বিজেপি প্রায়ই বলে তাদের কর্মী সমর্থকরা দিকে দিকে হেনস্থার স্বীকার। তৃণমূলের অপশাসনে গোটে বাংলায় গণতন্ত্র লজ্জায় মুখ ঢেকেছে। বিরোধী দলনেতা শুভন্দু অধিকারী ভাঙা রেকর্ডের মতো একই কথা বলে বেরাচ্ছেন ঘরে বাইরে সর্বত্র। তার ডাইরিতে নোট করা নেই ভোটের রেজাল্ট বেরোবার পর পরই কালনার পাণ্ডুয়া মোড় এলাকায় এক বিজেপি সমর্থিত ব্যবসায়ী দোকান খুলতে পারছিলেন না। খবর পেয়ে ছুটে গেছিলেন সদ্য জয়ী বিধায়ক দেবপ্রসাদ বাগ। নিজে দাঁড়িয়ে থেকে দোকান খুলিয়েছিলেন। নির্ভয়ে ব্যবসা করার জন্য সহযোগিতা করেছিলেন সেই ব্যবসায়ীকে।

কিন্তু ওই এলাকার সাংসদ তৃণমূল থেকে বিজেপিতে ড্রাইভ মারা সুনীল মন্ডল সেই দিন তার পাশে দাঁড়ান নি। ভোটের ফলাফল বেরোবার পর থেকে তিনি বেপাত্তা। তিতিবিরক্ত এলাকার কর্মীরা প্রায়ই ব্লক সভাপতি প্রনব রায়ের কাছে এসে জোড়াফুলে নাম লেখাবার কথা বলে। বার কয়েক ফিরিয়েও দিয়েছিলেন কিন্তু এবার তিনি অপারগ। ভোটের আগে থেকেই তিনি এই অঞ্চলে ঘন ঘন যাতায়াত করছেন। কালনা ২ নং ব্লককে তিনি হাতের তালুর মতো চেনেন।

ভোটের আগে আগে একবার ভাঙন ধরেছিল পিণ্ডিরা গ্রাম পঞ্চায়েতে, সেবার বিজেপি নেতা উৎপল মন্ডল জোড়াফুলের পতাকা হাতে তুলে নিয়েছিলেন। আজ সকাল ১১টা নাগাদ ঢাক ঢোল পিটিয়ে মিছিল করে বিজেপি কর্মীরা হাজিরা হন কালনা ২নং ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস কমিটির কার্যালয়ের ঐকতান মঞ্চে।

পিণ্ডিরা গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত পিণ্ডিরা গ্রাম থেকে ৮০ জন বিজেপি কর্মী-সমর্থক তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করলেন। তাদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দিলেন ব্লক সভাপতি প্রনব রায়, রাজ্য আদিবাসী সেলের চেয়ারম্যান দেবু টুডু, কালনা বিধানসভার বিধায়ক দেবপ্রসাদ বাগ, কালনা ২নং পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি নিলীমা কপ্টী-সহ ব্লক ও অঞ্চল নেতৃত্ব।