মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণামতো এপ্রিল মাসের রেশন প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ তুলে নিয়েছেন। ৬০ লক্ষের বেশি কুপন দেওয়া হয়েছে। প্রতিদিন সকালে ও বিকেলে আড়াইশো জন করে রেশন দিতে বলা হয়েছে। সকলে সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং মেনে রেশন তুলুন। যে রেশন ডিলারদের সাসপেন্ড করা হয়েছে সেখানে নতুন কাউন্টার খোলা হয়েছে। সোমবার ১৩ এপ্রিল এ কথা জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। তিনি বলেন, রেশন নিয়ে অভিযোগ আসা কমে গিয়েছে। এখন দিনে ৫-৬টি করে অভিযোগ আসছে। আপনারা কোনও অভিযোগ থাকলে টোল ফ্রি নম্বর ১৮০০৩৪৫৫৫০৫ এবং ১৯৬৭-এ জানাবেন। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা সকাল ৮টা থেকে রাত ১০টা অবধি থাকছি। ভাববেন না কেউ ফোন ধরছে না, আপনাদের অভিযোগ রেকর্ড করা থাকবে। মা মাটি মানুষ সরকার থাকতে কোনও মানুষকে সমস্যা ভোগ করতে হবে না।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, মে মাসের ১ তারিখ থেকে মে মাসের রেশন দেওয়া হবে। চাল, গম পুরোটাই মিলবে। আটা দেওয়া হবে ১৫ দিন অন্তর, কারণ এক মাসেরটা একসঙ্গে দিলে আটার এক্সপায়ারি ডেট পেরিয়ে যেতে পারে। লকডাউন চললেও সব আটাকল খুলে যাবে। এ ছাড়া মে মাসের ১ তারিখ থেকে ‘অন্নদাত্রী’ অ্যাপ মারফত চাষিদের বাড়ি গিয়ে ধান কেনার কাজ শুরু হবে।

উত্তরবঙ্গে ২০০ ও দক্ষিণবঙ্গের ৪০০ রাইস মিল বেছে নেওয়া হচ্ছে এই কাজের জন্য। ধান সংগ্রহের সময় উপস্থিত থাকবেন ব্লক বা জেলার খাদ্য ও সরবরাহ দফতরের আধিকারিকরা। ধান কিনে হাতে হাতে চেক দেওয়া হবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাদের সকলের মা। তিনি আছেন বলে রেশন ব্যবস্থার সুফল পাচ্ছেন বাংলার সাড়ে ১০ কোটি মানুষ। সকলে ভালো থাকুন।