবাণু ও তাদের নিসৃত টক্সিনকে যখন যুদ্ধাস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয় তখনই তা হয়ে ওঠে জৈব অস্ত্র। সেই অস্ত্র ব্যবহার করে যে ভয়ঙ্কর যুদ্ধ তৈরি হয় তা হল জৈব যুদ্ধ। বিশ্ব যেভাবে মারণখেলায় নেমেছে, তাতে লক্ষ্য করা যাচ্ছে বেশ কিছু ক্ষমতাশালী দেশ জৈব অস্ত্রকে মুখ্য মারণাস্ত্র হিসাবে বেছে নিয়ে সমরাঙ্গনে নেমেছে। আশ্চর্য ব্যাপার হল এই যুদ্ধে কোনো গোলাগুলি নেই। নেই কোনো পরমাণু বোমা। নেই বোমারু বিমান। ক্ষেপণাস্ত্র নেই, নেই ভারি বুটের শব্দ। আছে শুধু আতঙ্কের রাত। হৃদয়ভেদী শোক, মৃত্যুর নীরব মিছিল।

মাইক্রোবায়োলজিস্ট ডা. স্বপ্না মুখোপাধ্যায় ও ডা. তন্ময় ঘোষ
চিন্তিত বিশ্বজুড়ে মাইক্রোবায়োলজিস্টরা। এ নিয়ে বেশ কয়েকবার বৈঠক হয়েছে। সতর্কবাণী শোনালেও ক্ষমতাশালী দেশগুলি এব্যাপারে উদাসীন। বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নানান জঙ্গিগোষ্ঠী জৈবপ্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে এই জৈবাস্ত্রগুলিকেই তাদের সন্ত্রাসের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। ফলে প্রসার ঘটছে জৈব সন্ত্রাসবাদের। উল্লেখ করতেই হয় এ শতকের গোড়ার দিকে আমেরিকার মতো দেশ যখন অ্যানথ্রাক্সের ভয়ে কুঁকরে গিয়েছিল, তখন অনেকের মনে প্রশ্ন জেগেছিল ব্যাপারটা নিয়ে। অনেকের মনে এমনও প্রশ্ন জাগে চীন থেকে ছড়িয়েছিল সার্স, আর মধ্য প্রাচ্য থেকে মার্স। দুটি অতিমারীই ছিল ভাইরাস সংক্রমণের ফল এবং ভাইরাসটা ছিল করোনাভাইরাস। প্রসঙ্গত, আমাদের বর্তমান অতিমারী ভাইরাস সার্সকোভ-২ ছড়িয়েছে চীন থেকে। মনে রাখতে হবে করোনাভাইরাসের সংক্রমণেই সংকটে পড়েছে সমগ্র মানবজাতি। বিশ্বের তাবড় বিজ্ঞানীদের সন্দেহ বতর্মান করোনাভাইরাস চীনের একমাত্র লেভেল ফোর বায়োসেফটি ল্যাবরেটরি উহান ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজি থেকেই তৈরি। এ তথ্য আমেরিকার বিখ্যাত সেনেটর টম কটন সর্বপ্রথম সবার সামনে আনেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, এই মারণ ভাইরাস ওই ল্যাব থেকেই উদ্ভূত। এছাড়াও আমেরিকার বায়োলজিক্যাল ওয়েপন্স অ্যান্টিটেরিজম অ্যাক্ট ১৯৮৯ এর প্রবক্তা ডা. ফ্রান্সিস বয়েলও (Dr. Francis Boyle) ঘোষণা করেন যে এই করোনাভাইরাসটি একটি আক্রামনাত্মক জৈব যুদ্ধাস্ত্র যা জেনেটিক এনজিনিয়ারিং-এর মাধ্যমে সৃষ্টি। তবে টম কটন (Tom Cotton) বা ডা. ফ্রান্সিস বয়েলের কারোর মতামতই এখনো অবধি প্রমাণিত নয়।
প্রসঙ্গত, জৈবযুদ্ধের ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যাবে যুদ্ধ জয়ের জন্য বহু শতক আগেই পারসিক, গ্রীস এবং রোমানরা অতি সংক্রামক রোগ সুকৌশলে ছড়িয়ে দিত বিপক্ষ শিবিরে। একটাই উদ্দেশ্য মহামারী ঘটানো। এমনকী বিভিন্ন ইউরোপীয় যুদ্ধে, উনবিংশ শতাব্দীতে আমেরিকার গৃহযুদ্ধে এবং দক্ষিণ আফ্রিকার বোয়ের যুদ্ধেও (Boer War) বিভিন্ন জৈব অস্ত্র প্রয়োগের প্রমাণ মিলেছে। এমনকি শত্রু শিবিরে খাদ্য ও জলের যোগান বন্ধ করে দিয়ে ভয়ংকর সংক্রামক রোগ ছড়িয়ে দেওয়া বহু দিন থেকেই যুদ্ধ পরিকল্পনার অঙ্গ। আবার এও লক্ষ্য করা গেছে প্লেগ ও গুটিবসন্তে আক্রান্ত মৃতদেহগুলিকে দুর্গপ্রাকার বা শহরের উঁচু দেওয়াল পার করে ভিতরে ফেলে দিত। ফলে সহজে মহামারী ছড়িয়ে পড়তে সময় লাগত না। যুদ্ধ জয় হত সহজেই। আশার কথা এই জৈব যুদ্ধের বিরুদ্ধে ইংলন্ড, জাপান সহ বেশ কিছু দেশ সরব হয়েছে।

সামুদ্রিক জৈববিষ
সূত্রের খবর, আধুনিককালে ভয়ংকর রোগজীবাণুকে যুদ্ধাস্ত্র হিসাবে ব্যবহার করার লক্ষ্যে জাপান পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু করে ১৯৩১ সালে। এই কাজের জন্য তাদের অধীকৃত চীনের মাঞ্চুরিয়া অঞ্চলের হার্বিন শহরে একটি কেন্দ্র স্থাপন করে। সেখানে প্লেগ, কলেরা, টাইফয়েড, প্যারাটাইফয়েড এবং অ্যানথ্রাক্স ইত্যাদি মহামারি সৃষ্টিকারী রোগের জীবাণু নিয়ে গবেষণা ও যুদ্ধাস্ত্রে পরিণত করার লক্ষ্যে বহু বিজ্ঞানীকে নিয়োগ করা হয়। ওই সকল পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য গিনিপিগ বানানো হয়েছিল চীন ও রাশিয়ার যুদ্ধবন্দীদের। ফলে কম করে দু’হাজার বন্দীর মৃত্যু হয়েছিল। বারোটি চীনা শহরে ব্যাপকহারে ওই সকল রোগের মহড়া দেওয়া হয়েছিল। ওই সব রোগ নিয়ে নাড়াচাড়া করতে গিয়ে প্রায় ১৭০০ জাপানিও মরেছিল। কারণ তারা বোতলের দৈত্যকে বের করতে শিখলেও, তাকে আবার বোতলবন্দী করার কৌশল রপ্ত করতে পারেনি। নিজেদের সুরক্ষা গ্রহণের পদ্ধতি ঠিকমত জানা না থাকায় দু-মুখো ফলার মতো ওই সংক্রামক রোগগুলি জাপানিদেরও ক্ষমা করেনি।
উল্লেখ্য, আমেরিকা, বৃটেন ও রাশিয়া ইত্যাদি দেশেও জৈব যুদ্ধাস্ত্র তৈরির জন্য অনেক গবেষণা কেন্দ্র ও উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপন হয়েছে। এই মুহূর্তে ইরান, ইরাক, ইজরায়েল, উত্তর কোরিয়া, চীন, লিবিয়া, সিরিয়া, তাইওয়ান সহ কম করেও ২০ টি দেশ নতুন নতুন জৈব অস্ত্র তৈরিতে ব্যস্ত। মাইক্রোবায়োলজিস্টরা (Microbiologist) মনে করছেন এই জৈব অস্ত্র তৈরিতে সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হল ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস। যেমন ব্যাকটেরিয়া ব্যাসিলাস (Bacterial Bacillus), অ্যানথ্রাসিস (anthracis), ব্রুসেল্লা সুইস (Brucella swiss), কক্সিয়েল্লা বার্নেট (Coxiella Burnett) ইত্যাদি ব্যবহৃত হচ্ছে। একইভাবে যে ভাইরাসগুলি জৈব অস্ত্রে কাজে লাগানো হচ্ছে তা হল — স্মলপক্স, এনকেফেলাইটিস (Encephalitis), হেমারেজিক ফিভার (Hemorrhagic fever), এইচ.আই.ভি, ইবোলা, নীপা ও করোনা ইত্যাদির মতো ভাইরালগুলিকে।

এখন প্রশ্ন হল সন্ত্রাসবাদীরা কেন জৈব অস্ত্র বেছে নিচ্ছে ? মাইক্রোবায়োলজিস্ট ড. তন্ময় ঘোষের মতে প্রথমত, খুব সহজে আপাতনিরীহ পদ্ধতিতে শত্রুকে মৃত্যুবাণ পাঠানো যায়। যেমন একটি ছাতারবাঁটে ছোট খাঁজ কেটে সেই খাঁজে তীব্র বিষ ‘রিসিন’ ভর্তি ১.৭ মিমি. ক্ষুদ্র মাদুলি আটকে সেই ছাতা রাশিয়ার কেজিবি লন্ডনে পাঠিয়েছিল। উদ্দেশ্য এক বুলগেরিয়ান ডিফেক্টর জর্জি মারভককে (defector Georgi Markov) মারতে। এজন্য মাদুলির মুখ মোম দিয়ে আটকানো ছিল। ছাতাটি ব্যবহার করতে গিয়ে শরীরের তাপে মাদুলির মোম গলে তীব্র বিষ ওই হতভাগ্যের সংস্পর্শে এলে মৃত্যু হয়। এরকম বহু ঘটনার নজির আছে। দ্বিতীয়ত, সহজ উৎপাদন প্রক্রিয়া। যেমন কোনও গবেষণাগার থেকে গোপনে রোগজীবাণু সংগ্রহ করা বিশেষ কঠিন কাজ নয়। নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় সেই জীবাণুকে সংরক্ষিত রেখে এক জায়গা থেকে আর এক জায়গায় চোরাচালান করাও খুব কঠিন কাজ নয়। এসব ব্যাপারে সাধারণ ফিল্টার কাগজকেও ব্যবহার করা যেতে পারে। তৃতীয়ত, রাসায়নিক অস্ত্রের তুলনায় জৈব অস্ত্র তৈরির প্রাতিষ্ঠানিক খরচ বা পরিকাঠামোগত খরচ অনেক কম। কিন্তু লাভ বেশি। এছাড়া এতে গোপনীয়তাও বজায় থাকে অনেক বেশি। কারও সন্দেহের উদ্রেক না করেই আড়াল থেকে জৈব উপাদানগুলিকে শত্রুপক্ষের ধ্বংসের কাজে লাগানো হয়। পানীয়জল, খাবার এমনকি বাতাসের মাধ্যমেও রোগের উপাদানগুলিকে ছড়িয়ে দেওয়া যায়। কিন্তু শত্রুপক্ষ টেরও পায় না। যেমন ১৯৯৪ সালে সুরাটে যে প্লেগের প্রাদুর্ভাব হয়েছিল তার পিছনে সন্ত্রাসবাদীদের হাত ছিল বলে অনেক বিজ্ঞানীর ধারণা।
ডা. স্বপ্না মুখোপাধ্যায়ের মতে জৈব অস্ত্রগুলির (Biological weapons) উপাদানকে বিমানের মতো দ্রুতগামী যানের সাহায্যে দ্রুত বিস্তীর্ণ অঞ্চলে ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব। এরফলে অতি অল্প সময়ের মধ্যে ভয়ংকর রোগের উপাদান পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে ছড়িয়ে পড়ে। রহস্যময় বার্ড ফ্লু, সার্স ইত্যাদি রোগ কীভাবে চীন থেকে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছিল কিংবা বর্তমান কোভিড-১৯ প্রায় দুশোটি দেশে ছড়িয়ে পড়েছিল তা সকলেরই জানা। এছাড়া বিজ্ঞানীদের দিশেহারা করার জন্য সন্ত্রাসবাদীরা প্রায়ই একাধিক রোগের জৈব উপাদান সহজেই একসঙ্গে মিশিয়ে দিয়ে সংকট তৈরি করছে। ফলে সঠিক রোগ বা জৈববিষ (Biotoxins) নিরূপণে বিজ্ঞানীদের অনেকটা সময় চলে যায়। সেই সুযোগে রোগের ব্যাপ্তিও যায় বেড়ে। আর সব থেকে বড় কথা হল জনসাধারণের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হচ্ছে। ফলে বিশ্বে আতঙ্ক ছড়াতে আর বোমা, গুলি, বন্দুক, আরডিএক্স কিছুই লাগবে না।সামান্য থুথু বা হাঁচি-কাশিই হয়ে উঠছে জৈব মারণাস্ত্র। তা উত্তরোত্তর বাড়ছে। এখানেই বিজ্ঞানীদের ঘুম কেড়েছে সন্ত্রাসবাদীরা। ড. তন্ময় ঘোষের মতে জৈব সন্ত্রাসবাদীরা (Bioterrorists) সুপরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন ভয়ংকর জীবাণু প্রাণী ও উদ্ভিদের মধ্যে ছড়িয়ে দিয়ে প্রাণী ও কৃষি সম্পদের ব্যাপক ক্ষতিসাধন করছে। তারফলে অনেক দেশ অর্থনৈতিক সংকটের মুখে পড়ছে। যেমন ১৮৪০ সালে আয়ারল্যান্ডে ভয়াবহ আলুর ব্লাস্ট রোগের জন্য যে দুর্ভিক্ষ হয়েছিল, তাতে ৫ লক্ষ লোক অনাহারে মারা গিয়েছিলেন। আরও ৫ লক্ষ লোক দেশ ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন। তা জৈব সন্ত্রাসের কারণ বলে বিজ্ঞানীদের ধারণা। আবার ১৯৯৭ সালে হংকং-এ পাখির যে মারাত্মক ইনফ্লুয়েঞ্জা (বার্ড ফ্লু) রোগ হয়েছিল তাতে ৬ জন মারা যাওয়ার পরই ১৪ লক্ষ হাঁস — মুরগি মেরে ফেলতে হয়েছিল। আমাদের দেশও বাদ যায়নি এই রোগ থেকে। পোলট্রিশিল্পে ক্ষতি হয়েছে ৭০০ কোটি টাকা। যেভাবে ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়াকে ভাইরাল করার কাজে মত্ত হয়েছে সন্ত্রাসবাদীরা, তাতে আগামীদিনে বোমা – বন্দুক ছেড়ে জৈব অস্ত্রেই শেষ হবে মানবসভ্যতা। বিজ্ঞানীদের এমনটাই আশঙ্কা।

রাসায়নিক অস্ত্র
বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা জৈব যুদ্ধ বিশ্বব্যাপী মানবসভ্যতার ধ্বংস ত্বরান্বিত করছে। চিরকালই সংক্রামক ব্যাধি বিশ্বব্যাপী মানুষ ও প্রাণীর মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ। আসলে জৈব অস্ত্র রোধ করার লক্ষ্যে প্রয়োজন আগ্রাসী কৌশলের। মনে রাখতে হবে কোভিড দিচ্ছে ভবিষ্যতের জৈব সন্ত্রাস মোকাবেলার প্রস্তুতির সুযোগ। সরকারকে নিয়ন্ত্রণমূলক আইনও প্রয়োগ করতে হবে।প্রতিটি পর্যায়ে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ এবং এপিডেমিওলজিস্টদের (Epidemiologist) পরামর্শ মেনে চলতে হবে। সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য জনগণকেও আগ্রহের সঙ্গে সরকারি যে সব নীতি তাতে সহযোগিতা করতে হবে। নচেৎ মানুষকেই আগামীদিনে ভয়ংকর জৈব মারণাস্ত্রের মুখোমুখি হতে হবে।