প্রধানমন্ত্রীর দৌলতে ভারতবর্ষে অকাল দীপাবলি হয়ে গেল। চূড়ান্তভাবে বাজি পুড়েছে। শ্রীরামপুরে যে আবাসনে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় থাকেন তার ঠিক বিপরীতে ব্যারাকপুর। তৃণমূল সাংসদ বলেন, ব্যারাকপুরে প্রচুর বাজি পুড়েছে, এখন যে সময় চলছে এটা আনন্দ-ফূর্তির সময় নয়। সামর্থ্য অনুযায়ী প্রত্যেক জনপ্রতিনিধিরা মানুষের কাছে খাদ্য পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করছে। সাধারণ মানুষ ঘরে থাকছে। সমবেত হওয়ার কোনো জায়গাই নেই। প্রধানমন্ত্রী ভারতবর্ষের সমস্ত নিয়মকানুন ভেঙে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছেন। এত বাজি কোথা থেকে এলো, সেটা আমি জানি না। আগামী ৮ তারিখ প্রধানমন্ত্রী দেশের অন্য রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলবেন।

সেই প্রসঙ্গে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, পার্লামেন্ট চলার সময় বলা হয়েছিল, করোনা নিয়ে সারা বিশ্বে কী হচ্ছে সেটা নিয়ে বৈঠক ডাকতে কিন্তু তখন তিনি ডাকলেন না। এটা সত্যি কথা, নরেন্দ্র মোদী কারও কথা শোনেন না। উনি নিজের তালে নিজে চলেন। এখন একটা বিপদের মধ্যে পড়েছে তাই স্টেজ মেকআপ দেওয়ার জন্য সর্বদলীয় বৈঠকের কথা বলছেন আর কিছু না। উনি খুব ভালো বক্তা এটা নিয়ে দ্বিমত নেই। কিন্তু ওঁর ব্যর্থতাগুলো ওই ভাষণের মধ্যে দিয়ে ঢেকে রাখা যাবে না। এখন তো ভাষণ দিয়ে ব্যর্থতা ঢেকে রাখার জায়গা নেই, সেটা প্রমাণিত হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর তহবিলে কত টাকা ঢুকেছে আর উনি কত টাকা খরচা করছেন সেটা জানানো উচিত বলেও মন্তব্য করেন কল্যাণ। শ্রীরামপুরের অ্যাম্বুলান্স চালকদের পিপিই কিট তুলে দেন কল্যাণ। সাংসদের এলাকা উন্নয়ন তহবিল থেকে আরও ৫০ লাখ-সহ মোট এক কোটি টাকা করোনা মোকাবিলায় দেওয়ার জন্য তিনি চিঠি দেন হুগলির জেলাশাসককে।
ছবি ও সংবাদ : সুভাষ মজুমদার