খেজুর বলতেই মনে পড়ে ফল, গুড় আর রসের কথা। বহুদিন ধরেই খেজুর গাছের এই পরিচয়টাই আমাদের সামনে এসেছে। কিন্তু এর বাইরেও খেজুর গাছের আরেকটা পরিচয় রয়েছে। বাঙালি সে কথা ভুলতে বসেছে। আমরা ভুলে গিয়েছি খেজুর গাছের পাতা দিয়ে তৈরি নানাধরণের চাটাই, ঝুড়ি, মোড়া, থলে, ঝাঁটা, শিকে ইত্যাদি গেরস্থালির নানা জিনিসের পাশাপাশি নানাধরণের খেলনার কথা। সাধে কি আর বলে খেজুর গাছ হচ্ছে মধু বৃক্ষ। শুধু রস আর গুড়ের যোগান দিয়ে সে থেমে থাকেনি। এই গাছের দৌলতেই বাঙালির অতিথি আপ্যায়নের ব্যবস্থাও প্রাচীনকাল থেকেই বেশ চালু। খেজুর গাছের ছোবরা চামড়া দিয়ে মুড়ে তৈরি হয় বালিশও। এই চাটাই বোনেন গ্রামের মেয়েরাও।

বিভূতিভূষণের আহ্বান গল্পে দেখছি খেজুর গাছের চাটাই বুনছেন এক মহিলা। গ্রামগঞ্জে এখনও খেজুর পাতার নকশি চাটাই বা পাটির ভালো চাহিদা রয়েছে। বহু গ্রামে অতিথি এলে এখনও বসার জন্য দেওয়া হয় খেজুর পাতার আসন, শোয়ার জন্য দেওয়া হয় খেজুর পাতার চাটাই, বালিশও। গরমের সময় এই পাটি বা চাটাইয়ে শোয়া খুব আরামের। এটা ১৪০০ বছরের প্রাচীন এক শিল্প, আরব দুনিয়ায় এর উদ্ভব। দু বাংলাতেই খেজুরপাতার চাটাই ও আসনের বহুল ব্যবহার রয়েছে।

চাটাই বোনা গ্রামবাংলার বহু মানুষের জীবিকা। খেজুর পাতা শুকিয়ে এই চাটাই বা পাটি তৈরি হয়। তার ওপর রঙ দিয়ে আঁকা হয় নানা ধরণের নকশা। ঘাটালের চন্দ্রকোণা থানার নির্ভয়পুর গ্রামে ৬০টি পরিবারের মহিলারা এই চাটাই তৈরি করেন। পরিবারের পুরুষরা মূলত দিনমজুর। করোনায় তাদের ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রাম জেলার জামবনি, নয়াগ্রাম, গোপীবল্লভপুর, লালগড়, বেলপাহাড়ি, মেদিনীপুর সদর, গড়বেতা এবং শালবনির আদিবাসী গ্রামগুলির মহিলাদের এই চাটাই বানানোই মূল জীবিকা।

হিন্দু, মুসলমান উভয় সম্প্রদায়ের মধ্যে এই চাটাই ও আসনের ব্যবহার রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, খেজুর পাতা দিয়ে অলঙ্কার সহ নানা ধরণের ডেকরেটিভ আইটেমও তৈরি হতে পারে।
আমি পাটি অর্ডার কয়তে চাই পয়িমান 1000/500 পিঢ
আচ্ছা ভাইয়া হয়ে যাবে। কোনও স্যাম্পল পেলে ভাল হত।
এই লেখাটা আমার। জ্যোতিদা আমায় জানিয়েছেন।
আমার ফোন ৮৩৩৫০১৪৮০৮ মেল আইডি থাকল nandabidwendu@gmail.con.
আমারএকটাখেজুর পাতার চাটাই ওয়াডার করতে চাচ্ছি
যোগাযোগ করুন বিশ্বেন্দু নন্দ ৯৭৪৮৪৯৪৫৬৮