মধ্যপ্রদেশ বিধানসভার অধিবেশন ২৬ মার্চ অবধি মুলতবি হওয়ার পর আস্থা ভোটের দাবি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে যায় বিজেপি। আবেদন করেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান এবং রাজ্যের বিরোধী দলনেতা-সহ ৯ জন বিধায়ক। মঙ্গলবার ১৭ মার্চ শীর্ষ আদালতে বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি চলাকালীন মামলায় পার্টি হতে চেয়ে আবেদন করেন ১৬ জন বিদ্রোহী কংগ্রেসি বিধায়ক, যাঁদের পদত্যাগপত্র এখনও গৃহীত হয়নি। শীর্ষ আদালত এ ব্যাপারে মধ্যপ্রদেশ সরকার ও বিধানসভার অধ্যক্ষ এনপি প্রজাপতিকে নোটিশ পাঠিয়ে তাঁদের বক্তব্য জানতে চেয়েছে। বুধবার ১৮ মার্চ সকাল সাড়ে ১০টায় এই মামলার শুনানি হবে। সোমবার মধ্যপ্রদেশের রাজ্যপাল লালজি ট্যান্ডন ১৭ মার্চ আস্থা ভোটে যেতে বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী কমল নাথকে। তারপরই রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করার পর কমল নাথ জানান, সরকারের সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে, তাই আস্থা ভোটের দরকার নেই। বিজেপিকে পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে তিনি বলেন, যারা সরকারকে আস্থা ভোটে যেতে বলছে, ক্ষমতা থাকলে তারা অনাস্থা প্রস্তাব আনুক। এদিকে, বিদ্রোহী কংগ্রেসি বিধায়করা বলেছেন, কমল নাথ তাঁদের কথা শুনতে ১৫ মিনিটও সময় দিতেন না। ইতিমধ্যেই মধ্যপ্রদেশে ১৫ মাসের সরকার ফেলতে বিজেপি মরিয়া হয়ে উঠে ঘোড়া কেনা-বেচা শুরু করেছে। এই পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রদেশে কী হয় তা নির্ভর করছে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের উপরেই।