দীর্ঘ দিনের দাবি মেনে তারকেশ্বর বৈদ্যবটি রোডের কামারকুন্ডুতে ফ্লাইওভার তৈরি করেছে রেল এবং বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে কামারকুন্ডু হাইওয়ের নিচের রাস্তাটি।
এলাকাবাসীদের সুবিধার্থে ওই রাস্তা টি চালু রাখার জন্য বা ওই জায়গায় সাবওয়ে তৈরির জন্য বার বার এলাকাবাসী দের তরফ থেকে আবেদন করা হয়েছে রেলের কাছে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ রেল কোনো উদ্দ্যোগ নেয়নি রাস্তাটি চালু রাখার ব্যাপারে, উল্টে রাস্তাটি বন্ধ করে দিতে চাইছে রেল।
সেইজন্য সাবওয়ে তৈরি করার দাবিতে সরব হয়েছে স্থানীয় বাসিন্দারা। গতকাল সেই দাবিতে মিছিল ও করেন গ্ৰামবাসীরা।

কামারকুন্ডু রেল ব্রীজ চালু করা, রেল ফটক বন্ধ করা তার সাথে গ্ৰামবাসীদের দাবি অনুযায়ী ফুট ওভার ব্রীজ অথবা সাবওয়ে করার বিষয়ে কামারকুন্ডু পঞ্চায়েতে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হল রেলের ইঞ্জিনিয়ারদের সাথে হুগলী জেলা প্রশাসনের।
হুগলী জেলা শাসক পি দিপাপ প্রিয়া, চন্দননগর মহকুমা শাসক অয়ন দাশগুপ্ত, রাজ্যের শ্রমমন্ত্রী বেচারাম মান্না-সহ রাজ্যের একাধিক প্রতিনিধিরা আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন। রেলের তরফে ডিভিসোনাল ইঞ্জিনিয়ার এস কে যাদব আলোচনা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য হাওড়া-বর্ধমান কর্ড শাখার কামারকুন্ডুতে ব্রীজের কাজ প্রায় সম্মন্ন। আর কয়েকদিন পরেই ব্রীজ চালু হবার কথা। ব্রীজ চালু হলে অন্যান্য জায়গার মতো রেল কর্তৃপক্ষ নিচের রাস্তাটি বন্ধ করে দেবে। কিন্তু স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, রেল ফটক বন্ধ হয়ে গেলে এপার থেকে ওপার যাতায়াত করতে অসুবিধার মধ্যে পড়তে হবে। কারন লাইনের একপাশে পঞ্চায়েত, সব্জী বাজার, রেশন সপ, কোল্ড স্টোরেজ আবার অন্য পাশে কলেজ, স্কুল, দোকানপাট আছে। ফলে ছোট খাটো প্রয়োজনে স্থানীয় মানুষদের লাইন পারাপার করতে খুবই অসুবিধার সম্মুখীন হতে হবে। বারবার ব্রীজ দিয়ে ঘুরে যেতে সমস্যায় পড়তে হবে বয়স্কদের ও চাষীদের। তাই এলাকায় ফুটব্রীজ অথবা সাবওয়ে প্রয়োজন। সেই দাবিতে গতকাল বিকালে স্থানীয় জনসাধারন মিছিল করে।

আজকের মিটিং শেষে শ্রমমন্ত্রী বেচারাম মান্না বলেন, গ্ৰামবাসীদের দাবি অনুযায়ী রেলের কাছে সাবওয়ে করার দাবি জানানো হয়েছে। আরো দাবি জানানো হয়েছে, যতদিন না সাবওয়ে হচ্ছে রেল ফটকের পাশে ৪-৫ ফুট প্যাসেজ রাখা হবে স্থানীয়দের যাতয়াতের জন্য। সেখানে সবসময় রেল পুলিশ মোতায়েন থাকবে।